২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এই বাজেট জনগণের জন্য নয় : খন্দকার মোশাররফ

এই বাজেট জনগণের জন্য নয় : খন্দকার মোশাররফ - নয়া দিগন্ত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, জনগণের জন্য এই বাজেট প্রনয়ণ করা হয় নাই। আর জনগণের জন্য বাজেট প্রনয়ণ করা না হলে, দেশের জন্য বাজেট প্রনয়ণ করা হয় না। আর দেশের জন্য বাজেট প্রনয়ণ করতে হলে এদেশের যেই জনগোষ্ঠী তাকে জনসম্পদে রুপান্তরিত করার জন্য সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটা দেয়া হয় নাই।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হল মিলনায়তনে বাংলাদেশ মহিলা বিজ্ঞানী সমিতি কর্তৃক ‘২০১৯-২০ বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ: আমাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসকল কথা বলেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন - বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিশিষ্ট কলামিষ্ট জনাব ইকতেদার আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. তাজমেরী এস ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. ওবায়দুল ইসলাম ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ প্রমুখ।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঋণ খেলাপীদের নানা ভাবে সুযোগ দেয়া হচ্ছে কিন্তু এরা কারা। এরা হচ্ছে সুবিধাভোগী। তিনি বলেন, সুইজারল্যান্ড ব্যাংকে প্রতি বছর বাংলাদেশিদের বৈদেশিক মুদ্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। কানাডায় বেগম পাড়া হচ্ছে এরা কারা সুবিধা ভোগী। মালেশিয়ায় সেকেন্ড হোম বানাচ্ছে কারা সবিধা ভোগীরা। এই সুবিধা ভোগীর মধ্যে ক্ষমতাসীন সরকারের রাজনৈতিক নেতা আছেন, সমর্থক, সমর্থক ব্যাবসায়ী আছেন প্রশাসনের লোকেরা আছেন। আর এই সুবিধা ভোগীদের দ্বারাই সরকার। আর এই সুবিধা ভোগীদের দ্বারাই সরকার প্রতিষ্ঠিত। সুবিধা ভোগীদের জন্যেই এই বাজেট।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, যেই শিক্ষা খাত এই দেশের জনগণকে সার্বিক ভাবে জননশক্তিতে রূপান্তরিত করে দেশকে স্বনির্ভর এবং সমৃদ্ধি করবে সেই যায়গায় আসলে ধোঁকাবাজি করা হয়েছে। এখানে আমাদেরকে ফাঁকি দেয়া হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এভাবে ফাঁকি দেয়া বেশিদিন সম্ভব হবে না।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, জনগণের দ্বারা এদেশের সরকার গঠিত হতে হবে। জনগণের ভোটে সরকার গঠিত হবে। ব্যাবসায়ী দশজন ধনী ব্যাক্তির মধ্যে যদি একজন অর্থমন্ত্রী হয়, সেখানে বৈষম্য কমবে না বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে। আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে না। তাই যদি তার পরিবর্তন করতে হয় তাহলে সার্বিক ভাবে পরিবর্তন করতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে এদেশের গণতন্ত্রকে পুনঃউদ্ধার করতে হবে। তাই আমাদের সকলে যে যেই পর্যায়ে আছি আমরা গণতন্ত্রকে পুনঃউদ্ধার করবো। তিনি আরো বলেন, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা কারনে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। তাকে মুক্ত করতে না পারলে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে না। আসুন আমরা ন্যায় বৃদ্ধি, জ্ঞান বৃদ্ধি সমাজ প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমরা গণতন্ত্রকে পুনঃউদ্ধার করি।


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat Paykasa buy Instagram likes Paykwik Hesaplı Krediler Hızlı Krediler paykwik bozdurma tubidy