২২ এপ্রিল ২০১৯

সংসদের সমাপনী বক্তৃতায় যা বললেন রওশন এরশাদ

সংসদের সমাপনী বক্তৃতায় ভাষণ দিচ্ছেন বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ। - ছবি: সংগৃহীত

দশম জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সমাপনীর বক্তৃতায় বিরোধী দলের নেত্রী রওশন এরশাদ বলেন, তরুণ প্রজন্ম ফেসবুক আসক্তিতে তাদের ভবিষৎ অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের রক্ষায় তাই রাত ১২টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার দশম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনের সমাপনীর বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দৃষ্টি আর্কষণ করে তিনি বলেন, তরুণদের চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩৫ বছর করার অনুরোধ জানায়। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও চাকরিতে বয়স সীমা ৩৫ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত রয়েছে। তরুণদের চাকরিতে বয়স সীমা বৃদ্ধি করলে তরুণরা অনেক খুশি হবে। ব্লু ইকোনোমিতে আমাদের তরুণদের সম্পৃক্ত করতে পারলে খুবই ভালো হয়।

মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে বিরোধী দলের এই নেত্রী বলেন, আন্দোলনের মুখে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করা হয়েছে।কোটা বহাল করার জন্য আবার আন্দোলন হচ্ছে। তাই আমি মনে করি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাড়ানোর উচিৎ। প্রয়োজনে তাদের জন্য বিশেষ কোটা প্রনয়ন করা যেতে পারে।

পুলিশ বাহিনীর কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা যখন অবসরে যান তখন যেন তাদের ঠিক মতো রেশন দেয়া হয়।তারা আমাদের জন্য অনেক কষ্ট করেন। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত করতে অনুরোধ জানায়।

এছাড়া তিনির রাষ্ট্রপতিকে তিনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, দেশের সকল গণমাধ্যমগুলোকে ধন্যবাদ জানাই, ধন্যবাদ জানাই আমার সংসদীয় এলাকায় মানুষকে, যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৪ অক্টোবর এ অধিবেশন আহবান করেন। দশম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন ২১ অক্টোবর রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হয়। এ অধিবেশন দশম জাতীয় সংসদের ২৩তম ও শেষ অধিবেশন।

 

 

আরো পড়ুন : তফসিলের আগেই সংলাপে রাজি আওয়ামী লীগ

নয়া দিগন্ত অনলাইন, ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:১৩


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপে বসবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলে, সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দরজা সবার জন্য সব সময় খোলা। পার্টির পক্ষ থেকে আমরা জানিয়ে দিচ্ছি এই সংলাপে আমরা সম্মত। খুব শীঘ্রই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে এই সংলাপের স্থান ও সময় জানিয়ে দেয়া হবে।


সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজ আমি আপনাদের ও পুরো জাতিকে সারপ্রাইজ দেবো। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার সম্মতিক্রমে একটি সুখবর জানাবো। এ খবরে রাজনীতির মাঠে শান্তির বাতাস বইবে বলে মনে করি।’

পরে তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন একটি চিঠি দিয়েছেন। আজ মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী ও সভাপতি শেখ হাসিনা উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করেন। অনির্ধারিত এ বৈঠকে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতি সিদ্ধান্ত হয়েছে যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংলাপে বসবে। কারণ শেখ হাসিনার দরজা কারও জন্য বন্ধ থাকে না।’

এর আগে, রোববার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সংলাপে বসার জন্য চিঠি দেন গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে ড. কামাল হোসেন উল্লেখ করেন, ইতিবাচক রাজনীতি একটা জাতিকে কীভাবে ঐক্যবদ্ধ করে জনগণের ন্যায়সংগত অধিকার আদায়ের মূলশক্তিতে পরিণত করে- তা বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছেন। নেতিবাচক রুগণ-রাজনীতি কীভাবে আমাদের জাতিকে বিভক্ত ও মহাসঙ্কটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে, তাও আমাদের অজানা নয়। এ সঙ্কট থেকে উত্তরণ ঘটানো আজ আমাদের জাতীয় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ৭ দফা দাবি ও ১১ দফার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। একটি শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সবার অংশগ্রহণ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটি অর্থবহ সংলাপের তাগিদ অনুভব করছে এবং সে লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।

আরো পড়ুন: শুক্রবার ঢাকায় ঐক্যফ্রন্টের জনসভা

সিলেট ও চট্টগ্রামে সফল জনসভার পর এবার ঢাকায় জনসভা করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এদিকে  জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্যোগে নতুন কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কর্মসূচী মোতাবেক আগামী শুক্রবার (০২ নভেম্বর) বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের উদ্যোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় (ভিআইপি রোড) জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। সেইসাথে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনমতকে এক পয়সাও দাম দেননা। বরং এখন চলছে প্রতিবাদী বিশিষ্টজনদের ওপর স্টীম রোলার। নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।


এদিকে আজকে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। আর গণতন্ত্রের অন্তর্নিহিত সারবস্তু হচ্ছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। কিন্তু আওয়ামী লীগের সময় কাটে বিরোধীদের প্রতি বিদ্বেষ প্রদর্শন করে, অবিরাম কুৎসিত অসংযমী বাক্য বিলাসে। সন্ত্রাসের পরিচর্যা ও বিস্তার আওয়ামী লীগের চারিত্র্যধর্ম। মূলত: আওয়ামী লীগের ইতিহাস একটা ‘ক্রাইম স্টোরী’ ছাড়া আর কিছুই নয়। শুধু বিরোধী দলই নয়, সরকারবিরোধী সমালোচনায় দলনিরপেক্ষ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিপাকে ফেলার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে। দেশের জননন্দিত নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে বন্দী করে রাখা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়েই তারা ক্ষান্ত হয়নি-এখন চলছে প্রতিবাদী বিশিষ্টজনদের ওপর স্টীম রোলার। সরকারের পক্ষে কোন জনমত নেই বলেই ভোটারবিহীন সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বন্দুকের জোরে আদালতকে কব্জায় নিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিএনপির এই মুখপাত্র আরো বলেন, ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে গ্রেফতারের পরও হয়রানি ও নির্যাতনের তীব্রতা হ্রাস পায়নি। এখন চলছে প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ওপর হানাদারি আক্রমণ। ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের লোকজনদের জানমালের ওপর চলছে সরকারি ক্যাডারদের বেপরোয়া আগ্রাসন। তার গড়া প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি জনগণের, তারপরও এই প্রতিষ্ঠানের জায়গা-জমি দখল করতে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে দলীয় মাস্তানদের। বিনা অপরাধে র‌্যাবের গুলিতে পা হারানো গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র লিমনের ওপর আওয়ামী ক্যাডারদের কাপুরুষোচিত শারীরিক আক্রমণের দ্বারা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে তার হাত-পা।

এদিকে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে ঢাকায় ব্যাপক নেতা-কর্মীর উপস্থিতি ঘটাতে চায় ঐক্যফ্রন্ট


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat