২১ মে ২০১৯

ভয়ঙ্কর দৈত্য মাছ, ১২ হাজার কিলোমিটার সাঁতরে অবশেষে...

বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু যে মানুষের জানা, কতখানিই বা অজানা সেই প্রশ্ন মাঝে মাঝেই উস্কে দেয় প্রাণিজগত। বিশ্বের এখনও অনেক এমন প্রাণী রয়েছে যাদের সম্পর্কে কেউ জানেই না। নানাবিধ প্রাণিদের শনাক্ত করার জন্য তাদের সম্পর্কে অধ্য্যনের জন্য বিজ্ঞানী ও গবেষকরা কাজ করছেন।

ক্যালিফোর্নিয়ায় সম্প্রতি এমনই এক আজব প্রাণীর দেখা মিলেছে। ক্যালিফর্নিয়ার ইউসি সান্তা বারবারার আমেরিকান রিভিয়েরার পাশে একটি সামুদ্রিক প্রাণীর দেখা মিলেছে। ভীষণই অদ্ভুতদর্শন এই মাছের মতো প্রাণীটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ৭ ফুট লম্বা এবং অদ্ভুত চোখে তাকিয়ে ছিল প্রাণীটি।

একজন মানুষের থেকেও বড় এই মাছের সন্ধান মিলতেই সেখানে পৌঁছন গবেষকরা। তারা মাছের ছবি তোলেন এবং টিস্যু নমুনা সংগ্রহ করেন পরীক্ষার জন্য।

বেশ কিছু দিন ধরে পরীক্ষার পরে জানান, এই মাছটি আসলে হুডউইঙ্কার সানফিশ (Hoodwinker Sunfish)। এটি অত্যন্ত বিরল সামুদ্রিক প্রাণি। ২০১৪ সালে এই মাছটির অনুসন্ধান করা হয়। ২ বছর আগেই নিউজিল্যান্ডে মাছটিকে দেখা যায়।

এই মাছটির নাম হুডউইঙ্কার এই কারণেই যে, বেশিরভাগ সময় মাছটি দুর্দান্তভাবে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারে।

বিবিসির মতে, বিজ্ঞানীদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এই যে, এই মাছটি নিজের জায়গা ছেড়ে ডাঙায় কীভাবে এল। ১২ হাজার মাইল দূরত্ব পার করে কেন এই উপকূলেই মৃত অবস্থায় উদ্ধার হল প্রাণিটি।

 

আরো দেখুন : সাপের মতো দেহ কিন্তু মানুষের মতো দাঁত, আশ্চর্য প্রাণীর দেখা মিলল
নয়া দিগন্ত অনলাইন ০৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:০৬

প্রথমে সাপ ভেবেই ভুল করেছিলেন মারিয়া জুলিয়া কান্দোত্তি। কিন্তু তার পরে প্রাণীটিকে খুঁটিয়ে দেখে তিনি বুঝতে পারেন, এমন জীব তিনি কখনও দেখেননি। সঙ্গে সঙ্গে তার ছবি তোলেন মারিয়া।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ইয়াহু নিউজ ইউকে’-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে আর্জেন্টিনার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সান্তা ফে প্রদেশের সান জেভিয়ার শহরের কাছেই। মারিয়া জুলিয়া কান্দোত্তি নামের ওই নারী কৃষক ধানক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে ওই প্রাণীটির দেখা পান। সাপের মতো চেহারার ওই প্রাণীটির চমড়া অস্বাভাবিক রকমের কোঁচকানো। তার উপরে তার দাঁতগুলি মানুষের দাঁতের মতো।

মারিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিকটবর্তী নদী থেকে প্রাণীটি ধানক্ষেতে চলে এসেছিল।

ফেসবুকে তিনি জানান, সেটি যে ঠিক কী, তা তারা জানেন না। তবে প্রাণীটিকে দেখে তাঁদের রীতিমতো ভয় করছিল, সে কথা তিনি তার পোস্টে লিখেছেন।

পরে বিশেষজ্ঞরা মারিয়ার পোস্টটি দেখে জানান, প্রাণীটি সাপ নয়। এটি এক রকমের মাছ। এটির নাম সাউথ আমেরিক্যান লাংফিশ। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘এপিডোসাইরেন প্যারাডক্সা’। এই মাছ সরাসরি বাতাস থেকে শ্বাস নিতে পারে। কাদাপানি বা কম স্রোতের পানিত এদের পাওয়া যায়।

পাবলো স্কারাবোত্তি নামের এক বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, এই মাছ ‘আমেরিকান মাড ফিশ’ নামেও পরিচিত। দক্ষিণ আমেরিকাতেই এদের দেখা যায়।

তার মতে, এই মাছ কাদা দিয়ে এক রকমের গুহা তৈরি করে তার মধ্যে দু’তিন বছর বেমালুম কাটিয়ে দিতে পারে। এদের দাঁত খুবই শক্ত। এ দিয়ে তারা কাঁকড়া বা শামুকের শক্ত খোলা ভেঙে ফেলতে পারে। কাঁকড়া ও শামুকই এদের প্রধান খাদ্য।


আরো সংবাদ




agario agario - agario