২৪ জানুয়ারি ২০১৯

পুলিশ কর্মকর্তা ও স্ত্রীর পরকীয়ার নির্মম শিকার হাফিজুর!

প্রতীকি ছবি -

হাফিজুর রহমান হেফজুল (৩৫) হত্যার সাথে একজন পুলিশ কর্মকর্তার ইন্ধন রয়েছে দাবী করেছেন তার পরিবার। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার।

গতকাল শনিবার নিহতের বড় ভাই বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার শংকরপুর গ্রামের হোসেন আলীর পুত্র নূরুজ্জামান  এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী জানান। বগুড়া প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নূরুজ্জামান অভিযোগ করেন, হেফজুল ২০১৮ সালের ২ মে নিখোঁজ হওয়ার দু’দিন পর বাড়ির পাশ থেকে লাশ উদ্ধার হয়। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
এজাহারে হেফজুলের স্ত্রী পারুলকে আসামি করে মামলা করা হলেও পুলিশ তার নাম বাদ দেয়। তদন্ত কর্মকর্তা হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেন নি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, হত্যার পর এলাকায় জানাজানি হয়, নিহতের স্ত্রী পারুলের সাথে একজন পুলিশ কর্মকর্তার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ বিষয়টি তদন্তকর্মকর্তাকে জানালেও তিনি গুরুত্ব দেন নি। এরপর পুলিশ সুপারকে জানালে সাড়ে তিনমাস পর পারুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে জানা যায়, হেফজুল নিখোঁজের দিন তার স্ত্রী ওই পুলিশ কর্মকর্তার সাথে আধা ঘন্টা মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন যার রেকর্ড তদন্ত কর্মকর্তার নিকট রয়েছে। তাই আমাদের বিশ্বাস এই হত্যার সাথে ওই পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত। তাদের মধ্যেকার পরকীয়া সম্পর্ক পাকাপোক্ত করতে হেফজুলকে খুন করা হয়েছে। তাই পারুলকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানায় তারা।

এছাড়া সাক্ষী ও পরিবারের নিরাপত্তা চান তারা। সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পিতা হোসেন আলী উপস্থিত ছিলেন।

 


আরো সংবাদ