film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজয়কে অর্থবহ করতে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে : বুলবুল

বক্তব্য রাখছেন নুরুল ইসলাম বুলবুল - ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তাদের মাগফিরাত কামনা করে বলেছেন, সাম্য, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আমরা যে সংগ্রাম করে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম তা আজো বাস্তবায়িত হয়নি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল বাক-স্বাধীনতা, গণতন্ত্রের মুক্তি, অর্থনৈতিক মুক্তি। অথচ এখনো আমাদের গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য লড়াই করতে হচ্ছে। স্বাধীনতা ছিল ঐক্যের অথচ আজ জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করা হয়েছে। বিভক্ত জাতিকে নিয়ে কখনো একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই স্বাধীনতা ও বিজয়কে অর্থবহ করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।

আজ রোববার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর মন্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন খান, কামাল হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলওয়ার হোসাইন, আব্দুল জব্বার, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ড. আব্দুল মান্নান। আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শূরা সদস্য আমিনুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আশরাফুল আলম ইমন, শাহীন আহমদ খান ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরী পূর্বের সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়েও কঠিন হলো স্বাধীনতা রক্ষা এবং স্বাধীনতার লক্ষ্যসমূহ অর্জন করা। কিন্তু বিভেদের রাজনীতির কারণে আমরা আজো সে লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারিনি। দেশকে বিরাজনীতিকরণ ও বিরোধী দলকে ধ্বংস করার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে আজ জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। ব্যাংকগুলো লুটপাটের কারণে দেউলিয়া হওয়ার পথে। ক্ষমতাসীনদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ফলে রাষ্ট্র পরাধীনতার শৃংখলে আবদ্ধ। এমতাবস্থায় অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন থেকে দেশকে রক্ষা করতে, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে প্রত্যেক নাগরিককে একজন বলিষ্ঠ বিপ্লবীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। দেশপ্রেম ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গঠন করে জনগণকে মুক্ত করতে হবে।

মন্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেছেন, নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে লাখো প্রাণের বিনিময়ে বিজয়ের এই দিনে দেশ শত্রুমুক্ত হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ৪৯ বছরেও এদেশের মানুষের মুক্তি সম্ভব হয়নি। এখনো দারিদ্র্যতার কষাঘাতে জর্জরিত দেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী। আজ গণতন্ত্র মৃতপ্রায়। সমাজের শ্রেণীবৈষম্য দূর করতে হলে অসহায়, আর্ত-পীড়িত মানুষের কল্যাণে সবাইকে কাজ করতে হবে। বিজয়ের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে নিপীড়ন-নির্যাতনের পথ থেকে সরে এসে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীকে সহনশীলতার রাজনীতি চর্চা করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।


আরো সংবাদ