১৭ নভেম্বর ২০১৮

বগুড়ায় গ্রেফতারকৃত জেএমবি সদস্যদের পরিচয় মিলেছে

রাজশাহীর মতিহারে জুটমিলে ডাকাতি মামলার আসামি তারা
-

গতরাত দেড়টায় বগুড়ার শেরপুর থানার মির্জাপুর-রানীরহাটগামী পাকা রাস্তার মোড়ে অপেক্ষমান থাকাবস্থায় পুলিশ সদর দফতরের ইনটেলিজেন্স শাখা ও বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতারকৃত ৫ জেএমবি সদস্যের পরিচয় পাওয়া গেছে।

তারা হলেন- পুরাতন জেএমবির রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ইছাবার প্রধান জামালপুর জেলা সদরের বড়ইকুড়া গ্রামের মৃত লোকমান আলীর পুত্র শহিদুল্লাহ ওরফে মাসুম ওরফে গোপাল ওরফে ইয়ামিন ওরফে নাদিদ (৪৬) রাজশাহী বিভাগের ইছাবা প্রধান (সামরিক) রাজশাহী জেলার বেলপুকুর থানার ক্ষুদ্র জামিরা গ্রামের আকবর আলীর পুত্র বুলবুল ওরফে সোহাগ (৩২), ইছাবা সদস্য (সামরিক) রাজশাহী জেলার বেলপুকুর থানার ক্ষুদ্র জামিরা গ্রামের একরামুল হকের পুত্র মাসুদ রানা (৩১) রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার উৎপল হাজরার পুত্র ইছাবা (সামরিক) সদস্য নওমুসলিম আতিকুর রহমান ওরফে সৈকত ওরফে সামিত (৩৩) এবং ইছাবা (সামরিক) সদস্য রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার আশকোর পুর গ্রামের মৃত আবু তালেবের পুত্র মিজানুর রহমান ওরফে দর্জি মিজান (৩৫)।

আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়া তার অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত পরশু গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার মাওনায় জেএমবির এক সভায় উত্তরবঙ্গে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে জেএমবির পক্ষ থেকে অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করা হয়। তিনি আরো বলেন, এদের মধ্যে জেএমবি সদস্য বুলবুল, মাসুদ, আকিুর ও মিজানের বিুরদ্ধে রাজশাহীর মতিহার থানার ডাকাতি মামলা রয়েছে। ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর মতিহার থানার রহমান জুট মিলে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা লুট মামলার আসামিরা তারা।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে, দুটি বিদেশী পিস্তুল, দুটি ম্যাগাজিন, ১০ রাউন্ড গুলি, তিনটি বার্মিজ চাকু, একজোড়া হ্যান্ডকাপ।

পুলিশ সুপার বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তারা নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই তাদের রিমান্ডে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, আব্দুল জলিল মন্ডল, সনাত চক্রবতি, ডিবির ওসি নূর এ আলম সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় শেরপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন শেরপুর থনার ওসি হুমায়ুন কবির।


আরো সংবাদ