১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

প্রেমিক ও নানার ধর্ষণে সন্তান জন্ম দেয়া কিশোরী মা-শিশুকে অপহরণ

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ধর্ষণের পর জন্ম নেওয়া সন্তানসহ তার কিশোরী মাকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল ৪টায় অপহৃত কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার কিশোরী ধুনট উপজেলায় নানা বাড়ি থেকে স্থানীয় বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রঘুনাথপুর গ্রামের বকুল হোসেন ওই কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল বিকেলে বকুল হোসেন মেয়েটির ঘরে ঢুকে ধর্ষণের সময় ধরে ফেলেন মেয়েটির নানা। ঘটনাটি প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে একই সময় নানা আব্দুর রশিদ মন্ডলও নাতনীকে ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের ফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার বাবা বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মেয়েটির নানা রশিদ মন্ডল ও প্রেমিক বকুল হোসেনকে আসামী করা হয়েছে। এ অবস্থায় ধর্ষণের শিকার কিশোরী স্কুলছাত্রী গত ১ জানুয়ারি বাবার বাড়িতে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। মামলার আসামী বকুল হোসেন ও রশিদ মন্ডল বর্তমানে বগুড়া কারাগারে আটক রয়েছে।

এদিকে সন্তান প্রসবের পর লোকলজ্জায় বাড়ি ছেড়ে মেয়েটি তার সাথে উপজেলার সোনাহাটা বাজার এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতো। এ অবস্থায় ১৫ আগস্ট দুপুরে সন্তানসহ ওই কিশোরী মাকে সোনাহাটার বাসা থেকে অপহরণ করেছে ধর্ষণ মামলার আসামী পক্ষের লোকজন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। ওই অভিযোগে ধর্ষিতা মেয়েটির তালাকপ্রাপ্তা মা দেলোয়ারা খাতুনসহ ধর্ষণ মামলার আসামী পক্ষের ৫ জনের নাম রয়েছে।

ধুনট থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে মেয়েটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। মেয়ের বাবার অভিযোগটি থানায় সাধারণ ডাইরী হিসেবে রেকর্ড করে ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।


আরো সংবাদ