১৯ আগস্ট ২০১৯

বগুড়ায় নিজ শয়ন কক্ষে সন্ত্রাসীর গুলিতে যুবক নিহত

-

বগুড়ায় নিজ বাসার শয়ন কক্ষে সন্ত্রাসীর হাতে গুলিতে নিহত হয়েছেন মারুফ হোসেন ওরফে পাভেল (৩৫) নামের এক যুবক। তিনি শহরের চেলোপাড়া এলাকার মৃত আলহাজ্ব মকবুল হোসেনের পুত্র।

ঘটনাটি ঘটেছে আজ মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক একটায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরাতন তিনতলা বাড়ির উপর তলায় একটি কক্ষের বিছানা ও বাথরুম এবং ড্রইং রুমে ছোপ ছোপ রক্ত পড়ে আছে। বাসার অন্যান্য কক্ষগুলোও অগোছালো এবং এলোমেলা। দুটি কক্ষের একটিতে নেশা পানের উপকরণ দেখা যায়।

নিহত মারুফের বোন ফরিদা ইয়াসমিন জানান, মারুফ নেশাগ্রস্ত ছিল। তিনি আরো জানান, তার বাবার তিন স্ত্রী। দুইজন মারা গেছেন। একজন বেঁচে আছেন। তারা চার বোন ও তিনভাই ছিল। এক ভাইয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। অন্য একভাই গুম হয়েছে। দুই বোন এবং মারুফ ওই বাসায় থাকতো। মারুফ অন্য পক্ষের সন্তান। অন্য দুই বোন অন্য বাসায় থাকতো। বাকি কক্ষগুলো মেস হিসেবে ভাড়া দেয়া আছে। মারুফ সারাদিন বন্ধু-বান্ধব নিয়ে নেশা করতো। সারাদিন বাসা থেকে বের হতো না। এক মাস আগে মারুফ তার এক বন্ধুকে বাসায় ডেকে নিয়ে মারপিট করে টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ হলেও মিটমাট হয়ে যায়।

ফরিদা আরো জানান, বাসায় থাকলেও মারুফকে গুলি করে হত্যার বিষয়ে জানতেন না। তার চাচী একটি শব্দ পেয়ে গিয়ে দেখেন, মারুফ করিডোরে পড়ে আছে।

চাচী জীবন নাহার জানান, তিনি ওই বাসার পাশেই থাকেন। দুপুরে বেড়াতে এসে একটি শব্দ শুনতে পায়। পরে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় মারুফ করিডোরে পড়ে আছে।

বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক আসলাম আলী জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের বোন ফরিদা ইয়াসমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

মারুফ গুলিতে নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।


আরো সংবাদ




bedava internet