২২ এপ্রিল ২০১৯

দূষণের ফিরিস্তি ও আমাদের ভবিষ্যৎ

দূষণের ফিরিস্তি ও আমাদের ভবিষ্যৎ - ছবি : সংগ্রহ

ধরণীর কান্না :
দূষণ, দূষণ আর দূষণ। চারদিকে দূষণ। শরীরে আর মনের দূষণে যেন জর্জরিত আমাদের স্বাস্থ্য। পানি, বায়ু, শব্দ আর আলোক-দূষণে যেন ধরণীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। জনসংখ্যা বিস্ফোরণ আর বন উজাড়ে ধরণীর দেহ যেন জর্জরিত। বিপর্যস্ত তার প্রকৃতির সন্তানেরা। সেই সাথে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া তথা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রক্রিয়া যেন এক মূর্তিমান আতঙ্ক।

পৃথিবীর এক শ’ কোটি মানুষ নিরাপদ পানি পাওয়ার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জন্য নেই কোনো স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা। পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে পৃথিবীর নানা রাষ্ট্রের মধ্যে বিবাদ যেন আরো তীব্র হচ্ছে। তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত, সিন্ধু নিয়ে ভারত-পাকিস্তান কিংবা ব্রহ্মপুত্র নিয়ে চীন-ভারতের শীতল সম্পর্ক সবারই জানা। বলা হয়ে থাকে, আগামী শতাব্দীর যুদ্ধ হবে ভূমি দখলের কিংবা তেল সম্পদ লুণ্ঠনের জন্য নয়, তা হবে কেবল পানি সম্পদের ওপর বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর আধিপত্য বিস্তারের জন্য।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শিল্প বিপ্লবের পর থেকেই পৃথিবীর সর্বত্রই শিল্পায়নের গতি যেন লাগামছাড়া। যন্ত্রদানবের তীব্র হুঙ্কারে যেন আমাদের কানে তালা। অসীম তার ক্ষুধা। তার ক্ষুধার অন্ন তেল-গ্যাসের আর বিদ্যুতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পৃথিবীর মোড়ল রাষ্ট্রগুলোর যত শক্ত-নরম কূটচাল। শাসিত ও দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কৃত্রিম বিবাদ। কলকারখানায় নির্বিচারে তেল-গ্যাস পুড়ে। গতির পৃথিবীর যানবাহন চলে ডিজেল-পেট্রল আর অকটেনে। বাড়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন-মনো-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্রিন হাউজ গ্যাসের মাত্রা। এক জরিপে দেখা যায়, পৃথিবীতে প্রতি বছর মানুষের ক্রিয়াকর্মের ফলে শুধু বায়ুদূষণকারী ও পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলার কার্বন-মনো-অক্সাইড নামে বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ প্রায় গড়ে ৫০০ মিলিয়ন টন। কলকারখানার নিঃসৃত ধোঁয়া, ধূমপান নামের বিষের বাষ্পকুণ্ডলীতে দূষিত পৃথিবীর বাতাস। বেড়ে যাচ্ছে মানব সমাজে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে ক্যান্সার, স্ট্রোক, হৃদরোগসহ অসংখ্য প্রাণঘাতী রোগের প্রকোপ। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রোগীদের ১০ শতাংশ বায়ুদূষণজনিত নানা রোগে আক্রান্ত। সেই সাথে পানিদূষণজনিত রোগে আক্রান্ত মোট দেশীয় রোগীদের ১০ শতাংশ।

কলকারখানার নিঃসৃত বিষাক্ত বর্জ্যে আর পারমাণবিক প্রযুক্তির অভিশাপ তেজস্ক্রিয়তার দূষণে দুষ্ট নদীর পানি কিংবা বসবাসের মাটি। সারা দেশে সক্রিয় প্রায় আট হাজার পরিবেশ বিধ্বংসী ইটের ভাটা। দুর্ঘটনাই হোক কিংবা সজ্ঞানেই হোক, তেলের দূষণের দুষ্ট নদীগুলোর পানি। পানিতে দেখা যায় ক্রমাগত অক্সিজেনের ঘাটতি। জলজ জীববৈচিত্র্যের বিপর্যয় তথা গণ-বিপর্যয় যেন অতি সন্নিহিত। সেই সাথে রয়েছে গত শতাব্দীর ষাটের দশক থেকে শুরু হওয়া সবুজ বিপ্লব। যার মূলমন্ত্রই হলো ফসলের উৎপাদন বাড়াও, জীববৈচিত্র্য তথা দেশীয় উদ্ভিজ ও প্রাণীজ প্রজাতি চুলোয় যাক। পরিবেশের টেকসই উন্নয়ন সেথায় এক বিস্মিত ব্যাপার। সার দাও, আগাছা দমাও, বালাই নিয়ন্ত্রণে বাড়াও কীটনাশকের ব্যবহার। এই ব্যবহৃত সার আর কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার আমাদের মাটি-পানিকে করছে দূষিত। খাদ্যদ্রব্য আজ কীটনাশকের ভয়ঙ্কর মাত্রার উপস্থিতি। অনেক দেশীয় প্রজাতির ফসলের অস্তিত্ব আজ ইতিহাসের পাতায়। খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত ভেজালের দাপট। ভূগর্ভস্থ পানির অতি ব্যবহারে পানিতে আর্সেনিক নামে বিষের দূষণ যেন দিন দিন প্রকট হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রায় ৭৭ মিলিয়ন মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁঁকিতে।

বিষের দূষণে দুষ্ট খাদ্য সেবনে মানুষের মধ্যে লিভার ও কিডনির দীর্ঘমেয়াদি নানা সমস্যায় আক্রান্তের হার ক্রমাগত বেড়েই যাচ্ছে। বর্তমানে ত্বক, মুত্রতন্ত্র, লিভার, ফুসফসে ক্যান্সারের প্রকোপ যেন অতীতের সব রেকর্ডকে হার মানায়। পারমাণবিক প্রযুক্তিই বলুন কিংবা পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতার বদৌলতে তেজস্ক্রিয়তার দূষণে দুষ্ট পৃথিবীর আকাশ-বাতাস-মাটি। এর সামান্য দুর্ঘটনা কিংবা অপব্যবহার বদলে দিতে পারে পৃথিবীর জনমিতি। হিরোশিমা-নাগাসাকির পারমাণবিক নৃশংসতা কিংবা হালের রাশিয়ার চেরোনবিল অথবা জাপানের ফুকুশিমার দুর্ঘটনা যেন ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেই না। তেজস্ক্রিয়তার অভিশাপে মানুষ সেখানে আজো আক্রান্ত হচ্ছে- রক্ত, থাইরয়েড আর ফুসফুসের ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে। গর্ভের শিশু জন্মায় বিকলাঙ্গ হয়ে। বেড়ে যাচ্ছে বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতার হার। সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ যেন দিন দিন এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী জাতিতে পরিণত হচ্ছে।

জনসংখ্যার অনিয়ন্ত্রিত বেড়ে যাওয়া আজ যেন জনবিস্ফোরণ। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার হার এখন ১.৩ শতাংশ। যা এখনো কাক্সিক্ষত মাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি। বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি। অথচ গত শতাব্দীর প্রারম্ভে এই সংখ্যা ছিল প্রায় তিন কোটি। অন্য দিকে বৈশ্বিকভাবে এই সংখ্যা প্রায় ৭.৬ মিলিয়ন। পরবর্তীতে ২১০০ সালে এই সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১১০০ কোটি।

বাড়ছে অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ন। উজাড় হচ্ছে ফসলের জমি, কাটা পড়ছে বন। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২.৩ মিলিয়ন হেক্টর; যা সমগ্র দেশের মোট ভূমির ১৫.৫ শতাংশ। আর প্রতি বছর এই বনভূমি কমে যাওয়ার পরিমাণ ০.১৮ শতাংশ; যা আমাদের অস্তিত্ব ও পরিবেশের জন্য অশনি সঙ্কেতই বটে। একদিকে বন উজাড়, অন্য দিকে মানুষের সীমাহীন ভোগ-বিলাসিতার কারণে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বাড়ছে গ্রিন হাউজ গ্যাসের মাত্রা; যা বাড়ায় পৃথিবীর উষ্ণায়ন প্রক্রিয়া। এক জরিপে দেখা যায়, আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় তিন ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বেড়ে যাবে। ইতোমধ্যেই মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করেছে। ক্রমান্বয়ে বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা। ধারণা করা হচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ০.১ থেকে ০.৩ মিটার পর্যন্ত বেড়ে যাবে। সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হবে উপকূলীয় অঞ্চলের ১৭.৫ শতাংশ ভূমি। বিলীন হবে মালদ্বীপসহ বহু প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র। মিঠা পানিতে ক্রমান্বয়ে লবণাক্ত পানি প্রবেশের ফলে লবণের দোষে দুষ্ট হবে চাষযোগ্য ভূমি। বেড়ে যাবে মশা-মাছির বংশবিস্তার। মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ যেমনÑ ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতির বিস্তার তাদের বর্তমান আবাসস্থল নিরক্ষীয় অঞ্চল হবে চরম ভাবাপন্ন অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। বেড়ে যাবে খরা, অতি বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা প্রভৃতির প্রকোপ। জলবায়ু উদ্বাস্তুর সমস্যায় জর্জরিত হবে পৃথিবী। শব্দদূষণে বধির আমাদের কর্ণযুগল। আলোকদূষণে বিপর্যস্ত আমাদের দৃষ্টি। শ্রমিকদের কর্মপরিবেশে দূষণ। মালিকপক্ষ যেন তা দেখেও দেখে না।

লালসা, ভোগ, আকাক্সক্ষার দূষণ দুষ্ট আমাদের মানব মন। কিন্তু প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তি যখন হয়ে উঠে অপর্যাপ্ত, তখন বিপর্যস্ত হয় আমাদের মন। মনের আকাশে দানা বাঁধে যেন রাজ্যের হতাশা, মানসিক চাপ আর উদ্বিগ্নতার কালো মেঘ। দুর্নীতি, রাহাজানি আর জালিয়াতির কালো চাদরে ঢাকা পড়ে পৃথিবীর সব আসল রূপ-রস-বর্ণ-গন্ধ। আত্মকেন্দ্রিকতার এই কালে সাপোর্ট কিংবা সহানুভূতি প্রকাশের সময় কোথায়। ফলে ব্যর্থ-বিপর্যস্ত মানুষ রোগের চরম পর্যায়ে বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। বর্তমানে বাংলাদেশে এই আত্মহত্যার হার প্রতি হাজারে আটজন।

আমরা কি পারি না?
এক জরিপে দেখা যায়, আমাদের দেশের কলকারখানাগুলোর ৫০ শতাংশই বিষাক্ত বর্জ্যরে পরিবেশগত মানসম্পন্ন দূষিত বর্জ্য নিষ্কাশনের (যা ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নামে পরিচিত) ব্যবস্থা নেই। ১০ শতাংশের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত। যদিও পরিবেশ আইনে প্রতিটি কলকারখানার ক্ষেত্রে পরিবেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে এ ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক। কাজেই দেরি না করে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনের সঠিক ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। ৮০ শতাংশ ইটের ভাটাতেই পরিবেশবিনাশী নিচু উচ্চতার কোক চুল্লির ব্যবহার যা পরিবেশ আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। এদিকেও পরিবেশ বিভাগের আশু দৃষ্টি দেয়া একান্ত প্রয়োজন। কলকারখানায় পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে অধিক পরিবেশ দূষণকারী প্রক্রিয়ার পরিবর্তে আমাদের অপেক্ষাকৃত কম পরিবেশনাশী পদ্ধতির উপর জোর দিতে হবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাড়াতে হবে এ বিষয়ে গবেষণা ও প্রচারণার বাজেট। কলকারখানা ও যানবাহনে জৈব-জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আমাদের দৃষ্টি রাখতে হবে নানা নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যেমন- সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, পানিশক্তি, বায়োগ্যাস প্লান্ট প্রভৃতির দিকে। আমাদের জোর দিতে একই জিনিসের পুনঃব্যবহার, পুনঃচক্রায়ন কিংবা বিকল্প ব্যবহারের দিকে। ‘ধূমপান-বিষপান’ তাই শুধু কর্মক্ষেত্রে কিংবা জনসমাগমস্থনেই নয়; এর ভয়াবহতার কথা বিবেচনা করে জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে আমাদের তামাকের চাষ, ব্যবহার, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন ও রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।

এক জরিপে দেখা যায়, পৃথিবীতে বার্ষিক নিঃসৃত প্রধান গ্রিন হাউজ গ্যাস কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মোট পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টন। যার ৮০ শতাংশই নিঃসৃত হয় চীন, আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারতসহ পৃথিবীর প্রধান উন্নয়নশীল ১০টি রাষ্ট্র থেকে। তার মানে এই যে, পৃথিবীর উষ্ণায়ন তথা গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী পৃথিবীর শিল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল বৃহৎ রাষ্ট্রগুলো। এর সাথে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অন্যান্য নি¤œ সারির উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের ভূমিকা একান্তই গৌণ। যেন ভোগ তাদের, দায় সবার। কেননা পৃথিবীর উষ্ণায়ন কোনো দেশকে এককভাবে আক্রান্ত করে না। এটি একটি বৈশ্বিক প্রক্রিয়া। কাজেই বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে উন্নত ও শিল্পপ্রধান দেশগুলো থেকে গ্রিন হাউজ গ্যাসের নিঃসরণ কমানো ও সেই সাথে তাদের ক্রিয়াকর্মের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আরো অধিক অনুদান পেতে পারে সে ব্যাপারে সব আলোচনা-সমালোচনা আরো জোরদার করতে হবে।

সার্বজনীনভাবে পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। সেই সাথে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের ব্যবহার সার্বজনীনভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা যেতে পারে। ফসলের ক্ষেত্রে বিষাক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের পরিবর্তে ফসলের উৎপাদন বাড়াতে জৈবসার ও বালাই দমনে পরিবেশসম্মত সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিতে হবে। একই কথা মশার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সবার জন্য নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবেশসম্মত পয়ঃনিষ্কাশনের ওপর জোর দিতে হবে। খাদ্যে ভেজাল দমনে টিসিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো সতর্ক হতে হবে। আর্সেনিকের দূষণ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে আরো গবেষণা বাড়াতে হবে। সেই সাথে দরকার আরো অধিক অর্থের সঙ্কুলান।
লেখক : ডাক্তার, মেডিসিন ও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ
E-mail:[email protected]


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat