১০ ডিসেম্বর ২০১৮

শ্রীপুরে আশা জাগাচ্ছে ইউরোপের বারবন রেড টার্কি

শ্রীপুরে আশা জাগাচ্ছে ইউরোপের বারবন রেড টার্কি - ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের বারবন রেড টার্কি, গায়ের পালক লাল-সাদা বর্ণের। স্বভাবজাত সাধারণ টার্কির মতো হলেও এরা জাতে অনেক উন্নত। লালন-পালন ও খরচ সাধারণ হলেও গোশত উৎপাদন হয় দিগুণ। বাংলাদেশে এ বারবন রেড টার্কি মাত্র ৭ থেকে ৮টি খামারে লালন-পালন হয়ে থাকে। এর মধ্যে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ভাংনাহাটি গ্রামে ডক্টরস্ টার্কি ফার্মের বারবন রেড টার্কির চাষ হচ্ছে।

ডক্টরস্ টার্কি ফার্মের স্বত্ত্বাধিকারী ডা. এমরানুল হক মন্ডল জানান, ২ বছর আগে লন্ডন থেকে বারবন রেড টার্কির একশ ও বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলা থেকে ২ শ’ ডিম সংগ্রহ করে তা ইনকিউবেটরে সাহায্যে বাচ্চা ফুটিয়েছেন। এর মধ্যে কিছু ডিম নষ্ট হয়ে যায়। বাকীগুলো থেকে পর্যায়ক্রমে সফলতা এসেছে। বর্তমানে তার ফার্মে প্রাপ্ত বয়স্ক প্রায় ৩ শ’ মতো বারবন রেড টার্কি রয়েছে। এছাড়াও দুই বছরে প্রায় ৬ শ’টির বেশি টার্কি বিক্রি করে ভালো আয় হয়েছে।
বর্তমানের এ টার্কির বাজার মূল্য সাধারণ টার্কির চেয়ে বেশি। যেখানে এক মাস বয়সী সাধারণ টার্কির বাচ্চা ৩ শ’ টাকা থেকে সাড়ে ৩ শ’ টাকা জোড়া বিক্রি হয় সেখানে এক মাস বয়সী বারবন রেড টার্কি একটি বাচ্চা ১৫ শ’ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আর প্রাপ্তবয়স্ক সাধারণ টার্কি সেখানে ৭-৮ কেজি ওজনের হয়, সেখানে প্রাপ্ত বয়স্ক বারবন রেড টার্কির ওজন ১৪-১৫ কেজি ছাড়িয়ে যায়। বারবন রেড ও সাধারণ টার্কি খাবারের মধ্যেও কোন পার্থক্য নেই। এরা দিনে ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত খাবার খেয়ে থাকে। সাধারণ টার্কির মতোই বারবন রেড টার্কি ঘাস লতাপাতা ছাড়াও পোল্ট্রি ফিড খেয়ে থাকে। তিনি জানান, এ ২৫০ গ্রাম খাবারের মধ্যে খামার থেকে ১৩০ গ্রাম খাবার সরবরাহ করা হয়, বাকী খাবার তারা প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে পেয়ে থাকে। এতে খাবার হিসেবে দৈনিক প্রতি বারবন রেড টার্কির পেছনে ব্যয় হয় সাড়ে তিন থেকে চার টাকা।

তিনি আরো জানান, রেড বারবন টার্কি আয়ুকাল ৬ বছর। তবে এরা চার বছর পর্যন্ত স্বাভাবিক ভাবে ডিম দিয়ে থাকে। এরা একাধারে ১০-১২ দিন ডিম দেয়ার পর কিছুদিন ডিম দেয়া বন্ধ রাখে। তবে রেড বারবন টার্কি মাংস খুব সুস্বাদু।

এব্যাপারে গাজীপুর জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা দীপক রঞ্জন রায় বাসসকে জানান, বাংলাদেশে বারবন রেড টার্কির খুবই সম্ভাবনা রয়েছে। এদের গঠন দৃষ্টি নন্দন ও মাংস উৎপাদনে অন্যান্য টার্কির চেয়ে দ্বিগুণ। দেশীয় আবহাওয়ায় এ টার্কির চাষ করলে অনেক লাভবান হওয়া সম্ভব।


আরো সংবাদ

যেসব আসনে ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে (২৮৭৩৪)বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যারা প্রার্থী হলেন (১৩০২৭)মনোনয়ন না পাওয়া বিএনপির আনিসুল হক বললেন- ব্যক্তি নয় মার্কাই বড় (১১৮১৮)অভিমানে বিএনপি ছাড়লেন মনির খান (১১১৭৬)জোটে ২২ আর উন্মুক্তভাবে ১ আসনে লড়বে জামায়াত (১০৮৭৮)ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ (৯৭০৯)বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেমকে লক্ষ্য করে গুলি! (৯২৭০)এত কিছু করেও মির্জা আব্বাসকে ঠেকাতে পারলেন না মেনন (৯২৪৯)বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন খন্দকার মাহবুব (৮৬১২)বিএনপির আরো চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা (৭৯২০)