০৭ ডিসেম্বর ২০১৯
টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ক্রয় থেকে নিধন- প্রতি ধাপে দুর্নীতি

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ক্রয় থেকে নিধন প্রতিপদে দুর্নীতি - ছবি : সংগৃহীত

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থাকলেও জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া হয়নি। অনিয়ম ও দুর্নীতির উদ্দেশ্যে কীটনাশক ক্রয়ে যথাযথভাবে সরকারি ক্রয় আইনও অনুসরণ করা হয়নি।‘ঢাকা শহরে এডিশ মশা নিয়ন্ত্রণে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

তারা জানায়, বিক্ষিপ্তভাবে লোক দেখানো অকার্যকর কার্যক্রম গ্রহণ এবং সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সীমাবদ্ধতা, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সারা দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে যা লক্ষাধিক মানুষের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া এবং দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর কারণ।

একইভাবে এডিশ মশা নিধনে মানহীন কীটনাশক ব্যবহার, ডেঙ্গুর প্রকৃত চিত্র চিহ্নিত, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি এবং ক্রয় থেকে নিধন পর্যন্ত প্রতিপদে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বুধবার দুপুরে রাজধানীর টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

মাঠ পর্যায়ের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অনিয়ম
কীটনাশক ও ফগার মেশিনের জ্বালানি ব্যবহার না করে বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়। লার্ভিসাইড ব্যবহার না করে ফেলে দেয়া হয়। ভবনের নিচ তলায় বা গ্যারেজে ফগিং করার জন্য টাকা নেয়া হয় ৫০ থেকে ২০০ টাকা দিতে হয়। দুই সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরাধের জন্য অংশগ্রহণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।


আরো সংবাদ




Paykwik Paykasa
Paykwik