২৫ আগস্ট ২০১৯

কাশ্মির নিয়ে বিজেপির নোংরা খেলার প্রেক্ষাপট

-

পুরো বিশ্ব থেকেই কার্যত এখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে কাশ্মির। ফোন, ইন্টারনেট এমনকি চিঠি সরবরাহও বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারত-শাসিত কাশ্মিরকে বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে পরিস্থিতি সামাল দিতে মোদি সরকার এ অবস্থা সৃষ্টি করে রেখেছে এ অঞ্চলে। কাশ্মিরের বাইরে থাকা কাশ্মিরি জনগণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। তারা পরিবারসহ কারো সাথেই যোগাযোগ করতে পারছে না। অন্য দিকে, এ মুহূর্তে আসলে কী হচ্ছে সে তথ্য নিয়েও তৈরি হয়েছে গোলকধাঁধা। জানা যাচ্ছে না সেখানকার পুরো পরিস্থিতির প্রকৃত রূপ। গণমাধ্যমে কি সব খবর উঠে আসছে? এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। গত রোববার সন্ধ্যায়ই বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয় টেলিফোন, মোবাইল ও ইন্টারনেটের সংযোগ।

এদিকে কাশ্মিরের জনগণকে সব প্রকার সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হলেও সেখানে অভিযানে থাকা সেনা ও পুলিশ সদস্যরা স্যাটেলাইট ফোনের মাধ্যমে তাদের যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। পুলিশের একাধিক সূত্র বলেছে, কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের কাছে স্যাটেলাইট ফোন ও বিশেষ মুঠোফোন সেট সরবরাহ করা হয়েছে। ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ কাশ্মির রাজ্যকে বিশেষ ধরনের স্বায়ত্ত শাসন ভোগ করার সুযোগ দিত, ফলে তারা নিজস্ব সংবিধান, আলাদা পতাকা ও আইন প্রণয়নের অধিকার রাখত। বিজিপি সরকার নির্বাচনের আগে বলেছিল, তারা ক্ষমতায় গেলে এই ধারা বাতিল করবে। যার ফলে কাশ্মির যে স্বায়ত্ত শাসনের মর্যাদা ও নিজস্ব স্বাধীন সত্তার চর্চার দাবি রাখত তা আর রইল না। এ কারণেই এই ধারা বাতিলের বিপক্ষে কাশ্মিরের জনগণ।

একই সাথে ভারতের বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন, ব্যক্তিরাও এই অনুচ্ছেদ বাতিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু মোদি সরকার ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের সব আয়োজন করতে ১১ দিন ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কাশ্মিরের জনগণ যাতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে না পারে, এ জন্য সেখানে অবস্থানরত নিয়মিত সেনাদের পাশাপাশি আরো বিপুল সেনা মোতায়েন করা হয়। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৪৩ হাজার সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েন করা হয়। ভারতীয় বিমানবাহিনীর বোয়িং সি-১৭ গ্লোবমাস্টার উড়োজাহাজে করে এই জওয়ানদের সারা দেশ থেকে কাশ্মিরে নেয়া হয়।

ভারত-শাসিত কাশ্মিরে ঠিক কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র জল্পনার মধ্যেই ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও গোয়েন্দা প্রধানদের সাথে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন। গত ১০ দিনে কাশ্মিরে প্রায় বাড়তি ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন এবং তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের সরিয়ে নেয়ার পর কাশ্মিরে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। শ্রীনগর থেকে সাধারণ মানুষ ও জানিয়েছে, এমন ‘মানসিক নির্যাতনে’র মুখে তারা কখনও পড়েনি। দিল্লিতে সামরিক পর্যবেক্ষক বা নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও কাশ্মির নিয়ে নির্দিষ্টভাবে কিছু পূর্বাভাস দিতে পারছে না, তবে সাঙ্ঘাতিক বড় কিছু একটা ঘটতে চলেছে বলেই তাদেরও অনুমান। গত ৭২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় ধরে ভারত-শাসিত কাশ্মিরের শ্রীনগর উপত্যকায় যে ধরনের থমথমে উত্তেজনা আর আতঙ্ক বিরাজ করছে, তা রীতিমতো নজিরবিহীন। কাশ্মিরে বাড়তি ৫০ হাজার সেনা ঠিক কী করতে আনা হলো, কেন অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের বা গুলমার্গ-পহেলগাম থেকে পর্যটকদের হুড়োহুড়ি করে ফেরত পাঠানো হলো- এসব প্রশ্নকে ঘিরে উত্তাল হয়ে রয়েছে কাশ্মিরের জনমন।

কাশ্মির ইউনিভার্সিটির সিনিয়র প্রফেসর ও শিক্ষাবিদ ড. হামিদা বিবিসিকে বলছিলেন, ‘ভয়ে আতঙ্কে আমরা তো হতবাক।’ তিনি বলেন, গত কদিন ধরে কাশ্মিরিদের যে ধরনের মনস্তাত্ত্বিক স্ট্রেস ও ট্রমার ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে, তাতে অনেকেই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এই ক্ষতি অপূরণীয়। কেনই বা বাড়তি দুই লাখ সৈন্য এলো, কেনই বা তীর্থযাত্রী বা ট্যুরিস্টদের জোর করে বাসে তুলে সরিয়ে নেয়া হলো তার কোনো জবাবই পাচ্ছি না আমরা। শোকবিহ্বল কাশ্মির যেন একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত প্রান্তরের চেহারা নিয়েছে, শ্রীনগর এখন খাঁখাঁ করছে, বলছিলেন প্রফেসর বানো। এই অনিশ্চয়তার পটভূমিতেই দিল্লিতে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দীর্ঘ বৈঠক করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, র-এর প্রধান সামন্ত গোয়েল, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-র অধিকর্তা অরবিন্দকুমারসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের সাথে।

ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের দিক থেকে বড় মাপের কোনো অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে পুলওয়ামার ধাঁচে আরেকটি বড় উগ্রবাদী হামলা চালানোর চেষ্টা চলছে বলেও তাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য আছে। দিল্লিতে ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজের কর্ণধার ও সাবেক মেজর জেনারেল দীপঙ্কর ব্যানার্জিও বিশ্বাস করেন, ‘কাশ্মিরে অবশ্যই বড় কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে, যদিও সেটা ঠিক কী এখনো জানা নেই।’ ‘নইলে এত বাড়তি সেনা সেখানে নিয়ে যাওয়া বা উচ্চপর্যায়ে এমন জরুরি বৈঠকের দরকার পড়ত না।’ ‘হয়তো বড় কোনো হামলার খুব বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আছে, সে জন্যই তীর্থযাত্রীদের এভাবে সরানো হলো। কাশ্মিরে কোর কমান্ডারের কথাতেও সেই ইঙ্গিত মিলেছে।’

আবার এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক যোগসূত্রও থাকতে পারে। কাশ্মিরে স্থানীয় নির্বাচন করাতে হবে, বিধানসভা নির্বাচনও সামনেই। আর সেখানে বিজেপির কাশ্মির অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের আগে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বাড়তি সেনা নিয়ে আসা হলো, সেটাও একটা ব্যাখ্যা হতে পারে মনে করছেন ভারতীয় সেনার অবসরপ্রাপ্ত ওই শীর্ষ কর্মকর্তা। সরকার কাশ্মিরে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ধোঁয়াশা রাখলেও সোশ্যাল মিডিয়াতে দুটো সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো আলোচনা চলছে। এক, বিজেপির বহু পুরনো নীতি অনুসারে সংবিধানের যে ৩৭০ ধারা কাশ্মিরকে বিশেষ মর্যাদা দেয় তা অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে রাতারাতি বিলোপ করা। আর দুই, রাজ্যটিকে জম্মু, কাশ্মির ও লাদাখ- এই তিন ভাগে ভাগ করে ফেলা, যাতে কাশ্মিরের স্বতন্ত্র স্বীকৃতি আপনা থেকেই বাতিল হয়ে যায়।

দিল্লি ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক উজ্জ্বলকুমার সিং বিবিসিকে বলছিলেন, ‘সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণে পার্লামেন্টে সাধারণ গরিষ্ঠতা থাকলেই কিন্তু একটা রাজ্যকে ভেঙে দুই বা তিন টুকরো করা যায়, যদি কোনো সরকার তা চায়।’ কিন্তু কাশ্মিরের ক্ষেত্রে বিষয়টা তো আইনি সিদ্ধান্ত নয়, একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। তারপরও সেখানে যে পরিমাণ বিল্ডআপ হয়েছে, তাতে এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। আর একটা জিনিস হলো, তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের সরিয়ে নেয়ার পর কাশ্মির উপত্যকায় শুধু এখন কাশ্মিরিরাই রয়েছেন।’ ‘ভারতের নাগরিক হিসেবে তাদের নিরাপত্তার প্রতিও রাষ্ট্র সমান যতœবান হবে এটাই আশা করা উচিত। কিন্তু সেই ছবিটা আমরা দেখতে পাচ্ছি না’, বলছেন অধ্যাপক সিং। ফলে কাশ্মির ভ্যালির প্রায় ৭০ লাখ মানুষ এখন দিন কাটাচ্ছেন চরম এক অনিশ্চয়তা আর অজানা আতঙ্কেই।

গত সপ্তাহ থেকেই গোটা কাশ্মির উপত্যকা নিñিদ্র নিরাপত্তা কার্যকর করা হয়েছে। বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ধাপে ধাপে মোট ৩৫ হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবারই পর্যটক ও অমরনাথ যাত্রীদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাশ্মির ছাড়ার নির্দেশিকা জারি করেছেন জম্মু-কাশ্মিরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। রাজ্যের প্রায় সর্বত্র চলছে কড়া তল্লাশি, নাকা, টহলদারি। এ পরিস্থিতিতে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে গোটা উপত্যকায়। সংবিধানের ৩৫এ বা ৩৭০ ধারা তুলে দেয়া থেকে শুরু করে জম্মু এবং কাশ্মিরকে আলাদা রাজ্য ঘোষণা, ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলনের মতো জল্পনা ঘিরে চাপা উত্তেজনা। কাশ্মিরের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ৩৫এ ধারা তুলে নেয়া হচ্ছে না বলে রাজ্যপালের বিবৃতির পরও সেই উত্তেজনা- উৎকণ্ঠা কমেনি।

এর বাইরে উপত্যকায় জঙ্গি হানার সতর্কতাও রয়েছে। অমরনাথ যাত্রার পথে উদ্ধার হয়েছে স্নাইপার রাইফেল, বিস্ফোরক ও ল্যান্ডমাইন। কেরন সেক্টর দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিমের (ব্যাট) পাঁচ সদস্যকে গুলি করে মেরেছে ভারতীয় সেনা। তাদের লাশ ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে পাকিস্তানকে। ইসলামাবাদ এখনো কোনো সাড়া দেয়নি। তার মধ্যেই কেরন সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চলছে গুলিবিনিময়। সেনা সূত্রে খবর, ২৯ থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সীমান্তে একাধিক অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। পাকিস্তান থেকে ইতোমধ্যেই উগ্রবাদীরা কাশ্মিরে ঢুকে পড়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার ওপর গোয়েন্দা সূত্রে জানানো হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামার মতো ফের বড়সড় হামলার ছক কষেছে পাক উগ্রবাদীরা।

এসব মিলিয়ে উপত্যকায় চূড়ান্ত কোনো পরিস্থিতির পূর্বাভাস। চরম আতঙ্ক-উৎকণ্ঠা-উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উপত্যকার সাধারণ মানুষ। তার মধ্যেই রোববার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসলেন অমিত শাহ। অজিত দোভাল ছাড়াও বৈঠকে যোগ দেন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধান অরবিন্দ কুমার, র-এর প্রধান সামন্ত গোয়েল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব গৌবাসহ নিরাপত্তা বিষয়ক প্রায় সব বিভাগের পদস্থ কর্তারা। কেন্দ্রের বিভিন্ন সূত্রে খবর, কাশ্মির পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বৈঠক। এই বৈঠকের খবর ছড়াতেই নতুন করে উঠে আসতে শুরু করেছে নানা সম্ভাবনার জল্পনা। চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত স্থির করতে এবং তা সম্পাদনের রূপরেখা তৈরি বা কাশ্মিরের সামগ্রিক পরিস্থিতির মোকাবেলায় রণকৌশল সৃষ্টি করতেই কি এই বৈঠক জল্পনা সব মহলে।

এদিকে ভারত সরকারের বিশেষ সতর্কাবস্থার মধ্যে কাশ্মির নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ‘ডনের’ উর্দু সংস্করণে বলা হয়, রোববার বেলা ৩টায় পাকিস্তানের জাতীয় সুরক্ষা কমিটির সাথে বৈঠকে বসেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। ইমরান খানের তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ফেরদৌস আশেক আওয়ান এক টুইটবার্তায় বলেন, কাশ্মির সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর তৎপরতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সুরক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। তিনি জানান, জাতীয় সুরক্ষা কমিটির বৈঠকে কাশ্মির পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ আলোচনা হবে। এদিকে কাশ্মির বিষয়ে সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সকাল ৯টায় নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির সাথে কাশ্মির বিষয়ে মতবিনিময় করবেন তিনি।

অমরনাথমুখী হিন্দু তীর্থযাত্রীদের ওপর উগ্রবাদীদের হামলা হতে পারে এমন গোয়েন্দা রিপোর্ট পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব তীর্থযাত্রীদের কাশ্মির ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকার। ভারতের সেনাবাহিনীর দাবি, কাশ্মিরের বিদ্রোহীদের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত এম-২৪ স্নাইপার রাইফেলের একটি বড় ভাণ্ডার জব্দ করেছে তারা। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তীর্থযাত্রায় সম্ভাব্য ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমন তথ্য পাওয়ার পরদিন এই অস্ত্রভাণ্ডার জব্দ করা হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।


আরো সংবাদ

জামালপুরের ডিসির নারী কেলেঙ্কারির ভিডিও ভাইরাল, ডিসির অস্বীকার (২৮৪৮১)কাশ্মিরে ব্যাপক বিক্ষোভ, সংঘর্ষ (১৫২৬৫)কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন নোবেল (১৪৮৭৭)কাশ্মির প্রশ্নে ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে ধাঁধায় ভারত! (১৪৩৫০)৭০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ভারতের অর্থনীতি (১২৩৭৩)নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ : দুঘর্টনার নেপথ্যে মোটর সাইকেল! (১১৪৭৩)নিজের দেশেই বিদেশী ঘোষিত হলেন বিএসএফ অফিসার মিজান (১১০৪৫)সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশী নিহত (১০৫১৬)কাশ্মির সীমান্তে পাক বাহিনীর গুলিতে ভারতীয় সেনা নিহত (৯৫০৯)চুয়াডাঙ্গায় মধ্যরাতে কিশোরীকে অপহরণচেষ্টা, মামাকে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতক নিহত (৯৩৯৫)



mp3 indir bedava internet