২৪ এপ্রিল ২০১৯

শিশুর ন্যাপি পাল্টাতে তার অনুমতি নেয়া প্রয়োজন!

শিশু
শিশুর ন্যাপি পাল্টাতে তার অনুমতি নেয়া প্রয়োজন! - সংগৃহীত

শিশুর ন্যাপি পরিবর্তন করা নিয়ে নেই কোনো বিতর্ক। হতে পারে এটি শিশুর বাবা-মায়ের জন্যে একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ ।তবে এই কাজটিতে রাজনৈতিক কোনো বিষয় আছে বলে কখনো নিশ্চয়ই ভাবেনি। কোনো আলোচনা ছাড়াই এ কাজটি মা-বাবা'রা করে থাকেন।

কিন্তু এসব কিছুই পাল্টে গেছে যখন কিনা একজন যৌন বিষয়ক প্রশিক্ষক বললেন যে, শিশুদের ন্যাপি পরিবর্তন করার আগে তাদের অনুমতি নেয়া দরকার।

মে মাসের ৮ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার এবিসি টেলিভিশনে একটি অনুষ্ঠানে ডিয়ান কারসন সেই প্রশিক্ষক জানান যে, পরিবার থেকেই অনুমতি নেবার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে তিনি বাবা-মায়েদের সাথে কাজ করছেন।

আর সেখানে তিনি শেখাচ্ছেন যে, নবজাতক শিশুদেরকে যেন তাদের মা-বাবা বলেন যে, ‘আমি এখন তোমার ন্যাপি পরিবর্তন করবো, ঠিক আছে?’

মিজ কারসন এরপর বলছেন যে, ‘অবশ্যই একটি শিশু প্রতিউত্তরে বলবে না যে ‘হ্যাঁ মা, খুব আনন্দের সাথেই তুমি তা করতে পারো’।

‘তবে যদি এই প্রশ্নের পর আপনি কিছুটা সময় অপেক্ষা করেন। আপনার শরীরী ভাষায় তা ফুটিয়ে তুলতে পারেন এবং শিশুর চোখে চোখ রাখেন, তাহলে হয়তো শিশুকে আপনি বোঝাতে পারবেন যে তার প্রতিক্রিয়ার একটি মূল্য আছে।’

এই টেলিভিশন অনুষ্ঠানের পর থেকে ডিয়ান তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেতে শুরু করেন।

কেউ কেউ কটাক্ষ করে ন্যাপি পরিবর্তনকে ‘রাজনৈতিকভাবে ভুল কাজ’ বলেও মন্তব্য করতে থাকেন।

কারো মন্তব্য থাকে যে, শিশুরা জন্মের প্রথম ৬ মাস কারো চেহারাই সঠিকভাবে চিনতে পারে না।

সেখানে তাদের শরীরী ভাষায় অনুমতি নেবার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ।

কিন্তু মিজ ডিয়ান বিবিসিকে বলেন যে, তার কথা হয়তো অনেকে ভুল অর্থ করেছেন। শিশুদের কথা বলার ক্ষমতা হয়তো নেই।

কিন্তু তাদের সাথে কথা বলে এবং শরীরী ভাষায় শুরু থেকেই একধরনের যোগাযোগ সৃষ্টি করার প্রতি গুরুত্ব দেবার পক্ষপাতী তিনি।

শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে এমন একটি সংগঠনের হয়ে কাজ করে থাকেন ডিয়ান কারসন।

তিনি বলেন যে, অনেক বাবা-মা’ই তাদের শিশুদের সাথে কথা বলেন তাদের পছন্দ এবং অপছন্দের বিষয়ে।

তিনি বলেন, ‘প্রায়শই মানুষ শিশুদের সাথে কথা বলে। আর এতে করেই শিশুদের ভাষা শিক্ষা হয়।’ তার মতে যদি শিশুরা এমন পরিবেশে বড় হয় যেখানে তাদের মতামত এবং শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত হয়- তাহলে তারা ভবিষ্যতের সম্পর্ক তৈরির মূল্যবোধ নিয়েই বেড়ে হঠে।

তাই ন্যাপি পরিবর্তনে শিশুর অনুমতি নেবার মধ্য দিয়ে শিশুকে যোগাযোগ আর অনুমতি নেবার সংস্কৃতির শিক্ষাই দেয়া হয় বলে মত দেন ডিয়ান।

যদিও বেশিরভাগ মা-বাবাই নোংরা হয়ে গেলে যত দ্রুত সম্ভব ন্যাপি পরিবর্তন করে ফেলতে চায়।

সূত্র: বিবিসি


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat