১৯ নভেম্বর ২০১৯

ছাত্রলীগ নেতার ভাষ্যে আবরারকে পিটিয়ে হত্যার বিবরণ

-

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ।

মারধরের সময় ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আবরারকে শিবির সন্দেহে রাত ৮টার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয়। সেখানে আমরা তার মোবাইলে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করি। ফেসবুকে বিতর্কিত কিছু পেজে তার লাইক দেয়ার প্রমাণ পাই। সে কয়েকজনের সাথে যোগাযোগও করেছে। শিবির-সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাই। তিনি আরো জানান, আবরারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বুয়েট ছাত্রলীগের উপদফতর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপআইন সম্পাদক অমিত সাহা। পরে প্রমাণ পাওয়ার পরে চতুর্থ বর্ষের ভাইদের খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার সেখানে আসেন। একপর্যায়ে আমি রুম থেকে বের হয়ে আসি। এরপর হয়তো ওরা মারধর করে থাকতে পারে। পরে রাত ৩টার দিকে শুনি আবরার মারা গেছে।

এ দিকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার জামিউস সানি। তিনি বলেন, রাতে খবর পাওয়ার পরই আমি সেখানে যাই। কয়েকজন তাকে ওই রুমে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে মারধর করা হয়েছে বলে শুনেছি। যারা মারধরে জড়িত তারা সবাই ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আবরারের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।


আরো সংবাদ