film izle
esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

অ ভি ম ত : মেয়র পদে মনোনয়ন ও কিছু কথা

-

ঢাকা সিটি করপোরেশনদ্বয়ের আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে পুরান ঢাকার পুরনো প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নতুন ঢাকার নতুন প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মরহুম শেখ ফজলুল হক মনির ছোট ছেলে, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসকে ‘সম্ভাবনাময়’ প্রার্থীরূপে মনোনয়ন দান করা হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ মেয়র। তার কার্যকালের মেয়াদ ২০০৭ সালের মে মাসে শেষ হলেও আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ২০১২ সালে সিটি করপোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণ ভাগে ভাগ করে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে মেয়র খোকাকে ‘বেআইনিভাবে’ পদচ্যুত করেছিল। ‘পুরান ঢাকাবাসীর স্বাতন্ত্র্য যাতে নতুন বসতি স্থাপনকারীদের মধ্যে বিলীন’ হয়ে না যায় সেই লক্ষ্যেই সিটি করপোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে পুরান ঢাকাবাসী ঢাকার নবাব বংশের খাজা খয়ের উদ্দীনকে ভোট না দিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ও বাংলাদেশের মহান স্থপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিপুল ভোটে জয়ী করার সুফল হচ্ছে আমাদের মহান স্বাধীনতা। ৯০’র দশকে এসে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সে চিত্র পাল্টে গিয়েছিল। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি শাহাবুদ্দীন সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-৭ সূত্রাপুর-কোতোয়ালি ও ঢাকা-১০ রমনা-তেজগাঁও আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন। ঢাকা-৭ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাদেক হোসেন খোকা ও ঢাকা-১০ আসনে মেজর (অব:) আব্দুল মান্নান (বর্তমানে আওয়ামী মহাজোটভুক্ত বিকল্পধারার এমপি) বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন। ঢাকা শহরের আটটি আসনের বাকি ছয়টিতেও বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হন। বেগম খালেদা জিয়া জয়ী হয়েছিলেন ক্যান্টনমেন্ট-গুলশান আসন থেকে। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে একমাত্র খোকার আসন ছাড়া বাকি সাতটি আসনেই আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছিল। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আবার আটটি আসনেই জয়ী হয়। বেগম জিয়া ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর আসন থেকে জয়ী হলেন। অবৈধ ফখরুদ্দীন-মইনউদ্দীন সরকারের নিয়োগকৃত নির্বাচন কমিশন সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের নামে ঢাকা জেলার, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও ঝালকাঠিসহ ১০টি জেলার ১০টি আসন বিলুপ্ত করে এবং ঢাকা শহরকে সাতটি, চট্টগ্রামকে দুটি ও গাজীপুরকে একটি আসন বেশি ‘উপহার’ দেয়ায় ঢাকার আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোট সেই ১৫টি আসন অধিকার করেছে। সরকারের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করায় ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ, জাপা ও ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থীরা হ্যাটট্রিক বিজয় অর্জন করে রেকর্ড সরকারের স্থাপন করেছেন। আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন ও ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হয়েছে।
কোনো দল ১৯৯৩ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন দাবি না করা সত্ত্বেও জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচনের আইন পাস করে তৎকালীন বিএনপি সরকার ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা (তখন চারটি সিটি করপোরেশন ছিল) সিটি করপোরেশনের নির্বাচন দিয়েছিল ১৯৯৪ সালের ৩০ জানুয়ারি। ওই নির্বাচনে ঢাকা ও চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ হানিফ ও মহিউদ্দীন চৌধুরী এবং রাজশাহী ও খুলনায় বিএনপি সমর্থিত মিজানুর রহমান মিনু ও শেখ তৈয়বুর রহমান জয়ী হয়েছিলেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন যদি মোটামুটি ১৯৯৪ সালের মতো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় তাহলে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদ্বয়ের জয় অসম্ভব হবে বলে ঢাকাবাসী মনে করছে। প্রদেশবিহীন বাংলাদেশ বলে জনগণ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউপিতে বিরোধী দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচিত করে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে আসছিল। যত দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান ছিল তত দিনের ফলাফল সেটাই প্রমাণ করে। ২০১১ সালের পৌর ও ইউপি নির্বাচনে ঢাকা জেলার সাভার ও ধামরাই উপজেলায় একটি ইউপি বাদে সবগুলোতে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপি প্রার্থী। ২০১৩ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও গাজীপুরে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৫ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন কেমন হয়েছে ভোটাররা তা টিভির রুপালি পর্দায় দেখেছেন। তাই ‘অসম্ভব’কে ‘সম্ভব’ করার লক্ষে হঠাৎ নতুন প্রার্থীকে মনোনয়ন দান করা হয়েছে বলে পুরান ঢাকাবাসী মনে করছে। বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকন যদি ২০১৫ সালে প্রকৃত নির্বাচনে নির্বাচিত হতেন তাহলে তিনি নারায়ণগঞ্জের মেয়রের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়ে পুরান ঢাকার ঐতিহ্য ও প্রথা সমুন্নত রাখতে পারতেন।হ

 


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat