২৭ জুন ২০১৯

নীলনদ মিসরের পিপাসা মিটাবে কি?

-

ইতিহাসবিদ হেরোডোটাস বলেছিলেন, ‘মিসর নীলনদের দান।’ ফেরাউন বংশের শাসকেরা নীলনদ ও পানিকে পবিত্র এবং জীবন্ত মনে করতেন। নিউজিল্যান্ড নর্থ আইল্যান্ডের হোয়ানগানুই নদীটিও ‘জীবন্ত’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ফলে নদীটি মানুষের মতো সব রকম আইনি অধিকার পাচ্ছে। এই স্বীকৃতির জন্য ১৬০ বছর ধরে লড়াই চালাচ্ছিল মাওরি উপজাতি। মানুষের সমান অধিকার পাওয়ার পর আদালতের যেকোনো শুনানিতে প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত থাকতে পারবে এই নদী। বিল পাস হওয়ার পর নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টে কান্না ও গানে সেলিব্রেশনে মেতে ওঠেন মাওরি উপজাতির প্রতিনিধিরা। সম্প্রতি ভারতের উত্তরাখণ্ড আদালত গঙ্গা ও যমুনা নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ আখ্যা দিয়ে একজন আইনসম্মত নাগরিকের যা যা মৌলিক অধিকার, তার সবই প্রাপ্য বলে উল্লেখ করেছে এ দুই নদীর ক্ষেত্রে। আদালত ‘পবিত্রতম’ গঙ্গা নদীকে পরিষ্কার রাখার জন্য গঙ্গা অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বোর্ড গঠন করতে বলেছেন। নিউজিল্যান্ডের আদালতও এমনই এক রায় দিয়ে ১৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ হোয়ানগানুই নদীকে জীবন্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। নদ-নদী মানুষের কত উপকারের, এসব বিষয় তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
নীলনদের পানি প্রবাহিত থাকার জন্য মিসরীয়রা ফেরাউনের আমল থেকে পশু ও মানুষকে ভোগ হিসেবে প্রদান করত। মুসলমানেরা মিসর দখল করার পর একবার পানি কমে গেলে হজরত উমর রা: নীলনদকে লক্ষ্য করে পত্র মারফত নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই কাহিনী সবার জানা। মিসরীয়রা নীলনদকে খুব ভালোবাসে। নীলনদ নিয়ে ‘পানি নয়, জীবাণু পান’ করা হচ্ছে এমন রসিকতা করায় শিরিন আবদেল ওয়াহাব নামে আরব বিশ্বের খ্যাতিমান একজন তারকা শিল্পীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর দায়ে কায়রোর একটি আদালত এই দণ্ড দেন।
মিসরের হাজার বছরের সভ্যতায় প্রাণ সঞ্চার করেছে নীলনদ। মিসর সভ্যতা সম্পূর্ণরূপে নীলনদের ওপর নির্ভরশীল। মিসরের সব সভ্যতা নীলনদের তীরে গড়ে উঠেছে। মিসরে বৃষ্টিপাত নেই বললেই চলে। তাই লোকজন কৃষিকাজ ও পানীয়জলের জন্য নীলনদের ওপর ভরসা করে। কখনো নীলনদের পানিতে টান পড়লে মিসর ভয়াবহভাবে পানি সমস্যায় পড়বে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নীলনদে সম্প্রতি ইথিওপিয়া গ্র্যান্ড রেনেসাঁ বাঁধ দেয়ার কারণে মিসরের পানি সমস্যার ব্যাপারে সবাই উদ্বিগ্ন। এই বাঁধ সম্পূর্ণ চালু করে ইথিওপিয়া যখন পানি ধরে রাখবে, তখন ‘আসমানের পানি’ ছাড়া মিসরের উপায় থাকবে না। কিন্তু মিসরে বৃষ্টির পরিমাণ খুবই কম। সারা বছর মিলে দু-এক পশলা বৃষ্টি হয়, যা দিয়ে মাটিও ঠিকভাবে ভেজে না। তখন মিসর কী করবে?
মিসরের জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছর ২.৭ মিলিয়ন করে বাড়ছে, প্রতি দুই বছরে ডেনমার্কের জনসংখ্যার সমান এবং প্রতি চার বছরে সুইডেনের জনসংখ্যার সমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাড়তি জনসংখ্যার চাপ পড়ছে মূলত বাড়িঘরের ওপর এবং খাবার পানি ও চাষের পানির স্বল্পতার ওপর। মিসরের মরু এলাকাগুলোতে, যা বড় বড় শহরের কাছে, সেখানে গড়ে উঠছে বহু ফ্ল্যাট। সামান্য অর্থ দিয়েই এসব ঘরে ওঠা যায়। হাউজিং ব্যবসা এখন খুবই রমরমা। কিন্তু ফ্ল্যাটগুলোতে যত দিন পর্যন্ত পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা না হচ্ছে ততক্ষণ সেগুলো বসবাসের যোগ্য হচ্ছে না। ২০১৭ সালে মিসরে সফরের সময় ব্যাপকভাবে এই হাউজিং প্রকল্পগুলো দেখার সুযোগ হয়েছিল আমার। মাত্র ২৮ লাখ টাকা দিয়ে আপনি এমন বাড়িতে উঠতে পারবেন। বাকি টাকা কিস্তিতে প্রদানের সুযোগ পাবেন। বাড়ির নির্মাণকাজ শেষ করার পরও অনেকেই বসে আছেন, পানির লাইন কবে পাওয়া যাবে তার প্রতীক্ষায়। পানি সরবরাহ করা এত সহজ নয়। নীলনদের পানিকে পাম্প করে এনে ব্যবহারের উপযোগী করে সরবরাহ করতে গলদঘর্ম হতে হচ্ছে পানি সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষকে। তা ছাড়া, পানির দূষণ তো আছেই। ফলে দিন দিন সুপেয় পানি ও স্বচ্ছ পানির সঙ্কটে নিপতিত হচ্ছে মিসরবাসী।
মিসরের কৃষকেরা বেশির ভাগ পুরনো এবং কিছু আধুনিক। উভয় সেচ পদ্ধতির মাধ্যমে চাষাবাদ করে থাকেন। এতে অনেক পানির অপচয় ঘটে। কৃষকদের দরকার আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি। সব কৃষকের জন্য তার ব্যবস্থা করা সহজ নয়, এটা অনেক সময়েরও ব্যাপার। কিন্তু পানির অভাব বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন সেচ পদ্ধতির আমূল পরিবর্তনের জন্য। পানির যথেচ্ছ ব্যবহারও পানি সঙ্কটের একটি কারণ। সচেতনতা বাড়াতে সরকারিভাবে জোর প্রচারণার কথাও বলছেন কর্মকর্তারা। এখন পাহাড় সমান সমস্যার সৃষ্টি করেছে আরেকটি আফ্রিকান ইথিওপিয়ার গ্র্যান্ড রেনেসাঁ বাঁধ।
মিসরের অনেক রাজনীতিবিদ বলেছেন, প্রয়োজনে তারা নীলনদের পানির জন্য যুদ্ধ করবেন। মিসরের সেনাবাহিনী ওই অঞ্চলে অনেক শক্তিশালী। তা সত্ত্বেও যুদ্ধের আরো অনেক উপাদান, যেমন মিসরের ভূরাজনীতি, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সরকার পতন, ব্রাদারহুডের উত্থান, আঞ্চলিক ভারসাম্য বিনষ্ট হওয়া, মুদ্রাস্ফীতি, আরব জোট, আফ্রিকান জোটÑ এসব মিলে যে অবস্থার সৃষ্টি হবে তা মিসরের পক্ষে সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
পার্শ্ববর্তী দেশ সুদানও বাঁধ দিয়ে পানির আধার বৃদ্ধি করছে। ইথিওপিয়া গ্র্যান্ড বাঁধ শেষ করার পর বিদ্যুতের জন্য আরো একটি বাঁধ দেবেÑ এ সবই হবে নীলনদের ওপর। এর অর্থ হলো, দিন দিন নীলনদের পানির হিস্যা কমে যাওয়া এবং এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় মিসরের আসওয়ান বাঁধ কাক্সিক্ষত মাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না।
পানি সঙ্কটের কারণে মিসরে গ্রামীণ চাষের ক্ষতি হচ্ছে। সেচের পানি সমস্যার জন্য কয়েক বছর ধরে গমের ভালো ফলন হয়নি। রুটির জন্য লোকজন আলেকজান্দ্রিয়া, গিজা ও অন্যান্য শহরে রাস্তায় মিছিল পর্যন্ত করেছে। সরকারি কার্ড দেখানো সত্ত্বেও বেকারিগুলো পরিমাণমাফিক রুটি দিচ্ছে না। কায়রোর শহরতলী মিনিয়া, দেশৌক ও ইমবাবাতেও লোকজন রুটির জন্য মিছিল করেছে। পুলিশের সাথে তাদের হাতাহাতি হয়েছে। আলেকজান্দ্রিয়ার কাফর আল শেখ অঞ্চলে ভুক্তভোগীরা রেললাইন উপড়ে ফেলেছে। ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে মিসরের মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৩১.৭ শতাংশ। গত ৩০ বছরে এটাই সর্বোচ্চ। সৌভাগ্যের বিষয়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তা ১৫.৬ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক সফরের সুযোগ হয়েছিল আমার। দেখেছি, মিসরে খালি জায়গাজমির অভাব নেই। সেখানে পোলট্রি, গরুর খামার, উট, ছাগলের বিরাট বিরাট বহু খামার তৈরি হতে দেখেছি। এগুলো উৎপাদনে যেতে আরো অনেক সময় দরকার। পাঁচ বছরের মধ্যে অবস্থা অনুকূল হলে মিসরীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হবে বলে আমার বিশ্বাস। সেখানে উদ্যোক্তাদের মরিয়া হয়ে কাজ করতে দেখেছি। এসব খামার কায়রো থেকে বহু দূরে, তবে যাতায়াত ব্যবস্থা বেশ উন্নত। গত রমজানের সময় চিনির সঙ্কটও প্রকট আকার ধারণ করেছিল সে দেশে। জ্বালানিতে যে ভর্তুকি দেয়া হয়েছিল তা বাতিল করা হয়েছে এবং রান্নাবান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম দ্বিগুণ বাড়ানো হয়েছে। বিশ্ববাজার থেকে সরকার প্রচুর গম আমদানি করছে। মিসরে চাষবাসের উন্নয়নের জন্য প্রচুর পানি দরকার এবং কৃষকেরা যাতে স্বল্পখরচে প্রয়োজনীয় পানি সেচের মাধ্যমে জমিতে নিতে পারে, তা করা জরুরি। কিন্তু মাটির ওপরে কয়েকটি বাঁধ নির্মাণের ফলে পানির স্তর দ্রুত নিচে নামছে; তা ছাড়া পানি দূষিত হচ্ছে। এ দু’টি সমস্যার সমাধান করা না গেলে মিসরের মানুষের প্রধান খাবার রুটির আকাল সহজে মিটবে না। দৃশ্যত, মিসরের মানুষকে শৌখিন মনে হয়েছে। তারা বিভিন্ন নামীদামি ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করতে ভালোবাসে। দুনিয়ার বড় ব্র্যান্ডগুলোর সাপ্লাই চেন রয়েছে সেখানে। অবশ্য চড়া দামে সামগ্রী কিনতে হয়। এসব জিনিসের দাম আমাদের দেশের তুলনায় বেশি।
নীলনদে ইথিওপিয়ার বাঁধ নির্মাণে অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা দিচ্ছে আফ্রিকান ও আরব রাষ্ট্রগুলো, ইউরোপীয় দেশগুলো, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। সবাই বাঁধ নির্মাণের পক্ষে থাকায় ইথিওপিয়ার সাথে আলোচনার টেবিলে মিসর বিশেষ কোনো সুবিধা করতে পারছে না। ২০১৬ সালে ইথিওপিয়ায় প্রচণ্ড খরা দেখা দিলে ৬ মিলিয়ন শিশু অনাহারের শিকার হয়। এমন ভয়াবহ অবস্থা গত ৫০ বছরে দেখা যায়নি। খরাকবলিত বিশাল এলাকায় প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষের বসবাস, যার এক-তৃতীয়াংশকে জরুরি খাদ্য সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। ২০১৪ থেকে পর পর তিন বছর খরার কারণে মানুষ পানি, খাদ্য ও দুধের অভাবে পড়ে। পুষ্টিহীনতা ও পানিবাহিত রোগে ছেয়ে যায় পুরো এলাকা। সিরিয়া ও ইয়েমেনের পরই ইথিওপিয়ার এদিক দিয়ে অবস্থান। তবে এর প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সিরিয়া ও ইয়েমেনে সর্বগ্রাসী যুদ্ধের কারণে নেমে আসা দুর্ভোগ। আর ইথিওপিয়ায় মূলত পানির অভাবের কারণে সামগ্রিক দুর্ভোগ।
উজান থেকে ভাটিতে, আফ্রিকার ১০টি দেশের ওপর দিয়ে নীলনদ প্রবাহিত। এ নদের পানি সংগ্রহ ও ভাগাভাগি নিয়ে ১৯২৯ সালে একটি চুক্তি করা হয়েছিল। এই চুক্তি ‘একপেশে’ বলে অন্যান্য দেশ মিসরকে দোষারোপ করে। কেননা এই চুক্তিতে শুধু মিসর ও সুদানের ভেটো ক্ষমতার অধিকার ছিল এবং এ দুই দেশই অধিকারী ছিল নীলনদের পানির ৯০ শতাংশ ভোগ করার। বিদেশী সমর্থনপুষ্ট ইথিওপিয়া এখন বলছে, সম্ভাব্য কোনো ‘নীলনদ যুদ্ধে’ মিসর সুবিধা করতে পারবে না। ২০১০ সালের মে মাসে ইথিওপিয়া, উগান্ডা, তানজানিয়া, রুয়ান্ডা ও কেনিয়া পানি ভাগের আরেকটি চুক্তি করে, যা মিসরকে ক্ষুব্ধ করেছে। সুদান সব সময় মিসরের পক্ষে থেকেছে আর কঙ্গো ও বুরুন্ডি চুক্তিতে সই করেনি। মিসরের লেক নাসেরের পানি অবারিতভাবে সুদান ভোগ করতে পারে। তাই পানি বিরোধে সুদান মিসরের পক্ষেই থাকে।
২০১৫ সালের মার্চ মাসে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি, সুদানের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ওমর আল বসির এবং ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী খার্তুম ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। ঘোষণাপত্রে নীলনদে তিন রাষ্ট্রের স্বার্থ যাতে অক্ষুণœ থাকে, সে বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। তবে এ চুক্তিতে মিসরের কোনো উপকার হয়নি।
মিসরের সামনে রয়েছে সমূহ বিপদ, কিন্তু তা থেকে উত্তরণের কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না। জরুরি ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পানি সমস্যা সমাধানের দিকনির্দেশনা নিতে হবে। কায়রোর পক্ষে কোনো ঝুঁকি নেয়া সম্ভব নয়।
নীলনদের পানি আগের মতো স্বচ্ছ নেই। বিশেষ করে খরার সময় অতিরিক্ত ব্যবহার ও বর্জ্যরে কারণে পানি দূষিত হচ্ছে। পানি পান করে গ্রামাঞ্চলের মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। ক্ষেতখামারে পানির অভাব হচ্ছে। মিসরীয় থিংকট্যাংক জেসমিন আলী বলছেন পানির বিকল্প ব্যবস্থা করতে; যেমন রিসাইক্লিং করা, চাষের পানির বিকল্প উৎস বের করা, প্রয়োজনে ভাটিতে মিসর আরো একটি বাঁধ নির্মাণ করে পানি ধরে রেখে ব্যবহার করা; শুধু খাওয়ার পানির জন্য পরিষ্কার ও স্বচ্ছ আসওয়ান বাঁধের পানি পাইপলাইন দিয়ে শারম আল শেখ ও কায়রো নিয়ে আসা এবং অপব্যবহার ও অতিরিক্ত ব্যবহার রোধ করা।
অনেক আলাপ-আলোচনার পরও নীলনদ নিয়ে ইথিওপিয়া ও মিসরের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। মিসর, সুদান ও ইথিওপিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মিলিতভাবে এক মাসের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিন দেশ কোনো ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি। এদিকে ইথিওপিয়ায় গ্র্যান্ড রেনেসাঁ বাঁধের কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এ বাঁধ চালু হলে মিসর যদি পানি না পায়, তবে কি কোনো যুদ্ধ বাধবে? বাঁধের প্রধান প্রকৌশলীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ জন্য ইথিওপিয়া রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালন করেছে। ইথিওপিয়া বলেছে, যদি যুদ্ধ শুরু করা হয়, তবে তারা প্রথমেই আসওয়ান বাঁধে বোমা ফেলবে। হ
লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ সরকার ও গ্রন্থকার


আরো সংবাদ