১৭ আগস্ট ২০১৯

তাড়াশে ধর্ষণের চেষ্টা করে লিঙ্গ হারালেন যুবক

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ধর্ষণের চেষ্টা করায় এক গৃহবধূ ধর্ষকের লিঙ্গ কেটে দিয়েছে। গত বুধবার গভীর রাতে উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের নওখাদা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের পাষাণ খাঁনের ছেলে ফজলুর রহমান ফজলু (৩৫) একই গ্রামের এক গৃহবধূর শয়নঘরে কৌশলে ভেতরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ওই গৃহবধূ নিজের সম্ভ্রম রক্ষায় ঘরে রাখা ধারালো অস্ত্র দিয়ে লম্পট ফজলুর লিঙ্গ কেটে দেয়।

পরে ফজলুর আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি আমি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জেনেছি। থানায় অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আরো পড়ুন : শিশুকন্যাকে ধর্ষণ : গণপিটুনি দিয়ে ধর্ষক বাবাকে পুলিশে সোপর্দ
সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫০

সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুঁড়ি পশ্চিমপাড়া এলাকায় বাবা কর্তৃক নিজ শিশুকন্যাকে (১১) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ধর্ষক বাবাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

এদিকে ধর্ষিতা ওই শিশুকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি পশ্চিমপাড়া এলাকায় জাহাঙ্গীরের ভাড়া বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। পরে রাতে পুলিশ খবর পেয়ে ধর্ষিত ওই শিশুটিকে উদ্ধার এবং ধর্ষক বাবাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে রাতেই শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ধর্ষক বাবার নাম মো: হানিফ (৪৫)।

ধর্ষিতা ওই শিশুর মায়ের বরাত দিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ইব্রাহিম পাটোয়ারী জানান, সোমবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যে কোনো এক সময় তার স্বামী হানিফ নিজ শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে। সে সময় শিশুটির মা বাড়ির বাইরে ছিলো। কাজ থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফিরে এলে শিশুটি তার মাকে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে।

এসময় শিশুটির মা বাড়ির মালিক জাহাঙ্গীরকে বিষয়টি অবহিত করে। আস্তে আস্তে পুরো ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে উত্তেজিত জনতা একসময় ধর্ষক বাবা হানিফকে গণপিটুনি দেয়।

সন্ধ্যার পরে বিষয়টি বাড়ির মালিক জাহাঙ্গীর থানা পুলিশকে অবহিত করে। পরে রাত সাড়ে ৯টায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষিত ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং ধর্ষক বাবা হানিফকে আটক করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয় তাদেরকে। নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে হানিফকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর থানায় নিয়ে আসা হয়।

এদিকে রাতে ধর্ষিত ওই শিশুটিকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে শিশুটির একটি অপারেশন হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা যায়।

ধর্ষক বাবা হানিফ ভোলা জেলার পাঙ্গাসায়া গ্রামের মৃত মো: শাহেদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুঁড়ি পশ্চিমপাড়া এলাকায় বাবা কর্তৃক নিজ শিশুকন্যাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ধর্ষক বাবাকে আটক করেছি। এবং ধর্ষিতা ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠিয়েছি চিকিৎসার জন্য। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরো সংবাদ




bedava internet