১৪ নভেম্বর ২০১৮

বগুড়ায় হঠাৎ বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরদ্ধে মামলা

-

বগুড়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের হঠাৎ করেই ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। এতে গ্রেফতার আতংক সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সরকার বিরোধী আন্দোলন সামনে রেখে পুলিশ হঠাৎ করেই মামলা ও গ্রেফতার অভিযান জোরদার করেছে ।
গত এক সপ্তাহে বগুড়া সদর ও শাজাহানপুর থানা এলাকায় নাশকতা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, বিষ্ফোরক আইনে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে । এতে আসামী করা হয়েছে প্রায় দেড়’শ জনকে। তাদের মধ্যে রয়েছেন জেলা বিএনপি , যুবদল, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, গত শনিবার শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি অফিস থেকে অস্ত্র ও বিষ্ফোরক উদ্ধারের দাবী করে পুলিশ বিএনপির ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এতে প্রধান আসামী করা হয়েছে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল বাশারকে। এ ছাড়া অপর আসামীর মধ্যে হজ পালনের জন্য সৌদে আরবে অবস্থানকারী বিএনপি নেতা খায়রুল বাশার কে ওই মামলায় আসামী করা হয়েছে।
সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীরা শক্ত অবস্থানে থাকে বলে তাদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
একই দিন জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিট থেকে নেতাকমর্রিা আসতে থাকলে বগুড়া শহরের সাতমাথায় তাদের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তবে পুলিশ বাদী হয়ে বিএনপির ৫-৭জনের নামে মামলা করেছে বলে জানা গেছে। এর আগে বগুড়া সদরের গোকুল এলাকায় মহাসড়কে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে বিএনপির দুই নেতা কে গ্রেফতার করে। পুলিশ দাবী করেছে এসময় সেখান থেকে ককটেল , অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলঅ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সদরথানা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল সহ ২০-২৫ জনের বিুরদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া শহরের রহমান নগরে বাড়ী ঘরে বোমা হামলার অভিযোগ এনে পৌর আ’লীগের ১১নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারন সম্পাদক হোসেন আলী বাদী হয়ে ২০-২৫ জনের বিুরদ্ধে মামলা করেছেন। এ মামলায় জেলা যুবদল সভাপতি ও পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সিপার আল বখতিয়ারকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। এসব মামলার কারনে রাজপথে সক্রিয় নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রেফতার আতংক বিরাজ করছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম এসব মামলা ও গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, যত মামলা হামলা করা হোক না কেন সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করেই নেতাকমর্রিা ঘরে ফিরবে।


আরো সংবাদ