১৬ জুলাই ২০১৯

বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রীর মামলা

-

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন তার প্রথম স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন।  মামলার আসামী পুলিশ ইনস্পেক্টর সাইদুর রহমান বর্তমানে জয়পুরহাট জেলা পুলিশ লাইনের রিজার্ভ অফিসে আরওআই পদে কর্মরত আছেন।

মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জের আমলী আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুন্যাল-২ এ মামলাটি দায়ের করেন আম্বিয়া খাতুন (৪০)। যার মামলা নং ২৬৫/১৯, ৯২/১৯ ইং । 

মামলা সুত্রে জানা গেছে , ১৯৯৭ সালের ৩০ জুলাই সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ পৌর সদরের আবুল হোসেনের মেয়ে আম্বিয়া খাতুনের সাথে একই উপজেলার দিঘী সগুনা গ্রামের মৃত কোরবান মোল্লার ছেলে তৎকালীন পুলিশ কনস্টেবল সাইদুর রহমানের বিয়ে হয়। 

আম্বিয়া খাতুনের বাবা আবুল হোসেন (৬২) জানান, বিয়ের সময় জামাতা সাইদুর রহমানের পরিবারের দাবী অনুযায়ী ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ১টি মোটরসাইকেল ও আসবাবপত্র সহ প্রায় ৩ লাখ টাকার উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

তিনি আরো জানান, তারপরও বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আম্বিয়ার পরিবারকে যৌতুকের চাপ দিতে থাকেন পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সহ তার দুই ভাই। আর মেয়ে আম্বিয়ার সুখের কথা ভেবে আমি আবারও তৎকালীন সময়ে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা যৌতুক হিসেবে দেই।

এদিকে গোপনে ২০১৩ সালে সাইদুর রহমান রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামে আবারও ফারহানা খাতুন ইতি নামের এক মেয়েকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকেই নানা অজুহাতে প্রথম স্ত্রী আম্বিয়া ও তার একমাত্র মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে সাদিয়া সিমিকে (১৪) শারিরীক নির্যাতন করতে থাকেন। ২০১৬ সালে পুলিশ ইনস্পেক্টর হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে সাইদুর রহমান আবারও ৫ লাখ টাকার জন্য প্রায়ই আম্বিয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন। এক পর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আম্বিয়া মেয়ে সহ তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং বর্তমানে সেখানেই বসবাস করছেন।  

অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে দেন-দরবার করার পর কোন সমাধান না হওয়ায় মঙ্গলবার আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে একটি মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান , তার দুই ভাই সহ ৫ জনকে আসামী করে এবং আরেক মামলায় শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমানকে আসামী করে আদালতে মামলা করেন।

আম্বিয়া খাতুন বলেন, একুশ বছরের সংসার জীবনে স্বামী সাইদুরের কাছ থেকে আমি এতটাই নির্যাতনের শিকার যা বলার নয়-বলেই তিনি কেঁদে ফেলেন। 

এ প্রসঙ্গে জয়পুরহাট পুলিশ লাইনে রিজার্ভ অফিসে কর্মরত আরওআই পুলিশ কর্মকর্তা সাইদুর রহমান মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, আমার কোন ছেলে সন্তান না থাকার কারণে আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। আমি এখনও স্ত্রী আম্বিয়া ও মেয়ে সিমিকে ভরণ পোষন করছি।

তিনি আরো জানান, এটা আমার পারিবারিক সমস্যা। ফয়সালাও হয়ে যাবে দ্রতই। 


আরো সংবাদ

বেসরকারি টিটিসি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি কলেজ শিক্ষার্থীদের শতাধিক মোবাইল জব্দ : পরে আগুন ধর্ষণসহ নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে বিএনপির কমিটি রাজধানীতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নারীসহ দু’জন নিহত রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত আজমত আলীকে মুক্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত আজমত আলীকে মুক্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রাপ্ত আজমত আলীকে মুক্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের কাল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ এরশাদের মৃত্যুতে ড. ইউনূসের শোক ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না : রাষ্ট্রপতি ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১০ সদস্যের হজ প্রতিনিধিদল সৌদি আরব যাচ্ছেন

সকল




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi