২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সাপ দেখিয়ে পুলিশের স্বীকারোক্তি আদায়!

পুলিশ অবশ্য সাপ ব্যবহারের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে - ছবি : সংগৃহীত

সাপ দেখলে কে না ভয় পায়! সন্দেহভাজন এক চোরকে আটকের পর তাকে ভয় দেখিয়ে কথা বের করার জন্যে তার গায়ে সাপ জড়িয়ে দেবার ঘটনা জানাজানি হবার পর এ নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় এ ঘটনার জন্যে পুলিশ দুঃখ প্রকাশ করেছে।

হয়তো এই ঘটনাটি জানাজানিই হতো না। কিন্তু পুলিশের হাতে আটক ব্যক্তির গায়ে সাপ পেঁচিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে হৈ চৈ শুরু হয়।

মানবাধিকার কর্মীরাও এর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, পাপুয়া অঞ্চলে পুলিশের একজন কর্মকর্তা ধৃত এক ব্যক্তির গায়ে একটি সাপ জড়িযে দিচ্ছেন, আর হাতকড়া পরা লোকটি ভয়ে চিৎকার করছে।

পুলিশ সন্দেহ করেছিল যে ওই লোকটি একটি মোবাইল ফোন চুরি করেছে।

স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধান জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাপ ব্যবহারের কৌশলের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে বলেছেন, সাপটি ছিল পোষা এবং নির্বিষ। তবে এই ঘটনাকে তিনি অপেশাদার বলে মন্তব্য করেছেন।

"ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আমরা কড়া ব্যবস্থা নিয়েছি," এক বিবৃতিতে একথা বলেছেন টন্নি আনন্দা সদায়া।

তবে তিনি দাবি করেছেন, পুলিশ ওই ব্যক্তিটিকে মারধর করেনি। স্বীকারোক্তি আদায়ের লক্ষ্যে তারা শুধু তাদের নিজেদের উদ্ভাবিত এক কৌশল কাজে লাগিয়েছেন।

এই ভিডিওটি টুইট করেছেন মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী ভেরোনিকা কোমন। তিনি দাবি করেছেন যে সম্প্রতি পুলিশ নাকি পাপুয়ার স্বাধীনতাপন্থী এক আন্দোলনকারীকে আটক করার পর তাকে সাপসহ একটি সেলের ভেতরে রেখেছিলেন।

ভিডিওতে একটি কণ্ঠ সন্দেহভাজন ওই চোরকে নানা ভাবে ভয় দেখাতে শোনা যায়। কখনও বলা হচ্ছিল যে তার মুখে বা প্যান্টের ভেতরে সাপ ঢুকিয়ে দেওয়া হবে ।

পাপুয়াতে যেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ইন্দোনেশিয়া থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্যে আন্দোলন করছে, তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর প্রায়ই শোনা যায়।

পাপুয়া নিউ গিনির সাথে সীমান্তের এই এলাকাটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ১৯৬৯ সালে এটি ইন্দোনেশিয়ার অংশ হয়ে যায়।
সূত্র : বিবিসি

জানেন বিশ্বের কোন দেশে মোটা মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?

যদি কোনো দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষই অস্বাভাবিক মোটা হন, তখন সে বিষয় নিয়ে যে তুমুল চর্চা হবে সেটাই তো স্বাভাবিক! বছর খানেক আগে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন ১০টি দেশের নাম, যেখানে মোটা মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই দেশগুলোর নাম আর কিছু খুঁটিনাটি তথ্য।

১) ত্রিনিদাদ ও টোবাগো : সমীক্ষায় ১০ নাম্বারে উঠে এসেছে এই দেশের নাম। দেশটি দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান সাগরের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম পোর্ট অফ স্পেন। এই দেশটিতে মোটা মানুষের বসবাস দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০%।


২) ভেনিজুয়েলা : এই দেশটি পৃথিবীর ৪২তম জনবহুল রাষ্ট্র এবং জনসংখ্যা প্রায় ২৭,৭৩০,৪৬৯। এই দেশটিতে মোটা মানুষের সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০.৮%।

৩) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র : দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৩১ কোটি। সমীক্ষায় ৮ নাম্বারে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং এখানে বর্তমান মোটা মানুষের বসবাস দেশের মোট জনসংখ্যার ৩১.৮%।

৪) মেক্সিকো : জনসংখ্যার হিসাব করতে গেলে মেক্সিকো পৃথিবীর অত্যন্ত জনবহুল একটি রাষ্ট্র। সমীক্ষা অনুযায়ী এই দেশটিতে প্রতি বছরই মোটা মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এখন তা দাঁড়িয়েছে দেশের মোট জনসংখ্যার ৩২.৮%-এ।

৫) দক্ষিণ আফ্রিকা : এই দেশটিতে মোটা মানুষের সংখ্যাও অনেক। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্তমান মোটা মানুষের সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৩.৫%।


৬) সংযুক্ত আরব আমিরাত : এই দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৪,৭৯৮,৫০০ যার মধ্যে ৩৩.৭% মানুষই মোটা।

৭) জর্দান : এই দেশটিতে এখন মোটা মানুষের সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৪.৩%।

৮) মিসর : মরুভুমি, নীলনদ আর পিরামিডের দেশ হল মিসর। বর্তমানে মিশরের মোটা মানুষের সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৪.৬%।

৯) সৌদি আরব : চিকিৎসকদের মতে, সৌদিতে প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে গড়ে ৪০ জন মানুষই মোটা এবং ধারণা করা হচ্ছে খুব দ্রুত হয়তো এই দেশটি সমীক্ষা ১ নাম্বার স্থানে চলে আসতে পারে। আপাতত এই দেশে মোটা মানুষের বসবাস হল দেশের মোট জনসংখ্যার ৪০%।

১০) কুয়েত: উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনারা যখন প্রথম কুয়েত যায়, তখন তারাই সেখানে ফাস্টফুড-এর প্রচলন করে। সেই থেকেই কুয়েতেই নির্মাণ হয় অসংখ্য ফাস্টফুড-এর দোকান। আর এখন বর্তমান সমীক্ষা অনুযায়ী, এই দেশের ৪২.৮% মানুষই মোটা।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme