২১ এপ্রিল ২০১৯

আগামী অর্থবছরে জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ৩৩২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা

-

আগামী (২০১৮-১৯) অর্থ বছরে জাতীয় সংসদের জন্য ৩৩২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট চূড়ান্ত করা হয়েছে। যা এই (২০১৭-১৮) অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা বেশি।
রোববার সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ সচিবালয় কমিশন বৈঠক শেষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বরাদ্দ অনুমোদনের তথ্য জানান।
বৈঠকে কমিশনের সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ অংশ নেন। বিশেষ আমন্ত্রণে চীপ হুইপ আ স ম ফিরোজ বৈঠকে যোগ দেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. আবদুর রব হাওলাদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সার্বভৌম প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদে সংশ্লি¬ষ্টদের বেতন-ভাতাসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রতিবছরই কমিশন বৈঠকে বাজেট বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এছাড়া সংসদ সচিবালয়ের নতুন পদ সৃষ্টি, প্রকল্প প্রণয়নসহ বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এবারো জাতীয় সংসদের জন্য ৩৩২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দের পাশাপাশি অন্যান্য প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত. চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সংসদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরে সংসদের জন্য বরাদ্দ ছিল ২৯৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তা ছিল ২০৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিলে ২১৯ কোটি টাকা।
স্পিকার জানান, কমিশন বৈঠকে সংসদ সচিবালয়ের কয়েকটি খাতে ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। অধিবেশন চলার সময়ে অতিরিক্ত খাটুনি (ওভার টাইম) ভাতা ৪৫০ টাকার স্থলে ৫০০ টাকা, অধিবেশন না থাকাকালীন ৩০০ টাকার জায়গায় ৩৫০ টাকা এবং অধিবেশন থাকাকালীন দুপুরের খাবার/ইফতার জন্য ১৫০ টাকার বদলে ২০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আপ্যায়ন খরচ ৫০ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা করা হয়েছে।
তিনি জানান, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ ও পদোন্নতি বিষয়ে সুনির্দ্দিষ্ট ও সমন্বিত প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে সংসদীয় কার্যক্রমকে গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, আগামী অর্থবছরের বরাদ্দের মধ্যে অনুন্নয়ন খাতের জন্য ২৯৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং উন্নয়ন খাতের জন্য ৩৪ কোটি ১০ লাখ টাকা রাখা হয়েছে।
যা চলতি বছরের থেকে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশী। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সংসদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরে সংসদের জন্য বরাদ্দ ছিল ২৯৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তা ছিল ২০৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিলে ২১৯ কোটি টাকা।

সংসদ লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, কমিশন বৈঠকে সংসদ লাইব্রেরির চলমান সংস্কার কাজের একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা দেখানো হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর লাইব্রেরির বইয়ের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। সংসদ নেতা গ্রন্থাগারে বইয়ের সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশেষ করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সংসদীয় রীতি-নীতি ও চর্চার ওপরে বই সংগ্রহ করার জন্য বলেছেন। বর্তমানে সংসদ গ্রন্থাগারে ৩৫ হাজার বই এবং ৪০ হাজার বিভিন্ন ধরনের নথি রয়েছে।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat