১৮ অক্টোবর ২০১৯

আদালতে যাওয়ার পথে হত্যা মামলার সাক্ষীকে বর্বর ভাবে হত্যা

-

নাটোরের গুরুদাসপুরের স্বামী পরিত্যাক্তা নারী সফুরা খাতুন হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী জালাল উদ্দিনকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে বর্বর ভাবে হত্যা করেছে আসামিরা। এ সময় তার ডান হাত কেটে নেয়া হয়। কেটে দেয়া হয় পায়ের রগ।

আহত অবস্থায় জালালকে প্রথমে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান তিনি।

জালাল উদ্দিন উপজেলার যোগেন্দ্র নগর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম, স্থানীয়রা ও আহতের স্বজনরা জানান, ২০১৩ সালের ১৩ মে উপজেলার যোগেন্দ্র নগর গ্রামের স্বামী পরিত্যাক্তা সফুরা নামে এক নারীকে শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় নিহত সফুরার ভাই বাদী হয়ে সাইফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম রফিকুল ইসলামসহ আরো কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জালাল উদ্দিনকে প্রধান সাক্ষী করা হয়। সেই হত্যা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার আদালতে সাক্ষীর হাজিরার দিন নির্ধারিত ছিল।

আজ সকালে জালাল উদ্দিন সাক্ষ্য দিতে আদালতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে পথে যোগেন্দ্র নগর বাজারের কাছে প্রতিপক্ষরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা করে। এ সময় প্রতিপক্ষরা জালাল উদ্দিনের ডান হাত কেটে নেয় এবং বাম হাতসহ পা কেটে জখম করে। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে জালালের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুপুরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জালাল।

জালালের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে, এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum
portugal golden visa