esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

স্ম র ণ : ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান

-

জন্ম, ধানুয়াগ্রাম, শিবপুর, নরসিংদী, ১০.৬.১৯৪২ সালে। শিবপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৬৩-তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে অনার্স নিয়ে বি.এ এবং ১৯৬৭-তে এমএ পাস করেন। ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে কিছু দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানার আসমাতুন্নেসা হাইস্কুলে শিক্ষকতা। তিনি ছিলেন কৃষক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং মওলানা ভাসানীর রাজনীতির অনুসারী। ঢাকা শহর (অবিভক্ত) ছাত্র ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক এবং তৎকালীন ঢাকা হলের (শহীদুল্লাহ হল) ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করার পর মওলানা ভাসানীর নির্দেশে কৃষক সমিতি সংগঠিত করার জন্য শিবপুরে ফিরে যান। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে শিবপুর, মনোহরদী, রায়পুরা, নরসিংদী অঞ্চলে সংগঠন গড়ে তোলেন। ১৯৬৮-এর ২৯ ডিসেম্বর সরকারি জুলুমের প্রতিবাদে মওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তানের হাটবাজারে হরতাল আহ্বান করলে শিবপুর ও সংলগ্ন অঞ্চলে হরতাল পালনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সে দিন হাতিরদিয়া হাটে তার নেতৃত্বে হরতাল হয়। এতে পুলিশের বাধা ও গুলির মুখে তিনজন কৃষক কর্মী নিহত হন। আসাদ নিজে আহত অবস্থায় সাইকেলে ঢাকা আসার পথে ঘোড়াশালের কাছে রাতের অন্ধকারে রাস্তার ধারে জঙ্গলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকেন। অনেক পরে তারই এক কৃষক কর্মীর সহযোগিতায় ঢাকা আসেন হাতিরদিয়া ঘটনার খবর পত্রিকায় দেয়ার জন্য। এ দিকে আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের মূলোচ্ছেদ করার সংকল্প নিয়ে ১৯৬৯-এর জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য তৎপর হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। ২০ জানুয়ারি সংগ্রাম পরিষদ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ এবং পুলিশ, ই পি আর বাহিনীর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসকে উপেক্ষা করে সভাশেষে মিছিল বের করে। এ মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে আসাদ শহীদ হন। হ

 


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat