২১ এপ্রিল ২০১৯

দশম সংসদের শেষ অধিবেশন বসছে আজ বিকেলে

জাতীয় সংসদ ভবন। - ছবি: সংগৃহীত

দশম জাতীয় সংসদের ২২তম আর বর্তমান সরকারের মেয়াদে শেষ অধিবেশন শুরু আজ রোববার। বিকেল ৫টায় অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে বিকেলে ৪টায় সংসদ ভবনে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে বিদায়ী অধিবেশনের সময়সূচি নির্ধারিত হবে। এ বৈঠকেই অধিবেশন কতদিন চলবে তা সিদ্ধান্ত হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

গত ১৯ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধিবেশন আহ্বান করেন। এর আগে গত ১২ জুলাই সংসদের ২১তম অধিবেশন শেষ হয়। ওই অধিবেশনের কার্যদিবস ছিল ২৫টি। সংবিধান অনুযায়ী একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে আরেকটি অধিবেশেন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে অক্টোবর মাস থেকে নির্বাচনের দিনক্ষণ গণনা শুরু হবে। এরইমধ্যে সরকারের সিনিয়র মন্ত্রীরা আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়েও একটা আভাস দিয়েছেন। ডিসেম্বরের শেষে একাদশ সংসদ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসেবে জরুরি কোনো প্রয়োজন না পড়লে এই অধিবেশনই চলতি সংসদের শেষ অধিবেশন হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে স্বল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হবে অধিবেশন।

অধিবেশনের শুরুতেই থাকছে বর্তমান সংসদের দু’জন সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা। কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী চলমান সংসদের কোন সংসদ সদস্য মারা গেলে তার ওপর শোক প্রস্তাবের আলোচনার পর সংসদ মুলতবি করতে হয়। সেই হিসেবে আওয়ামী লীগের এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা ও জাতীয় পার্টির মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে তাদের কর্মময় জীবন নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আলোচনা করবেন। প্রশ্নোত্তর ও অন্য সব কিছু টেবিলে উত্থাপন করা হতে পারে।

বর্তমান সরকারের বিদায়ী অধিবেশনে ২২টি বিল কার্যতালিকায় রয়েছে। এরমধ্যে ১১টি নতুন বিল রয়েছে। তাছাড়া তিনটি বিল পাসের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। কয়েকটি বিল পাস ছাড়া এই অধিবেশনে উল্লেখযোগ্য কিছু নেই। তবে বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন বিল, ২০১৮ এই অধিবেশনেই উত্থাপন করা হবে। আইনটি চূড়ান্ত করে সাজা ও জরিমানা বাড়ানো হয়।

এই দশম সংসদের মাধ্যমে অনেক সংসদ সদস্যের জীবনেরও শেষ অধিবেশন হতে যাচ্ছে। এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ (দিলু) প্রমুখ। এরা বয়সের কারণে আগামী নির্বাচনে থাকছেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat