১৩ ডিসেম্বর ২০১৯

ফ্রান্স-ইতালির প্রতিযোগিতায় প্রকট হচ্ছে লিবিয়া সঙ্কট

ফ্রান্স-ইতালির প্রতিযোগিতায় প্রকট হচ্ছে লিবিয়া সঙ্কট - ছবি : সংগ্রহ

উত্তর আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ লিবিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে ইউরোপের দুই শক্তিশালী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও ইতালি। এর ফলে লিবিয়ার বিবদমান গ্রুপগুলোর মধ্যে সঙ্ঘাতের পরিস্থিতি ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে লিবিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জোর ভূমিকা রাখতে সমর্থন জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, লিবিয়ায় স্থিতিশীলতা ফেরাতে ইতালির নেতৃত্বকে আমরা সমর্থন জানাই।

এ বক্তব্যের মাধ্যমে আফ্রিকা অঞ্চলে ফ্রান্সের প্রভাব খর্ব করে সেখানে ইতালিকে বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের উদ্দেশ্য প্রকাশ পেল। তবে শান্তি প্রতিষ্ঠার ছদ্মবেশে ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় ফ্রান্স বা ইতালি যে দেশই পেরে উঠুক না কেন, শেষ পর্যন্ত লিবিয়ার জনগণের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকার তাদের হাতেই ছেড়ে দিতে হবে। কেননা, ২০১১ সালের অক্টোবরে সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে সঙ্ঘাত এক দিনের জন্যও থামেনি বরং তা আরো ছড়িয়ে পড়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোয় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিকে ঘিরে প্রাণঘাতী হামলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে সব পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব ও চার পশ্চিমা দেশ। মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত অস্ত্রবিরতি চুক্তির ভিত্তিতে দেশটিতে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তেমনি যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইতালির যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈধ লিবীয় কর্তৃপক্ষকে দুর্বল ও চলমান রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে পশ্চাৎমুখী করার যে চেষ্টা চলছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত