২২ আগস্ট ২০১৯

স্মরণ : প্রফেসর কে টি হোসাইন

-

প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, লেখক ও শিক্ষাব্রতী প্রফেসর খন্দকার তাফাজ্জল হোসাইন। জন্ম ১৯৩১ সালে টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার ঘাটান্দী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। ভূঞাপুর হাইস্কুল থেকে ১৯৪৬ সালে সে এলাকার মেট্রিকে প্রথম ফার্স্ট ডিভিশন পাওয়া ছাত্র। ১৯৪৮ সালে করটিয়া সা’দৎ কলেজ থেকে সপ্তম স্থান অধিকার করে প্রথম বিভাগে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে বিএ অনার্স এবং ১৯৫২ সালে এমএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েও শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ১৯৬২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক ইউনিভার্সিটি থেকে ডেমোগ্রাফি বিষয়ে সমগ্র পাকিস্তানে সর্বপ্রথম পিএইচডি লাভ করেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে লেকচারার পদে যোগ দেন। ১৯৭৪ সালে হন প্রফেসর। অবসর নেয়ার পরও কর্তৃপক্ষ তিনবার তাকে এক্সটেনশন প্রদান করে মেধা ও কর্মনিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং লেকচারার ছিলেন। ১৯৭৮ সালে জেদ্দায় কিং আবদুল আজিজ ইউনিভার্সিটিতে এবং ১৯৮১-৮২ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং প্রফেসর। ব্রিটেন, মিসর, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে শিক্ষাবিষয়ক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত প্রাদেশিক সরকারের ডেপুটি চিফ ইকোনমিস্ট পরে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতির অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনিই ডেমোগ্রাফি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৮ সালে পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকার সিনিয়র লেখক এবং ১৯৯০-৯১ সালে এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। একাধিকবার তিনি ছিলেন অর্থনীতি বিষয়ে নোবেল প্রাইজ প্রদান বোর্ডের সিলেকশন কমিটির বিশেষজ্ঞ সদস্য। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য এবং পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন পদেও অধিষ্ঠিত ছিলেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত ইসলামী বিশ্বকোষের সম্পাদকমণ্ডলীর সহসভাপতি ও লেখক। তার লিখিত, সম্পাদিত ও অনূদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইসলামীক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত আল-কুরআনের অর্থনীতি, ইসলামী বিশ্বকোষ, জীবন ও অর্থনীতি (অনুবাদ),Muslim World’s Resources (Editor ইত্যাদি। কলেজের বই রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। তার শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ দেশী-বিদেশী জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। হাজারখানেক প্রবন্ধ, সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশ হয়। বিভিন্ন সংস্থার কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ জনসংখ্যা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সহসভাপতি ও আজীবন সদস্য এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের সদস্য ছিলেন। বাংলা-ইংরেজি ছাড়াও আরবি, উর্দু, হিন্দি, ফারসি, চীনা, ফরাসি, স্প্যানিশ, থাই প্রভৃতি ভাষায় ছিলেন সুদক্ষ। তিনি ছিলেন কবি ও গীতিকারও। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে ১৯৯৬ সালের ২৪ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। হ

মুহাম্মদ দিলওয়ার মাসউদ


আরো সংবাদ

৭৫-এর পরিকল্পনাকারীদের বিচারে জাতীয় কমিশন গঠনের দাবি রাজধানীতে জেএমবির চার সদস্য গ্রেফতার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে ফিরে না গেলে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠানো হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ সচিবালয়ের আবাসন সমস্যা দূর করতে আরো ৫০০ ফ্যাট কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদে ভেলায় সবজি চাষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বিনিয়োগ করার আহ্বান অবশেষে রোহিঙ্গারা ফিরছেন আজ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি আরো অবনতির আশঙ্কা ১৫ আগস্ট আর ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা : কাদের কাশ্মির নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে পাকিস্তান

সকল




mp3 indir bedava internet