১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

সিন্ডিকেট করে চামড়ার টাকা লুটপাটে প্রভাবশালীরা জড়িত : গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য

-

সিন্ডিকেট করে চামড়ার টাকা লুটপাটে মন্ত্রী ও সরকারের প্রভাবশালীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য নেতৃবৃন্দ।

চামড়ার সিন্ডিকেট করে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাট চালিয়ে চামড়া শিল্পকে ধবংসের প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের এক সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এ অভিযোগ করেন।

তোপখানা রোডস্থ জোটের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক ও গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যর সমন্বয়ক ডা: এম এ সামাদ।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উওর দেন জোটের শীর্ষনেতা সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা: সামছুল আলম, এসডিপির আহব্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদীর কেন্দ্রীয় সদস্য সামছুল হক সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জোটের পক্ষ থেকে ঈদের আগেই সরকারকে সতর্ক করা হয়, চামড়া ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লুটপাটের পাঁয়তারা করছে। কিন্তু সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কারণ এই লুটপাটে সরকারের হোমরা চোমরা ব্যক্তিরা জড়িত। নেতৃবৃন্দ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বলা হচ্ছে সারাবিশ্বে চামড়ার দাম কমছে। আবার বলছে চামড়া যেন ভারতে পাচার না হয় সেজন্য বিজিবি সতর্ক আছে? একই সাথে ঘোষণা দিল সরকার যে কাঁচা চামড়া ও ওয়েট ব্লু চামড়া রফতানি করা যাবে। এতে করে চামড়া ভারতে পাচার হবে। অথচ বাজার চাহিদানুযায়ী চামড়ার দাম ভালো পাওয়ার কথা। কিন্তু এ বছর ঘটেছে সম্পূর্ণ উল্টো।

অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী সর্বস্বান্ত হয়েছেন বিশেষ কর মাদ্রাসার এতিমদের হক মারা হয়েছে এতে অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে চামড়া পুঁতে, পুড়িয়ে বা নদীতে ফেলে দিয়েছেন। এতে বাংলাদেশের চামড়া শিল্প ধ্বংস হবে।

তারা বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মেয়রদের দুর্নীতি-ব্যর্থতার কারণে ডেঙ্গু আজ মহামারী রূপ নিয়েছে। অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছেন। তেমনিভাবে সরকারের প্রভাবশালীদের দুর্নীতি, লুটপাট, ব্যর্থতার কারণে চামড়াশিল্পে আজ এই অরাজকতা, গণপিটুনিতে মানুষ হত্যা, গণপরিবহনে চরম নৈরাজ্য সড়কে দুর্ঘটনার নামে প্রতিদিন মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। এর মধ্য মিরপুরের বস্তিতে আগুন দিয়ে হাজার হাজার অসহায় মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা। যারা সরকারের আশ্রয়ে পশ্রয়েই থাকে। ইতিমধ্যে শেয়ার বাজার থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা লুট করা হয়েছে। কৃষকরা ধানের দাম না পেয়ে ধানক্ষেতে আগুন দিতে বাধ্য হয়েছে। এই রকম হরিলুট ব্যবস্থায় আমাদের রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে। এখানে সিন্ডিকেটের কারণে কৃষক ধানের ন্যায্য দাম পায় না, কোরবানির পশুর চামড়ার দাম জনগণ পায় না, সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ে। এমনকি ডেঙ্গু মশার ওষুধ ক্রয়ে দুই কোম্পানি সিন্ডিকেট করে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুট করছে। আর্থিক ও ব্যাংক খাতে সিন্ডিকেটের লুটপাট চলছে।


আরো সংবাদ

দুই মন্ত্রীর ভারত সফর বাতিল নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার বিশ্লেষণ (১২৩৬৫)দৃশ্যমান হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের (১১৭৫৭)আসাম রণক্ষেত্র, নিহত ৫, আক্রান্ত নেতা-মন্ত্রীর বাড়ি (১১৪২২)গৌহাটিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গাড়িবহরে হামলা (১০২৯৩)সানিয়ার বোনকে বিয়ে করলেন আজহারের ছেলে (১০২০৩)ভারত সফর বাতিল করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী! (৯৮০৯)বিজিবির হাতে আটক হওয়ার পর যা বললেন ভারতের নাগরিক ক্ষিতিশ (৮১১৯)দৈনিক সংগ্রাম কার্যালয়ে হামলা, সম্পাদক পুলিশ হেফাজতে (৭৭৫৩)পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরও বাতিল (৭১৬৬)ব্যতিক্রমী সেঞ্চুরি করলেন বুমবুম আফ্রিদি (৭০২১)



hacklink Paykwik Paykasa
Paykwik