২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার কাড়তেই ডাকসু নির্বাচন : মেজর হাফিজ

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমদ - ছবি : সংগৃহীত

এবার শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার কাড়তে ডাকসু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, গত ২৮ বছর ধরে ডাকসু নির্বাচন হয়নি। কিন্তু এখন তড়িঘড়ি করে ভোট চুরির মোক্ষম সময় হিসেবে সে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের মতো এ নির্বাচনেও শিক্ষার্থীদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হবে।


সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে খালেদা জিয়াসহ সব রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় এ অভিযোগ করেন হাফিজ উদ্দীন আহমদ।


জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। খালেদা জিয়াসহ সব রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম নামের একটি সংগঠন রাজধানীতে এ সভার আয়োজন করে।


হাফিজ বলেন, ভোট কারচুপি করার জন্য ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সাধারণ ছাত্রদের হলে থাকা যাবে না। একমাত্র সরকারি দলের ছাত্রসংগঠন ছাড়া অন্য কোনো দলের ছাত্রসংগঠনের সহবস্থান নেই। অন্য কোনো দল এই নির্বাচনে ভোট দিতে যেতে পারবে না।

সরকারি ছাত্রদলের সংগঠন ছাড়া অন্য সকল ছাত্র সংগঠন দাবি করেছিল যে একাডেমিক ভবনে ভোট গ্রহণ করা হোক। ছাত্ররা যেহেতু হলে প্রবেশ করতে পারবে না সেহেতু হলে যেন ভোট গ্রহণ করা না হয়, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের এই দাবির কোনো সম্মান দেখায়নি। তারা পূর্ব পরিকল্পিত ছকটি মেনে হলে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছেন, যাতে সাধারণ ছাত্ররা আতঙ্কে ভোট দিতে যেতে না পারে।


হাফিজ উদ্দীন আহমদ আরো বলেন, সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাগরিকের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। বিএনপি প্রার্থীদের প্রচারণা ও ভোটের মাঠে নামতে দেওয়া হয়নি। ভোটের আগের দিন জালভোট দিয়ে ব্যালট ভরা হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ক্ষমতায় এসেছে।


তিনি বলেন, এ ভোট ডাকাতির সরকার বিশ্ব রেকর্ড করেছে। সংসদ নির্বাচন হোক, উপজেলা নির্বাচন হোক আর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হোক যে কোনো নির্বাচনে তারা এ ডাকাতি করেছে।


বিএনপির প্রবীণ এই নেতা বলেন, আজ সমাজে বৈষম্য প্রকট, দেশে আইনের শাসন নেই, বিচার ব্যবস্থাও স্বাধীন নয়। যে দেশে এখন পর্যন্ত সাগর-রুনির বিচার হয় না, সেখানে নির্দোষ খালেদা জিয়ার মুক্তি এভাবে হবে না। আমাদের রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।


ফোরামের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতুল্লাহ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শুয়াইব আহমেদ, কৃষকদল নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া আনোয়ার প্রমুখ।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme