২৩ মে ২০১৯

‘জেলে বসে মরে যাবেন তবু আপোস করবেন না’

খালেদা জিয়া - ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্যারোলে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে রাজনৈতিক ভাবে সিদ্ধান্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান রিপন। তিনি বলেন, আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোভাবে চিনি। তার সাথে প্যারোলের কোন সম্পর্ক নেই। তিনি আপোষহীন নেত্রী, জেলে বসে মরে যাবেন কিন্তু আপোষ করে প্যারোলে মুক্ত হবেন না।

২২ এপ্রিল (রোববার) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ও বর্তমান ছাত্রফোরাম আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল খালেক হাওলাদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডাকসুর সাবেক জিএস ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন প্রমুখ।

সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া উপহার। তাই এই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলন শুরু করতে হবে।

সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, যাই করি না কেন দেশনেতা তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং গনতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অপর নাম আন্দোলন সংগ্রাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় যখনই রাজপথে নেমেছে তখনই কিছু না কিছু হয়েছে। তাই গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশনেত্রীকে মুক্ত করার আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আমি বিশ্বাস করি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেন, দাবি এমনি এমনি আদায় হয় না। ৫২, ৬৯, ৭১ ও ৯০ তে কঠোর আন্দোলন করে রাজপথে রক্ত দিয়ে দাবি আদায় করা হয়েছে। তাই আমাদেরও দেশনেত্রীকে মুক্ত ও গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি আদায়ে কঠোর আন্দোলন সংগ্রাম করতে হবে।

পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে সরকার : মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার চক্রান্ত করে সুপরিকল্পিত ভাবে গণতান্ত্রিক সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ও বর্তমান ছাত্রফোরাম আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্ররা বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে দেশের জন্য ভূমিকা রেখে এসেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য জনগণকে সম্পৃক্ত করে গনআন্দোলন করতে হবে। সেই আন্দোলনেও সারাদেশের ছাত্রদের একত্রিত করে ছাত্রদলকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আমরা সবসময় সকল ধরনের সন্ত্রাসী হামলার বিপক্ষে। আমরা এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এধরণের সন্ত্রাসী হামলা বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে আন্দোলন গড়ে তোলারও আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল খালেক হাওলাদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান রিপন, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডাকসুর সাবেক জিএস ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন প্রমুখ।


আরো সংবাদ




agario agario - agario