২০ নভেম্বর ২০১৯

শাবির বঙ্গবন্ধু হলে মধ্যরাতে ছাত্রলীগের সশস্ত্র মহড়া

শাবির বঙ্গবন্ধু হলে মধ্যরাতে ছাত্রলীগের দুইগ্রুপের সশস্ত্র মহড়া
শাবির বঙ্গবন্ধু হলে মধ্যরাতে ছাত্রলীগের দুইগ্রুপের সশস্ত্র মহড়া - ফাইল ছবি

নবাগত ছাত্রকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের সমর্থক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ হোসেন রনি ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে উভয়পক্ষ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বঙ্গবন্ধু হলে মহড়া দেয়।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, গত বুধবার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের অনুসারী লোক প্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের হৃদয় নামের এক শিক্ষার্থী পরিচিত হওয়ার নামে রনি-সাখাওয়াত গ্রুপের নবাগত এক শিক্ষার্থীকে চড়-থাপ্পড় দেয়। পরে বিষয়টি রনি সাখাওয়াত গ্রপের জুনিয়র কর্মীরা জানতে পেরে বঙ্গবন্ধু হলে হৃদয়ের কক্ষে গিয়ে হৃদয়কে লাঞ্ছিত করে।

তবে জুনিয়র কর্তৃক লাঞ্ছিতের বিষয়টি ইমরান খানের অনুসারীরা জানার পর শুক্রবার রাতে তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে একই হলের ৫০১৬ নম্বর কক্ষে রনি-সাখাওয়াত গ্রুপের জুনিয়রদের মারধর করতে যায়। কক্ষের দরজা ভেতর থেকে আটকানো থাকায় ঐ কক্ষের জানালা ভাংচুর করে তারা। খবর পেয়ে রনি-সাখাওয়াত গ্রুপের অনুসারীরাও অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ইমরান খানের অনুসারীদের মারধর করতে যায়। এসময় ককটেল বিস্ফোরণেরও ঘটনা ঘটে।

এদিকে মধ্যরাতে অস্ত্রের মহড়া আর ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন হলটির শিক্ষার্থীরা। ঘন্টাব্যাপী উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও সশস্ত্র মহড়া চললেও প্রশাসনের কাউকে সেখানে দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা রাতেই বসেছি। বিষয়টির সমাধান হয়েছে। তবে অপর গ্রুপের নেতা শাখা ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন বলেন, জুনিয়রদের মারধর করায় এ ঘটনা ঘটেছে। ইমরান খানের অনুসারীরা ককটেল ফাটিয়েছে। একটা ঘটনার সমাধান হওয়ার পরও রুমের জানালা ভাংচুর করেছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এস এম হাসান জাকিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।


আরো সংবাদ