২৩ আগস্ট ২০১৯

ট্রাম্পের কাছে প্রিয়ার নালিশ

-

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা ওরফে প্রিয়া বালা বিশ^াস কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে সরাসরি নালিশের ঘটনা মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় তুলেছে। তিনি মহিলা ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের বামপন্থী রাজনীতির সাথে ছিলেন সম্পৃক্ত।

গত ১৬ জুলাই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সাথে বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন। প্রিয়া সাহাও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে কথা বলার সুযোগ পান। দেশগুলো হচ্ছে- মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড, ইয়েমেন, চীন, কিউবা, ইরিত্রিয়া, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, সুদান, ইরাক, আফগানিস্তান, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ইরান ও জার্মানিসহ প্রভৃতি।

এতে ‘বাংলাদেশী’ পরিচয়ে প্রিয়া সাহা উপস্থিত হয়ে ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে তিন কোটি ৭০ লাখ হিন্দু-বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। এখন সেখানে এক কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।’

একপর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই সহানুভূতিশীল হয়ে প্রিয়া সাহার সাথে হাত মেলান। এ সময় ট্রাম্প প্রশ্ন করেন, ‘কারা জমি দখল করেছে, কারা বাড়িঘর দখল করেছে?’

ট্রাম্পের প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়া সাহা বলেন, ‘তারা মুসলিম মৌলবাদী গ্রুপ এবং তারা সব সময় রাজনৈতিক আশ্রয় পায় (নয়া দিগন্ত, ২০ জুলাই, ২০১৯)। মার্কিন টিভি চ্যানেল এবিসি নেটওয়ার্কের চ্যানেল এবিসি ফোর ট্রাম্পের সাথে প্রিয়া সাহার সেই সাক্ষাৎকারের ভিডিও প্রকাশ করার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সেটি।

প্রিয়া সাহার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘এসব পুরোপুরি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক। কথা হচ্ছে, এ ধরনের অভিযোগ (সংখ্যালঘু নির্যাতন) বাংলাদেশের কোনো মানুষই বিশ্বাস করবে না; করেও না। কারণ, এ দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার। ভিডিওতে যে মহিলাকে কথা বলতে দেখা গেছে, তিনি তো আমাদের কাছে এসে এমন দুঃখের কথা কোনো দিন বলেননি। পুলিশ প্রশাসন সবসময় সজাগ থাকে যেন দেশের কোনো জায়গায় সংখ্যালঘুরা কোনোভাবে অত্যাচারিত না হয়। নিশ্চয়ই এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য আছে। আর তিনি যে বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া ও জমি কেড়ে নেয়ার কথা বলেছেন, সেটা কোথায় হয়েছে, বলুক। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে’ (বাংলা ট্রিবিউন, ১৯ জুলাই, ২০১৯)

এ দিকে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার রাজধানীর মেরুল বাড্ডা বৌদ্ধমন্দিরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, প্রিয়া সাহার অভিযোগ ঠিক নয়। বাংলাদেশ ধর্মীয় সহিষ্ণুতার নিদর্শন। বাংলাদেশ নিয়ে প্রিয়া সাহার ‘মিথ্যা অভিযোগে’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম। নিজের ফেসবুক পেজে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রিয়া সাহা কেন এমনটি করলেন, তার অভিযোগগুলোও সরকার শুনবে এবং খতিয়ে দেখবে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পও জানেন, তার কাছেও মিথ্যা অভিযোগ করা হয়। মার্কিন প্রশাসন তাদের এখানকার দূতাবাসের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত তথ্য পেয়ে থাকে এবং আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগে থাকি।

যে প্রিয়া সাহা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নালিশ করছেন, তার স্বামী প্রজাতন্ত্রের দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের উপপরিচালক। প্রিয়া সাহার বক্তব্যের অসারতা প্রমাণের জন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে একটি নিবিড় জরিপ চালানো দরকার। প্রশাসন, বিচার, আইন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিভাগে এবং পুলিশ, আনসার, সীমান্তরক্ষী, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীতে কতজন সংখ্যালঘু উচ্চপদে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন তার সর্বশেষ তালিকা জনসমক্ষে আসা দরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে প্রিয়া সাহা এক সাথে কয়েকটা উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চেয়েছেন বলে অনুমিত হয়।

প্রথমত, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র যেখানে প্রিয়া সাহার জন্ম, বেড়ে উঠা, পড়ালেখা, জীবিকার্জন, ‘শারি’ নামে এনজিও পরিচালনা, স্বামী ও সংসার, সেই দেশের বিরুদ্ধে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করেছেন এবং বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

দ্বিতীয়ত, সংখ্যালঘুদের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, জমি দখল, বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ- এ জাতীয় কোনো ঘটনা বাস্তবে ঘটে থাকলে তিনি তার ফোরাম থেকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের গোচরীভূত করতে পারতেন; তথ্য-উপাত্ত নিয়ে হাইকোর্টে রিট করতে পারতেন। কিন্তু তিনি বহির্বিশে^ ইস্যুটা তুলে বাংলাদেশের ভাবমর্যাদা বিনষ্ট করলেন।

তৃতীয়ত, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা বর্তমান সরকারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সরকার তাদের রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে এই সংগঠনকে ব্যবহার করে থাকে। এর সভাপতি অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধ বিচারার্থে গঠিত, ট্রাইব্যুনালে সরকার নিযুক্ত প্রসিকিউটর। প্রিয়া সাহার কথায় সরকার বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। চতুর্থত, প্রিয়া সাহার বাবার বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার চরবানিয়ারী গ্রামে। সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুবিধা অর্জনের চেষ্টায় রয়েছেন বলে পিরোজপুরের সাংবাদিক মহল ও এনজিও সেক্টরের ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন।

তার দুই মেয়ে প্রজ্ঞা পারমিতা সাহা ও ঐশ্বর্য লক্ষ্মী সাহা যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করছেন। পিরোজপুরের এক এনজিও কর্মী বলেন, হয়তো নিজের মেয়েদের গ্রিনকার্ড পাইয়ে দেয়ার জন্য প্রিয়া সাহা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন (ইত্তেফাক, ১৯ জুলাই, ২০১৯)। তার নিজের অথবা স্বামীর এমন কী আয় রয়েছে, যার মাধ্যমে তাদের দ্ইু মেয়েকে আমেরিকা বিশ^বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করাচ্ছেন, এমন প্রশ্ন অনেকে তুলছেন।

পঞ্চমত, এই মন্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের দলিত সম্প্রদায় নিয়ে তিনি ‘শারি’ নামে যে এনজিও পরিচালনা করেন, তার জন্য বৈদেশিক সাহায্যের পথ খুলে যেতে পারে। অনেকে তার প্রতি হয়তো সহানুভূতিশীল হবেন। ষষ্ঠত, চরম মুসলিমবিদ্বেষী প্রেসিডেস্ট ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা নালিশ করে তিনি বিশ^ব্যাপী সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প উসকে দিতে চেয়েছেন। সপ্তমত, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে মাঝে মধ্যে দেশে যেসব কথা বলেন, প্রিয়া সাহার বক্তব্যে তার প্রতিধ্বনি পাওয়া গেছে। প্রিয়া সাহার ‘ডিজঅ্যাপিয়ার’ ও অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্তের ‘মিসিং পিপল’-এর মধ্যে বেশি ফারাক নেই। নিরাপত্তাহীনতার কারণে ফরিদপুরের হিন্দুরা দেশ ত্যাগ করছেন- এমন বক্তব্য দেয়ায় ২০১৫ সালে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক রানা দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে নোটিস ইস্যু করেছিলেন। এসব ব্যাপারে সরকারের অবস্থান অবিলম্বে স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

দুনিয়াবাসী জানে, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পাদপীঠ। এখানে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নেই। এ দেশে আরএসএস বা বজরং দলের মতো উগ্র সাম্প্রদায়িক সংগঠন নেই। এখানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান, পাহাড়ি বাঙালি সবাই শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে আসছে। কদাচিৎ কোনো সহিংস ঘটনা ঘটে থাকলে, তা বিচ্ছিন্ন ব্যাপার। ধর্মচর্চা, ধর্মানুশীলন, শিক্ষার্জন ও চাকরির ক্ষেত্রে কোনো ভেদ-বৈষম্য নেই এ দেশে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর ও বিভাগের স্তরে স্তরে বহু সংখ্যালঘু কর্মকর্তা উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন অবাধে। সংখ্যালঘুভুক্ত বিভিন্ন সম্প্রদায় আলাদা আলাদাভাবে মোট জনসংখ্যার কত পার্সেন্ট আর চাকরিতে তাদের অবস্থান কী, এখন এ প্রসঙ্গটি তোলা অসঙ্গত হবে না।

রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, পাকিস্তানের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ’৪৭-এর দেশভাগের পর অবিভক্ত পাকিস্তানে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী ছিল ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ। ’৭১ সালের পর তা কমে ১৯ থেকে ২০ শতাংশে নেমে আসে। আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১১ সালের সর্বশেষ জরিপে, ওই হার ৯ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থনীতিতে একে বলা হয় ‘মিসিং পিপল’ আর বাংলায় একে ‘নিরুদ্দিষ্ট বা হারিয়ে যাওয়া জনগোষ্ঠী’ হিসেবে অভিহিত করা হয় (প্রথম আলো, ২০.৭.১৯)।

’৪৭-এর দেশভাগের পর নানা কারণে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী বিশেষত হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ভারতে আশ্রয় নিতে থাকেন। তদানীন্তন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হিন্দুবিদ্বেষ, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙা নিয়ে উত্তেজনা, বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিবেশ প্রভৃতি এর কারণ। ধর্মীয় ও জনসংখ্যাগত কারণে ‘সনাতন ধর্মাবলম্বী’রা ভারতকে অধিকতর নিরাপদ মনে করেন। ওপারে তাদের অনেক আত্মীয়স্বজন রয়েছেন। তথ্য নিলে স্পষ্ট হবে, বাংলাদেশের অপেক্ষাকৃত অবস্থাসম্পন্ন হিন্দু জনগোষ্ঠীর সন্তানরা ভারতের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে থাকেন। অনেক পরিবারের একাধিক সদস্য সে দেশে জমি কিনে বাড়ি করেছেন এবং চাকরি ও ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন। তবে তারা কেবল নিরাপত্তার অভাবে দেশ ছেড়েছেন, এ কথা ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে স্বেচ্ছা উদ্যোগের ঘটনা বেশি। এমন নজিরও আছে যে, সারা জীবন এই দেশে চাকরি করে অবসর নেয়ার পর পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্রাচ্যুয়িটির অর্থ নিয়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন।

সম্প্রদায়, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কোনো নাগরিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন এটা আমাদের কারো কাম্য নয়। যে ধর্মেরই লোক হোন, কেউ যদি কারো জমি দখল করে, বাস্তুভিটা উচ্ছেদ করে, গৃহে অগ্নিসংযোগ করে, ভীতিসঞ্চার করে, নারীদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে এবং দেশত্যাগে বাধ্য করে, তাহলে আইন অনুযায়ী অপরাধীর কঠোর বিচার হতে হবে। আমরা চাই, আইনের শাসন সমুন্নত এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা অটুট থাকুক। আমাদের সংবিধানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকারের স্বীকৃতি রয়েছে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়ি ও সমতলবাসী নির্বিশেষে প্রত্যেকেই এই দেশের স্বাধীন নাগরিক। আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। বহুত্ববাদী সমাজ (Pluralistic Society) আমাদের বৈশিষ্ট্য। বৈচিত্র্যের মাঝে সংহতি আমাদের বজায় রাখতে হবে। গুটিকয়েক ব্যক্তির মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। তাদের অনেকে ‘ওপরেরটাও খায় তলারটাও কুড়ায়’।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, ওমরগণি এমইএস কলেজ, চট্টগ্রাম।


আরো সংবাদ




mp3 indir bedava internet