২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সিলেটে শিবির নেতা গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার ‘নাটকের’ প্রতিবাদ

-

সিলেট দয়ামীর বাজার থেকে ছাত্র শিবির ওসমানী নগর থানা সভাপতি সুলতান আহমদকে গ্রেপ্তার এবং তাকে জড়িয়ে পুলিশের ‘অস্ত্র উদ্ধার নাটক, মিথ্যা মামলার’ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, গতকাল ৯ই সেপ্টেম্বর বাসায় যাওয়ার পথে দয়ামীর বাজার থেকে কোন কারণ ছাড়াই অন্যায় ভাবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু গ্রেপ্তারের পর তার সাথে রিভলবার ও রামদা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে পুলিশ।
একই সাথে তার নামে মিথ্যা অস্ত্র মামলা দেয়া হয়েছে। অথচ তাকে নিরস্ত্র অবস্থায় অনেকের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ‘অন্যায় গ্রেপ্তার আড়াল করতে পুলিশ পরিকল্পিত ভাবে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক মঞ্চায়ন করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। পুলিশের এসব কর্মকান্ড অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক’।
মূলত পুলিশ তাদের পবিত্র দায়িত্ব বাদ দিয়ে রাজনৈতিক কর্মীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তারা সরকারের ‘পেটুয়া বাহীনির’ মত আচরণ করছে। পুলিশের এই ‘দায়িত্বহীন অমানবিক ঘৃণ্য অপকর্মের’ নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। ছাত্রশিবিরের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এবং মেধাবী ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেয়ার জন্য পুলিশ এ অস্ত্র উদ্ধার ‘নাটকের’ অবতারণা করেছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার নাটকের সাথে পুলিশের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকলেও শিবির নেতার দূরতম কোন সম্পর্ক নেই। নিরীহ ছাত্রদের অন্যায় ভাবে আটকের পর এমন নিকৃষ্ট নাটক সু-গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে সচেতন দেশবাসী মনে করে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শত ধিক্কারের পরও পুলিশ বার বার এমন নিকৃষ্ট কাজ করেই যাচ্ছে। ইতোপূর্বে বহুবার পুলিশ নিরপরাধ শিবির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে অস্ত্র উদ্ধার ও জিহাদি বইয়ের নাটক সাজিয়েছে। যা সময়ের ব্যবধানে মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে এবং মিথ্যাচারের জন্য পুলিশ জনগণের ধিক্কার কুড়িয়েছে। নিজ পেশা, জনগণের প্রতি ওয়াদা ও দেশের প্রতি সামান্য শ্রদ্ধাবোধ থাকলেও পুলিশ এমন দায়িত্বহীন কাজ করতে পারত না। পুলিশের এই ধারাবাহিক অমানবিক দায়িত্বহীনতায় হুমকির মুখে আজ হাজারো ছাত্রের জীবন। যা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ছাত্রশিবির আদর্শবাদী সংগঠন। আমরা নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ পথ চলায় বিশ্বাসী। এসব অস্ত্র নাটকের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোন সম্পর্ক নেই। বরং সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে পুলিশ বার বার এমন ঘৃণ্য নাটকের অবতারণা করেছে। পুলিশের এই প্রতিহিংসাপূর্ণ তামাশায় বহু মেধাবী ছাত্রের শিক্ষা জীবন আজ ধ্বংসের মুখে। আমরা অবিলম্বে এই বেআইনি কর্মকান্ড বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।
নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে অন্যায় গ্রেপ্তার ও সাজানো নাটক থেকে বিরত থাকতে এবং গ্রেপ্তারকৃত শিবির নেতা সুলতান আহমদকে নি:শর্ত মুক্তি দিতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। বিজ্ঞপ্তি

 


আরো সংবাদ