১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রোজাদারকে ইফতার করানোর ফজিলত

ভারতের চেন্নাই নগরীর একটি ইফতারির দৃশ্য - এএফপি

রমজানের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ ইফতার। মুসলিমদের দিনব্যাপী সিয়াম সাধনার সমাপ্তি হয় ইফতারের মাধ্যমে। নিজে ইফতার করার পাশাপাশি অন্য রোজাদারকে ইফতার করানোও অনেক সওয়াবের কাজ। এ বিষয়ে রাসূল(সা.) বিভিন্ন হাদিসে বর্ণনা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে ইমাম তিরমিযী (র.) হযরত যায়েদ ইবনে খালেদ আল জুহানী (রা.) হতে বর্ণনা করেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করাবে, তাকে রোজাদারের সমান নেকী দান করা হবে। তবে এতে রোজাদারের নেকী হতে কোন নেকী কমানো হবে না।

এছাড়া ইবনে হিব্বান তাঁর সহীহতে বর্ণনা করেন, রাসুল (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসে তার উপার্জিত হালাল রিজিক হতে কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, ফেরেশতাগণ রমজান মাসের প্রত্যেক রজনীতে তার জন্য আল্লাহ পাকের দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন।
আর কদরের রাতে হযরত জিবরাঈল (আ.) তার সাথে মোসাফাহা করবেন। আর যার সাথে জিবরাঈল (আ.) মোসাফাহা করবেন তার অন্তর কাঠিন্যমুক্ত হবে এবং আল্লাহর দরবারে রোনাজারীর সময় তার অশ্রু বৃদ্ধি পাবে।

হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) অত্র হাদীসের সনদের ব্যাপারে কালাম করতে গিয়ে বলেন, এ হাদীসের সনদে দুর্বল রাবী আলী ইবনে যায়েদ ইবনে জাদ’আন বিদ্যমান। তবে ইবনে খুযায়মাও হাদীসটি রেওয়াত করেছেন, বায়হাকীও সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করেছেন।

ইফতার করানোর ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে রাসুল স. বলেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে অথবা কোনো মুজাহিদকে যুদ্ধে যাওয়ার সামানপত্রের ব্যবস্থা করে দিবে , তার জন্য সমপরিমাণ বিনিময়।(মিশকাত)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, হযরত হাম্মাদ ইবনে আবু সুলায়মান রমজান মাসের প্রতি রাতে পঞ্চাশ ব্যক্তিকে ইফতার করাতেন। আর ঈদের রজনীতে তাদের সকলকে একটি করে কাপড় দিতেন।


আরো সংবাদ