২৪ আগস্ট ২০১৯

মানবপাচার রোধে সফলতা সীমিত

২০১৮ সালে চার হাজার ৫০০ মানুষ ইউরোপ যাওয়ার ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে মারা গেছেন - ছবি : সংগৃহীত

মানবপাচার আন্তঃদেশীয় সমস্যা এবং একটি ঘৃণ্যতম সামাজিক অপরাধ। বলপূর্বক শ্রম আদায় শোষণের একটা আদিম পদ্ধতি। দাসত্ব প্রথার নতুন নাম ‘মানবপাচার’। বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে কোটি কোটি ডলারের যৌন বাণিজ্যের লোভনীয় মার্কেট। ২০১৪ সালের আইএলও রিপোর্ট অনুসারে, বছরে ১৫০ বিলিয়ন ডলার মানবপাচার থেকে ‘আয়’ হয় এবং ৯৯ বিলিয়ন ডলার যৌন ব্যবসা থেকে আসে। বাংলাদেশেও রয়েছে মানবপাচারকারীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট এবং বিভিন্ন জেলায় রয়েছে ছেলেধরা ও মানব সংগ্রহে তৎপর দালাল চক্র। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় মানবপাচারের একটি বড় উৎস বাংলাদেশ। পাচারের শিকার প্রতি চারজনে একজন শিশু এবং প্রতি একশতে ৭১ জন নারী ও মেয়েশিশু।

বাংলাদেশে মানবপাচার অত্যন্ত লাভজনক। এতে মুনাফা অধিক, অপর দিকে ঝুঁকি ও সাজা কম হওয়ায় মানববাণিজ্যের পরিধি প্রসারিত হচ্ছে ক্রমেই। ইউনিসেফের পরিসংখ্যান মতে, বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে ৪০০ নারী ও শিশু বিদেশে পাচার হচ্ছে। বিগত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ শিশু ও নারী (১২-৩০ বছর) ভারতে পাচার হয়ে গেছে। পাকিস্তান-ভিত্তিক Lawyers for Human Rights and Legal Aid প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বাংলাদেশী দুই লাখ মেয়ে দালালদের মাধ্যমে সে দেশে বিক্রি হয়ে গেছে। ভারত-পাকিস্তানে মানবপাচারের জন্য বাংলাদেশের ১৬টি জেলার ২০ ট্রানজিট পয়েন্ট পাচারকারীরা ব্যবহার করে। মানবপাচারের তালিকায় থাকা শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, চীন ও ভারত উল্লেখযোগ্য। দরিদ্রতা, বেকারত্ব, নিরক্ষরতা, উন্নত অর্থনৈতিক জীবনের স্বপ্ন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিদেশে কর্মসংস্থানের মিথ্যা আশ্বাস, সচেতনতার অভাব, জেন্ডারবৈষম্য, ভঙ্গুর পরিবার প্রভৃতি কারণ মানবপাচারকে প্রলুব্ধ করে। কারা বিদেশে যেতে আগ্রহী তাদের পাচারকারীরা খুঁজে বের করে, নারী ও শিশুদের ফুসলিয়ে অথবা অপহরণ করে দলে ভিড়ায়। তারপর বিভিন্ন রুটে পাচার করে দেয় বিদেশে। নারীদের বিক্রি করে দেয় পতিতালয়ে অথবা যৌনদাসীরূপে নিয়োগ করে। শিশু ও যুবকদের বন্দী করে শ্রম শোষণ করা হয়।

স্থলপথে ভারত হয়ে একটি রুট, কক্সবাজার থেকে সমুদ্রপথে দ্বিতীয় রুট এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিদেশে যাওয়ার তৃতীয় রুট। পাচারকারীরা ইউক্রেন, বেলারুশ ও কালিনিনগ্রাদের পথ ব্যবহার করে। এটা চতুর্থ রুট। ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশীদের রাশিয়া হয়ে ইউরোপের ইতালি, পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য চুক্তি করে থাকে। এ জন্য দালালরা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা চলাকালে রাশিয়া, ইউক্রেন ও বেলারুশ সীমান্ত পাড়ি দেয়ার সময় সেসব দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হন বাংলাদেশীরা (আইন ও সালিস কেন্দ্র http://www.askbd.org/ask/2018/10/06))

বাংলাদেশ থেকে অভিবাসীপ্রত্যাশীরা সমুদ্রপথে থাইল্যান্ড হয়ে মালয়েশিয়ায় ঢোকে। যুক্তরাষ্ট্রে যারা যাবে তারা ঢাকা থেকে দুবাই হয়ে আগে ব্রাজিল পৌঁছে। সেখান থেকে মেক্সিকো সীমান্ত পার হয়ে আমেরিকায় ঢোকে। প্রতিটি ‘স্টেশনে’ রয়েছে পাচারকারীদের নিজস্ব লোক। যারা ইউরোপে যাবে তাদের প্রথমে নেয়া হয় বিমানে ঢাকা থেকে লিবিয়া অথবা তিউনিসিয়া। ওখান থেকে সমুদ্রপথে ইতালি। স্পিডবোট অথবা নিছক ডিঙ্গি দিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রতি বছর কত হতভাগা মানুষের সলিলসমাধি ঘটে তার ইয়ত্তা নেই। ক’দিন আগে লিবিয়া থেকে ছোট্ট নৌকায় চেপে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ যাত্রাকালে নৌকাডুবিতে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৩৭ জনই বাংলাদেশী। তিউনিসিয়ার জেলেরা ১৬ জনকে উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশী।

আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থার (ওঙগ) পরিসংখ্যান মতে, ২০১৭ সালে তিন হাজার ১০০ এবং ২০১৮ সালে চার হাজার ৫০০ মানুষ ইউরোপ যাওয়ার পথে ঊর্মিমুখর ও বিপদসঙ্কুল ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে মারা গেছেন। অপর দিকে, রোহিঙ্গারা মূলত কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে সমুদ্রপথে পাচার হয়ে থাকে। একশ্রেণীর দালাল মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে পাসপোর্ট বানিয়ে বিমানবন্দর দিয়ে রোহিঙ্গা মেয়েদের পাচার করে। অবশ্য মাঝে মধ্যে ধরা পড়ে যাচ্ছে।

পাচারকৃত নরনারীরা গন্তব্যে পৌঁছার আগে মাঝপথে বিভিন্ন পয়েন্টে সীমান্তরক্ষী অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটকা পড়ে। চলতি সালে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় এবং ২০১৮ সালে মেক্সিকো সীমান্তের অদূরে ১৭১ বাংলাদেশী ধরা পড়েছে। ২০১৫ সালে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার জঙ্গলে বাংলাদেশীদের গণকবর আবিষ্কৃত হয়েছিল। দালালরা পাচারকৃত লোকদের থাইল্যান্ড, লিবিয়া, তিউনিসিয়া ও দুবাই নিয়ে ক্যাম্পে বন্দী করে রাখে এবং চাপ দিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নগদ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে। সম্প্রতি ঢাকা ও সিলেটে এমন চক্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছে।

তবে অবৈধ পন্থায় বিদেশ গমনের সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে বিশ^জুড়ে। আমেরিকায় ওবামার শাসনামলে ৫০ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে আমেরিকায় বসবাসের সুযোগ দেয়া হলেও এখন ট্রাম্পের আমলে অবস্থা বিপরীত। ১৪ জুলাই শুরু হয়েছে সেখানে অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড় প্রক্রিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি শহরে এই গ্রেফতার অভিযান চলছে। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো, হিউস্টন, আটলান্টা, বাল্টিমোর, ডেনভার, মায়ামি ও সানফ্রান্সিসকো থেকে প্রায় দুই হাজার পরিবারের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আটক ব্যক্তিদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এক কোটি ১৪ লাখ অবৈধ অভিবাসী রয়েছে মার্কিন বিভিন্ন স্টেটে। ২০১৮ সালের পরিসংখ্যান মতে, ৬০ হাজার বিদেশী মানুষ বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অস্ট্রেলিয়ায় লুকিয়ে রয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকে মানবপাচারের শিকার; আবার অনেক শিক্ষার্থী ও পর্যটক ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও রয়ে গেছেন। ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে কাজের আশায় বেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যায়। ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় ৪৫ হাজার ৪৯৯ অবৈধ বিদেশী নাগরিককে আটক করা হয়েছে। সেখানে ১০ লাখেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী রয়েছে।

বাংলাদেশ সংবিধানের আর্টিকেল ৩৪(১) ও আর্টিকেল ১৮(২) ধারা মতে, বলপূর্বক শ্রম আদায়, যৌন শোষণ ও মানবপাচার নিষিদ্ধ। মানবপাচার রোধ ও অপরাধীদের সাজা দেয়ার উদ্দেশ্যে ২০১২ সালে Prevention and Supression of Human Trafficking Act প্রণীত হয়। এ সংক্রান্ত আইনের ধারা ও উপধারা বিধিবদ্ধ করা হলেও সাত বছরেও বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়নি। এর কারণ হলো, বিচারকের স্বল্পতা এবং অবকাঠামোগত সুবিধার অভাব। নারী নির্যাতন ও শিশু আদালতের বিচারকরা সংশ্লিষ্ট মামলা নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত যে, মানবপাচারসংক্রান্ত মামলাগুলো শুনানির সময়ও নেই, সুযোগও নেই। এই মুহূর্তে ৬৪ জেলায় চার হাজারের বেশি মামলার মধ্যে তিন শতাধিক মামলা পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন। পুলিশ সদর দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সাল থেকে মানবপাচার মামলায় ছয় হাজার ১০৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়, সাজা হয়েছে মাত্র ২৫ জনের। এ ছাড়া ২০১৩ সালে প্রণয়ন করা হয় ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন’। পরে প্রণীত হয় আরো দু’টি বিধিমালা যা ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৭’ এবং ‘মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিধিমালা-২০১৭’ নামে পরিচিত।

‘আইন ও সালিস কেন্দ্র’ প্রশ্ন তোলে, রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের এক শিক্ষক শিক্ষকতার আড়ালে মানবপাচার করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। তিনি ও তার সহযোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শত কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ। মানবপাচার দমন ও প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী, এই আইনের অধীন অপরাধগুলো আমলযোগ্য, অ-জামিনযোগ্য এবং অ-আপসযোগ্য। তার পরও এক সপ্তাহের ব্যবধানে পরপর দুইবার ওই লোক জামিন পায় কিভাবে? http://www.askbd.org/ask/2018/10/06))।

কম-বেশি ১৩০০ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে প্রতি বছর বাংলাদেশী শ্রমিকরা সৌদি আরব, বাহরাইন, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, লেবানন, মালয়েশিয়া, লাইবেরিয়াসহ নানা দেশে বৈধ পন্থায় প্রবেশ করে এবং শ্রম বিনিয়োগ করেছে। অনেক এজেন্সির বিরুদ্ধে শ্রমিকদের প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে। নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করে তারা। আবার অনেক সময় বৈদেশিক স্পন্সর বা কোম্পানি চুক্তির বরখেলাপ করে শ্রম শোষণ করে থাকে। ফলে শ্রমিকরা পালিয়ে যায় এবং অন্য জায়গায় কাজ করে। বৈধ চ্যানেলে বিদেশে গিয়ে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়া জটিল ও বিড়ম্বনাপূর্ণ হওয়ায় অবৈধ পথে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনুমোদিত পন্থায় শ্রম বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের খরচ অনেক বেশি। এখানেও দালাল চক্র সক্রিয়। ক্ষেত্রবিশেষে ৬০ শতাংশ টাকাই দালালের পেটে চলে যায়।

বিশ^ায়নের একটি তাৎপর্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, অভিবাসন। বিগত কয়েক দশকে শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক অভিবাসনের হার বিস্ময়করভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা অর্থ উপার্জনের বড় উৎস এবং দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের জিডিপির ১১.১৪ বৈদেশিক মুদ্রা এ খাতে আয় থেকে আসে। বাংলাদেশে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ। দেশে তেমন কোনো শিল্পকারখানা গড়ে না ওঠায় এবং শেয়ারবাজারের নি¤œমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকায় বিদেশ গমনের আকাক্সক্ষা বেগবান হচ্ছে। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ৯ লাখ ৮১ হাজার শ্রমিক বৈধভাবে বিদেশ গমন করেছিল। ৬০ শতাংশ ব্যক্তি উদ্যোগে, ৩৯ শতাংশ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে এবং ১ শতাংশ সরকারি চ্যানেলে অভিবাসী হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর ১৮৮টি দেশের মানবপাচার নিয়ে প্রতি বছর প্রতিবেদন পেশ করে থাকে। এতে মানবপাচারের গতিপ্রকৃতি এবং সমস্যা সমাধানে দেশগুলো কী কী কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে তার বিবরণী ও সুপারিশ থাকে। দফতরের প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- মানবপাচারবিষয়ক অপরাধে তদন্ত, মামলা পরিচালনা ও অপরাধীর দণ্ড দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন যথেষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী, সীমান্ত এবং জনশক্তি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুষ্কর্মের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত, মামলা ও সাজা দেয়ার ক্ষেত্রেও সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি।

দেশেই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ছাড়া মানবপাচারের ব্যাপকতা রোধ করা সম্ভব নয়। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ না থাকায় গত ১০-১৫ বছরে দেশ থেকে চার লাখ কোটি টাকারও বেশি পাচার হয়ে গেছে। অবকাঠামো তৈরি, ট্রাইব্যুনাল গঠন, তহবিল সংগ্রহ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে অপরাধীর কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এতে করে পাচার করা মানুষের মানবাধিকার রক্ষা করাও সম্ভব হবে।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, ওমরগণি এমইএস কলেজ, চট্টগ্রাম


আরো সংবাদ




mp3 indir bedava internet