১৮ নভেম্বর ২০১৮

আরেকবার সুযোগ দিন : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা - ফাইল ছবি।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা অনেক বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এসব প্রকল্পের কাজ শেষ করতে আরও কিছু সময় দরকার। জনগণ আমাদের ভোট দিলে আমরা সেই অসমাপ্তকাজগুলো শেষ করতে পারবো। আমাদেরকে আরেকবার সুযোগ দিন। তিনি বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কেমন হবে, কেমন বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই এটাই আমাদের চিন্তা। তাদের জন্য সুন্দর বাসযোগ্য দেশ হয় সেটার জন্যই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

সোমবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনে সংসদ নেতার বক্তব্যে এমন প্রত্যাশার কথাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নীত হব। ইতিমধ্যে আমরা জাতিসংঘ ঘোষিত উন্নয়ণশীল দেশের মর্যাদা দিয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি আসবে। এর জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা খুব দরকার। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সরকারের শেষ সময় এসে গেছে। এটা সংসদের শেষ অধিবেশন। যদি কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে বা যুদ্ধ-বিগ্রহ না ঘটে তাহলে এটাই শেষ অধিবেশন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামি নির্বাচনে জনগণ ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনলে আমরা দেশকে দারিদ্রমুক্ত করবো। তিনি বলেন, আমেরিকার মতো দেশে ১৮ শতাংশ দরিদ্র মানুষ আছে। আমাদের লক্ষ্য আমাদের দেশে দরিদ্রের হার আমেরিকার থেকেও নিচে নিয়ে আসতে পারবো। আর সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়াও অবম্ভব নয়।

১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ আমাদের পরিবারে সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। বিদেশে থাকার কারণেই হয়তো আমরা দুই বোন বেঁচে গিয়েছিলাম। আশা-ভরসা কিছু ছিল না। ছয় বছর রিফিউজির মতো জীবন কাটিয়েছিলাম। তবে দেশের প্রতি চিন্তা ছিল, কীভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো তা নিয়ে অনেক ভেবেছি। এখন সেগুলো বাস্তবায়ন করছি।

’৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসেছিলাম, তখন অনেক কাজ করেছিলাম। ২০০১ সালে নির্বাচনে না জিততে পারায় আমার অসমাপ্ত অনেক পরিকল্পনা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এরপর ২০০৮ সালে আবার আমরা ক্ষমতায় আসি। এখন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। দিন বদলের সনদ বাস্তবায়ন করে হচ্ছে। মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে পারছি। অবকাঠামো উন্নয়ন করছি, বাজেট সাতগুন বৃদ্ধি করেছি। নিজস্ব অর্থায়নে বেশিরভাগ বাস্তবায়ন করছি। বাংলাদশের মানুষের মাঝে আত্মমর্যাদাবোধ জেগেছে। পদ্মাসেতু নির্মাণ চ্যালেঞ্জ ছিল, সেটাও আমরা নিজের টাকায় করে চলেছি।

বঙ্গবন্ধুর উদ্বৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার সংগ্রাম সফল হয়েছে। এরপর থেকে আমাদের অর্থনেতিক স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কঠোর পরিশ্রম করে সৎ পথে থাকলে সেই যুদ্ধে সফল হওয়া সম্ভব। আমরা সেই পথেই হাটছি। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করাই আমাদের কর্তব্য।

শেখ হাসিনা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কবর বলেছিলাম। তখন আমাদের অনেক কটুক্তি করা হয়েছে। কিন্তু আমরা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি, দেশের ৯০ ভাগ এলাকায় ব্রডব্যান্ড দিয়েছি, ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১৫ কোটি সিম ব্যবহার হয়। দেশের মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছিল, আমরা তার মর্যাদা রেখেছি।


আরো সংবাদ

নির্বাচনী প্রার্থীদের নদী রার অঙ্গীকার মঙ্গলকর : তথ্যমন্ত্রী ধর্মহীন রাজনৈতিক দলের সাথে জোট করে কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় : সৈয়দ রেজাউল করীম লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করবে জাতীয় পার্টি : মহাসচিব রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর ড. কামাল : হানিফ নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়নি : বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি বিচারিক ক্ষমতা ছাড়া সেনাবাহিনী মোতায়েনের সফলতা নিয়ে সংশয় মহাজোটে ভিড়ছে ভুঁইফোড় দল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করবে নির্বাচন কমিশন : ওবায়দুল কাদের আ’লীগ-বিএনপি উভয় দলেই একাধিক প্রার্থী আওয়ামী লীগ-বিএনপিতে কোন্দল জামায়াত নীরবে চালাচ্ছে তৎপরতা বিভিন্ন স্থানে বিরোধী নেতাকর্মী গ্রেফতার অব্যাহত

সকল