২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অমীমাংসিত ইস্যুতে ভারত থেকে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করছি : প্রধানমন্ত্রী

অমীমাংসিত ইস্যুতে ভারত থেকে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করছি : প্রধানমন্ত্রী - ছবি : নয়া দিগন্ত

অক্টোবরের প্রথম দিকে ভারত সফরের আগে প্রতিবেশী দেশেটির কাছ থেকে তিস্তার পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যুতে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের (কিশোরগঞ্জ-৩) তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে দুদেশের মধ্যে অমীমাংসিত সমস্যাগুলো শিগগিরই সমাধান করা হবে। আমার ভারত সফরের আগে আমরা পূর্বোক্ত বিষয়গুলিতে ইতিবাচক ফল পাব বলে আশা করছি।’

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ভারতীয় চ্যাপ্টার আয়োজিত ইন্ডিয়া ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে ৩-৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর করার কথা রয়েছে। ৩-৪ অক্টোবর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

শেখ হাসিনা এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৫ অক্টোবর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, তার ভারত সফরকালে তিনি তিস্তাসহ সাধারণ নদ-নদীর পানি ভাগাভাগির বিষয়টি নিয়েও নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলবেন।

ভারতের সাথে বাংলাদেশের খুবই সুসম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের নতুন ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ভারতের সাথে নিরাপত্তা, ব্যবসা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ, পরিবেশ, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, সংস্কৃতি এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এছাড়াও ব্লু ইকোনমিসহ পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, মহাকাশ গবেষণা এবং সাইবার সুরক্ষাসহ অন্য বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যোগ করেন তিনি।

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে হাসিনা বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য তার সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। ‘বিষয়টি দুই দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ের সামনে রাখা হচ্ছে।’

‘ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে এ চুক্তি সম্পাদন এখনো সম্ভব হয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরকালে তাদের সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় তিস্তা পানিবণ্টন সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন,’ যোগ করেন তিনি। সূত্র : ইউএনবি


আরো সংবাদ