১৪ অক্টোবর ২০১৯

আমলাতন্ত্রের একাল ও সেকাল

সময়-অসময়
-

গত ১২ আগস্ট হজ পালন উপলক্ষে পবিত্র মক্কা নগরীতে থাকাকালে ড. মীজানুর রহমান শেলীর মৃত্যুসংবাদ পাই। সে দিন বাংলাদেশে ঈদুল আজহার দিন (কোরবানির ঈদ) ছিল। বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদফতরের পরিচালক থাকা অবস্থায় ১৯৭৭ সালের দিকে ড. শেলীর সাথে পরিচয়, পরে ঘনিষ্ঠতা।
স্বাধীনতার আগে ১৯৬৮ সালে সমাজকল্যাণ প্রভাতী সংসদের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জে প্রথম নৈশবিদ্যালয় চালু হয়েছিল, যাতে বয়স্করা ছাড়াও কর্মজীবী শিশু-কিশোরদের অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা দেয়া হতো। স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পরে সমাজসেবকদের ও যুবসমাজের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অনুরূপ স্কুল গড়ে ওঠে, যার জন্য তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা থেকে মাসিক ১০০ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হতো। স্বাধীনতার পর শহর বা শহরতলীতে স্থানীয় উদ্যোগে ১৯টি স্কুল চালু হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে স্কুলগুলোর প্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পৌর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত হয় ‘কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থা’। সংস্থার মূল তহবিল সরকারের অনুমোদনে পৌরসভা প্রদান করত। স্বাধীনতার পর নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম প্রশাসককে পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান (পৌর চেয়ারম্যান/প্রশাসক পদাধিকার বলে সভাপতি) ও আমাকে অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়েছিল। ওই কমিটির অবৈতনিক সেক্রেটারি হিসেবে নিরক্ষরতা দূরীকরণ কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য ১৯৭৭ সালে সমাজসেবা অধিদফতরের তৎকালীন পরিচালক ড. মীজানুর রহমান শেলীর সাথে পরিচয়। কার্যক্রমের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতায় তার কর্মতৎপরতা সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়। আমরা সাধারণত ইংরেজি তারিখ ব্যবহার করে ‘তারিখ’ লেখার পর ‘ইং’ লিখি বা বাংলা তারিখ লিখে ‘বাংলা’ বা ‘বাং’ লিখি। কিন্তু এর পরিবর্তে ড. শেলী ইংরেজি তারিখের পরে লিখতেন ‘খ্রিষ্টাব্দ’ বা ‘খ্রি:’। এ ধরনের অনেক ব্যতিক্রমী বিষয় তার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে পাওয়া যেত। আমাদের আমন্ত্রণে তিনি সমাজসেবা অধিদফতরের পরিচালক হিসেবে দুইবার নারায়ণগঞ্জে আসেন। ১৯৭৭-৭৮ সালে একবার এসেছিলেন নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থা পরিচালিত নৈশবিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনের জন্য। অন্যবার শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত গোগনগর সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত নৈশবিদ্যালয় উদ্বোধন করার জন্য এসেছিলেন। ত্রুটি ধরা পড়লে বা ঘুষ না পেলে অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ব্যাপারে ‘আমলাতন্ত্র’ সম্পর্কে গণমানুষের একই ধারণা, যদিও ব্যতিক্রম যা আছে তা হাতেগোনার মতো নয়। দিনে দিনে প্রেক্ষাপট এমনভাবে সৃষ্টি হয়েছে যে, জনগণের অর্থে চালিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সরকারি চেয়ারে বসা জনগণের বেতনভুক কর্মচারীদের জনগণ তাদের সেবক মনে করার অবকাশ সৃষ্টি হয়নি। বরং প্রেক্ষাপট এমনিভাবে সৃষ্টি হয়েছে, যাতে জনগণকে মনে করতে হয় যে, ওই কর্মকর্তা বা কর্মচারীর হাতেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি। এটা এক দিনে সৃষ্টি হয়নি, বরং দিনে দিনে এ অবস্থান সৃষ্টি হয়ে এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর পেছনে রয়েছে সরকারের মদদ। কারণ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তথা রাজনৈতিক দলগুলো মেধাশক্তিসম্পন্ন কর্মী বাহিনী দ্বারা গড়ে না ওঠার কারণে বর্তমান আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিনে দিনে এতই নির্মম হয়ে উঠেছে যে, কোনো আমলা থেকে আদর্শভিত্তিক কোনো বিষয় আশা করা তো দূরের কথা, ন্যূনতম নৈতিকতার পরিচয় পাওয়া পর্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের নিকট আমলারা ‘সাহেব’ বা ‘স্যার’ সম্বোধন তথা প্রভুসুলভ আচরণ প্রত্যাশা করে। কোনো কারণেই তারা মনে করেন না যে, তারা জনগণের বেতনভুক্ত কর্মচারী। কোনো কাজে মানুষকে দিনের পর দিন হয়রানি করা, ন্যায্য অধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রে অহেতুক ঝামেলা সৃষ্টি করা প্রভৃতি যেন তাদের স্বভাব। রাজনৈতিক দলে টাকার মূল্যায়ন করা হয় অথবা রাজনৈতিক অঙ্গনে মেধার মূল্য নেই বলে দল ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতাসীন দল আমলানির্ভর হয়ে পড়ে। ফলে জনগণের বিড়ম্বনা সৃষ্টি হয়।
একজন লেখক, সাহিত্যিক, অনলবর্ষী বক্তা, সংগঠক, শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মতো সম্মানজনক পদ ছেড়ে কেন সরকারি আমলার চাকরি বেছে নিলেন এবং কেনই বা সমাজসেবা অধিদফতরের পরিচালকের পদে চাকরি করতে ড. শেলী উৎসাহিত হয়েছিলেন? আমলাতন্ত্রের মধ্যে অনেক বিভাগ আছে যেখানে ক্ষমতার দাপট দেখানো যায়। কিন্তু জনগণকে সমাজসেবায় উৎসাহিত বা কমিউনিটি থেকে স্বেচ্ছাসেবী সমাজসেবক সৃষ্টি করাই সমাজসেবা অধিদফতরের মূল উদ্দেশ্য। একজন স্বেচ্ছাসেবী সমাজকর্মী যে ‘নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ায়’, তাদের সমাজকর্মে উৎসাহিত করা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডকে মূল্যায়িত ও প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জনগণের অর্থে একটি সরকারি বিভাগ লালিত-পালিত হয়ে থাকে, যার নাম ‘সমাজসেবা অধিদফতর’। তবে, দলমত নির্বিশেষে সমাজসেবক সৃষ্টি করাসহ সমাজকল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখা যাদের দায়িত্ব, তারাই এখন দলবাজিতে প্রচণ্ড ব্যস্ত। সমাজ থেকে স্বেচ্ছাসেবী সমাজসেবক তৈরি করার মহৎ প্রবণতা ড. মীজানুর রহমানের মধ্যে লক্ষ করেছি। ভালো কোনো কর্মে যে এগিয়ে আসে, তাকে উৎসাহিত করা ও এগিয়ে দেয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য। প্রমোশন, লোভনীয় পদে বদলিসহ সব কিছুই হচ্ছে এখন দলীয় ভিত্তিতে। বর্তমানে সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালকের সরকারি চাকরির বয়সসীমা অতিক্রম করে গেলেও শুধু দলীয় আনুগত্যের কারণে তাকেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিভিত্তিক মহাপরিচালকের পদে অধিষ্ঠিত রাখা হয়েছে। ফলে কার্যত বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান থেকে ভিন্নমতের সমাজকর্মীদের বাদ দেয়া বা সরিয়ে দেয়ার জন্যই তাকে তৎপর থাকতে দেখা যাচ্ছে। সরকারের কিছু দফতর বা বিভাগ থাকা দরকার, যেখানে রাজনৈতিক মতাদর্শকে প্রাধান্য না দিয়ে দেশ ও জাতির সেবা করার জন্য দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে উৎসাহী, এমন আমলাদের দায়িত্ব দেয়া বাঞ্ছনীয়।
সরকারের কিছু বিভাগ রয়েছে, যেগুলোকে পকেটস্থ না করলে সরকার চলতে পারে না বলে কার্যত সরকার মনে করে। সমাজসেবা অধিদফতর বা স্বাস্থ্য অধিদফতর এর আওতায় আসে বলে মনে করি না। যেমন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা বিচার বিভাগ বা প্রশাসনিক বিভাগ সরকারের পকেটস্থ থাকতেই হবে বলে সরকার মনে করে, নতুবা সরকারের সব অবৈধ কাজের বা শাসক দলের অন্যায় অবিচারকে বৈধতা দেয়ার জন্য ‘ছা-পোষা’ লোকদের দরকার। এ জন্য উল্লিখিত পদে নিরপেক্ষ লোককে দায়িত্ব দিলে ‘বুমেরাং’ হতে পারে বলে ক্ষমতাসীনরা মনে করেন। তবে চাটুকারদের প্রশ্রয় দিয়ে তাদের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করতে গিয়ে ওদের ওপর সরকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে। ফলে দেখা যায়, একজন যুগ্মসচিবের জন্য ৩ ঘণ্টা ফেরি আটকে রাখার কারণে চিকিৎসার অভাবে যাত্রীর অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই মৃত্যু হয়, অথচ তদন্ত প্রতিবেদনে ক্ষমতাবানেরা দোষী সাব্যস্ত হন না। কারণ, যারা তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেন, তারাও আমলা। এমনও দেখা যাচ্ছে, সরকারি দফতরের পাশেই (জামালপুরের জেলা প্রশাসক) নিজের বেডরুম তৈরি করেছেন, এ তদন্ত প্রতিবেদন হয়তো প্রকাশ পাবে না। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর থেকে জনগণের আস্থা উঠে যাওয়ার জন্য যা যা করা দরকার সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে আমলারা তাই করছেন। এই আশ্রয়-প্রশ্রয়ের মূল কারণ রাত্রিকালীন ভোট করার জন্য এ ধরনের আমলাদেরই দরকার। দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে থানায় তখন পুলিশের স্বাক্ষরও পুলিশ জাল করে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এজাহার দায়ের করছে। সরকারদলীয় একজন এমপি বলেছেন, ‘পুলিশ এখন আওয়ামী লীগ করে’। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত ওই মামলায়, বর্তমানে গোপালগঞ্জে কর্মরত একজন সাব-ইন্সপেক্টরকে কথিত বাদি করা হয়েছে। তিনি সাংবাদিকের সাথে টেলিফোনে বলেছেন, ‘ভাই আকাম করছে তারা, গোসল করে আমারে নিয়া। এ ঘটনার পর আমার ক্ষতির আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে নিজেই বদলি হয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছি। আমাকে মেরেও ফেলতে পারে, ইয়াবা দিয়েও মামলা দিতে পারে।’ তিনি দাবি করেন, তার ভুয়া স্বাক্ষর দিয়েই মামলাটি করা হয়েছে (সূত্র : জাতীয় পত্রিকা, ১০.৯.২০১৯)। ওই সাব-ইন্সপেক্টরের বক্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে, ইয়াবা হাতে ধরিয়ে দিয়েও পুলিশ মিথ্যা মামলা দেয় এবং এটা পুলিশের একটি ‘উপসংস্কৃতি’ বটে। বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার জন্য সরকার আমলাদের অর্থাৎ সরকারি কর্মচারীদের ওপর যেভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, তার লাগাম টেনে ধরা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে, যদি না সুস্থ মানসিকতাসম্পন্ন প্রশাসনিক ব্যবস্থার উত্থান ঘটে। আমলা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তথা সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা আইন শুধু লঙ্ঘিত নয়, বরং লাঞ্ছিত হয়েছে মানুষের অধিকার। কারাবরণ করতে হয়েছে অনেক নির্দোষ মানুষকে, এতে প্রাথমিকভাবে লাভবান হয়েছেন সংশ্লিষ্ট আমলা নিজে, দ্বিতীয়ত লাভবান হয়েছে সরকার স্বয়ং, তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশ ও জাতি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত উপরিউক্ত ভুয়া মামলায় ৭৫ জন নামীয় এবং ৪০০ জন অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে সরকারি দলের নেতাকর্মী থাকায় জনগণ জানতে পারল, বাংলাদেশের পুলিশ গায়েবি, জাল ও বানোয়াট মামলা সৃজনে কতটুকু বেপরোয়া হতে পারে এবং এ কাজে তারা কত পটীয়সী। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমলাদের কূটকৌশলে, বিনা ভোটে সরকার গঠন হওয়ার কারণেই সরকার আমলাদের লাগাম টানতে ব্যর্থ হচ্ছে। আমলাদের দিয়ে সরকার রাজনীতি করাচ্ছে বলেই তারা এখন অপ্রতিরোধ্য।
পুলিশ তথা সরকারি কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য এত বেড়েছে যে, আগে ভিন্নপন্থীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দিত, এখন পুলিশ পুলিশেরই স্বাক্ষর জাল করে খুনের মামলা দেয় (সূত্র : জাতীয় পত্রিকা, ১০.৯.২০১৯)। তবে বিষয়টি ‘বুমেরাং’ হয়েছে এ কারণে যে, ‘পড়বি তো পড় মালীর ঘাড়ে’। জাল স্বাক্ষরে রুজুকৃত মামলাটির বেশির ভাগ আসামিই সরকারি দলের নেতাকর্মী। আসামিরা যদি সে দলের নেতাকর্মী না হয়ে ভিন্নমতের লোক হতো, তবে এই জাল এজাহারে ‘কত ধানে কত চাল’, তা ভুক্তভোগীদের উপলব্ধি করতে হতো। বিচার বিভাগও এদের সাজা দিয়ে আত্মতৃপ্তি লাভ করত। পত্রিকায় আসত বাহবা। এমনি আমাদের সমাজব্যবস্থা। দেখার বিষয়, সরকারি দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এজাহার জালিয়াতি সম্পর্কে সরকার কোন পদক্ষেপ বা ব্যবস্থা গ্রহণ করে?
আমলাতন্ত্রের আমূল পরিবর্তন, জনগণকে সহযোগিতার পরিবর্তে ক্ষমতাসীন দলের তোষণ প্রক্রিয়া এখন নগ্নরূপ ধারণ করেছে। ‘কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থা’র অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ড. মীজানুর রহমান শেলীর আমলে সমাজসেবা অধিদফতর থেকে সহযোগিতা পাওয়া যেত। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থার নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে ওই অধিদফতরের কাছ থেকে তা পাওয়া যায় না, বরং পদে পদে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়; যার প্রতিকারের জন্য আদালতের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। ভিন্নমতের রাজনীতিতে যারা জড়িত, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সাথে এমন আচরণ করে থাকেন, যাতে মনে হতে পারে, সরকারি দলের যেকোনো নেতাকর্মীর চেয়ে তারা যেন বেশি সরকারদলীয় নেতাকর্মী। প্রবাদ রয়েছেÑ পোপের চেয়ে বেশি ক্যাথলিক (!)। হ
লেখক : প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থা ও সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থা ও সহসভাপতি, জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি
[email protected]

 


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum