film izle
esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সুদহার তদারকি জোরদার হচ্ছে

সুদহার তদারকি জোরদার হচ্ছে - ছবি : সংগৃহীত

ঘোষণা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো ঋণের সুদহার কমাচ্ছে না, বরং ক্ষেত্রবিশেষ নানা সার্ভিস চার্জ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে গ্রাহকের ওপর। এ পরিস্থিতিতে সুদহার তদারকি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকিং খাতে ঋণ ও আমানতের সুদহারের তথ্য এখন থেকে ব্যাংকগুলোকে প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পাঠাতে হবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঋণের সুদহার কমানোর কথা বলে বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তারা সরকারের কাছ থেকে নানা সুবিধা নিয়েছেন। বিশেষ করে পরিচালকরা একটানা তিন মেয়াদে ৯ বছর পরিচালনা পর্ষদে থাকা, একই পরিবারের ৪ জন ব্যাংকের পরিচালক হওয়া, আমানতের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বাধ্যতামূলক নগদ জমার হার (সিআআর) এক শতাংশ কমিয়ে নেয়া হয়। এতে ব্যাংকগুলোর হাতে অতিরিক্ত ১০ হাজার কোটি টাকা চলে যায়। আবার সরকারি আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে রাখার দাবি আদায় করে নেয়া হয়, যা আগে ছিল ২৫ শতাংশ। এসব দাবি আদায় করার মূলে মূলত ছিল ঋণের সুদহার কমানোর শর্ত পরিপালন করা।

নানা সুবিধা নেয়ার বিপরীতে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ এবং আমানতের সুদহার ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। সে অনুযায়ী ঋণ আমানতের সুদহারের ব্যবধান হবে ৩ শতাংশ। বিএবি এ ঘোষণা দিয়েছিল গত ২০ জুন। তখন বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ঘোষণা করেছিলেন, বিএবির এ সিদ্ধান্ত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবির এ সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছিল ব্যাংকারদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)। দু’টি সংগঠনকেই এ সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হয়নি।

নিজেরাই এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারকে অবহিত করেছিল। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সুদহার নিয়ে নিবিড়ভাবে তদারকি করতে থাকে। কিন্তু ঘোষণার প্রায় দেড় মাস অতিবাহিত হতে চললেও বেশির ভাগ ব্যাংক আমানতের সুদহার কমালেও ঘোষণা অনুযায়ী ঋণের সুদহার কমায়নি। ফলে এক দিকে আমানতের সুদহার কমানোর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ আমানতকারীরা। অপর দিকে ঋণের সুদহার না কমানোর ফলে বিনিয়োগ ব্যয় আগের অবস্থানেই থাকছে। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো ঋণের ওপর বাড়তি চার্জ চাপিয়ে দিচ্ছে।

এ বিষয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে অভিযোগ আসায় সুদহার নিয়ে ব্যাংকগুলোর তদারকি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত আগের মাসের সুদহারের তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পাঠাত ব্যাংকগুলো। এতে অনেক ব্যাংকই এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে না। এতে সুদহার নিয়ে তদারকি করতে সমস্যা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ আগে শুধু সুদহার নিয়ে পর্যালোচনা করত। এখন গভর্নরসহ অন্যান্য সংস্থাও ব্যাংকগুলোর সুদহার নিয়ে সরাসরি তদারকি করছে। ফলে যথাসময়ে ব্যাংকগুলোর সুদুহারের তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করার জন্য এ সংক্রান্ত তথ্য পাঠানোর সময়সীমা ৫ দিন এগিয়ে আনা হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে আগের মাসের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ বিষয়ে এক সার্কুলার জারি করা হয়েছে। গতকালই তা ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনা চলতি মাসের মধ্যেই বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat