১৮ নভেম্বর ২০১৮

পাকিস্তানে নয়া যুগের উন্মেষ ঘটবে?

পাকিস্তানে নয়া যুগের উন্মেষ ঘটবে? - ছবি : সংগৃহীত

যারা মি. খানের বিপুল বিজয়ে বিস্মিত হয়ে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন, তাদের উদ্দেশে পাকিস্তানের নির্বাচন বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকার ভাষায় বলতে হয়, পশ্চিমা নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানের ওপরতলার দুর্নীতিগ্রস্তদের বিপরীতে ক্রমবর্ধিষ্ণু মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অনুভবের গভীরতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন। মধ্যবিত্তরা একটি নতুন নেতৃত্ব চেয়েছেন। আয়েশা এএফপিকে বলেছেন, খানের বিজয় ‘মধ্যবিত্তের বিপ্লব’। আমাদেরও এটাই মনে হয়


পাকিস্তান প্রাকৃতিকভাবে একটি সুন্দর দেশ। উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত দেশটি দক্ষিণে আরব সাগর ও উত্তরে হিমালয়কে ছুঁয়েছে। কোথাও শস্যভারে অবনত খামার, কোথাও চিরহরিৎ পাহাড়, কোথাও রুক্ষ মরু অঞ্চল। ১৯৪৭ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত এ দেশটির ২০ কোটি জনসংখ্যার ৯৬.৪ শতাংশ মুসলমান। মুসলমান জনসংখ্যার দিক থেকে বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার পরই এর স্থান। ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান’ নামের এ দেশটিতে পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহৎ সামরিক বাহিনী পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত। কিন্তু সামরিক বাহিনীর প্রভাববলয়ে রাজনৈতিক দিক দিয়ে পাকিস্তানে গণতন্ত্র আজো স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। ১৯৭১ সালে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তরের ইস্যুতে দেশটির পূর্বাঞ্চল আলাদা রাষ্ট্র হয়ে যাওয়ার আগে এবং পরে সেনাবাহিনী রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল। বিগত ৪৭ বছর পাকিস্তানের ক্ষমতা আবর্তিত হতো জুলফিকার আলী ভুট্টো প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ও নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগের (পিএমএল-এন) গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতায় আসার ফাঁকে অভ্যুত্থানের পথে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে। ২০১৮ সালে ক্ষমতার পালাবদলে পিপিপি এবং পিএমএল-এনকে সরে দাঁড়াতে হলো। এককভাবে না হলেও কোয়ালিশনের ভিত্তিতে ক্ষমতায় আসছে ২২ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটার ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দল। খানের বর্ণাঢ্য ব্যক্তিগত জীবন নানা কারণে বিতর্কিত হলেও তিনি এখন জনপ্রিয় মানুষ এবং পাকিস্তানের ৬৪ শতাংশ তরুণ তার সমর্থক। এরাই তার শক্তি।

পাকিস্তানের প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই সেনাবাহিনী দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। সে দেশের জন্মের প্রায় সাথে সাথেই ১৯৪৮ সালে দেশটিকে মুসলমান-অধ্যুষিত কাশ্মির প্রশ্নে যুদ্ধ করতে হয়েছে তার ‘জন্মশত্র“’ ভারতের সাথে। সেই থেকে ভারতকে পাকিস্তানের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি মনে করা হয়। এর পর পাকিস্তান ও ভারতের মাঝে ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে আরো দু’টি যুদ্ধ হয়েছে। সর্বশেষ ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারত পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বিরাট সহায়ক ছিল। এ ছাড়াও আরো ছোটখাটো যুদ্ধ, যেমন- কারগিল যুদ্ধ পাকিস্তানকে ভারতের সাথে করতে হয়েছে। বলতে গেলে পাক-ভারত সীমান্তে সব সময়ই যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এতে করে পাকিস্তানের জনগণ ‘দেশের ত্রাতা’ হিসেবে সেনাবাহিনীকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এ পরিস্থিতিতে দেশের পলিসি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর ভূমিকা রয়েছে ব্যাপক। অনেকে বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পলিসি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও সে দেশের সামরিক প্রতিষ্ঠান পেন্টাগনের ভূমিকা আছে।
পাকিস্তানের নিরাপত্তার ব্যাপারে ভুট্টো উদ্বিগ্ন ছিলেন। ‘ঘাস খেয়ে হলেও আণবিক বোমা তৈরি করব’ এ কথা তিনিই বলেছিলেন। অপর দিকে তারই ভুলের কারণে ভারত ১৯৭১-এর যুদ্ধে পাকিস্তানকে বেকায়দায় ফেলে। তার পৌত্রী ফাতিমা ভুট্টো সম্প্রতি বিলেতের গার্ডিয়ান পত্রিকায় লিখিত এক নিবন্ধে ইমরান খানের সমর্থকদের বিরুদ্ধে নিরীহ প্রাণী গাধার প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগ এনেছেন। নিরীহ প্রাণী গাধার প্রতি যে নিষ্ঠুর আচরণ করে তার গায়ে ‘নওয়াজ’ লিখে দেয়া হয়েছে। প্রাণীটি যে মারা গেল তা নিষ্ঠুরতাই বটে। লিবিয়ার মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে কী নিষ্ঠুরভাবে প্রকাশ্য রাজপথে পশ্চিমারা খুন করেছে, তাও তিনি মিডিয়ায় দেখেছেন মনে করি। তাকে এ কথাও স্মরণ করতে হবে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী সৃষ্টিকুলের সেরা মানুষের প্রতি যে নির্দয় আচরণ করেছে, এতে তার পিতামহের সক্রিয় হাত ছিল। স্বীকার করতেই হয়, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীকে নিয়ে হৃদয়বিদারক অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা দেশে দেশে বেড়েই চলেছে।

পাক-ভারত সম্পর্ক দু’টি দেশের জন্মলগ্ন ধেকেই তিক্ত। পাকিস্তানি ও ভারতীয় তরুণ মনে এর প্রভাব কেমন, তা দু’টি ঘটনার মাধ্যমে বিবৃত করছি। ১৯৬৮-১৯৭০ সালে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স করাচিতে স্টাফ ইকোনমিস্ট হিসেবে চাকরিকালীন প্রশিক্ষণকালে একদিন প্রশিক্ষণ কক্ষে ইনসট্রাকটরের অপেক্ষায় আমরা চারজন ট্রেইনি বসে আছি। এ ফাঁকে সহকর্মীদের কাছে আমার প্রথম বিমান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছিলাম। আমি বললাম- ‘আই হ্যাভ সিন ফ্রম দী প্লেন বিল্ডিংস লুকিং ভেরি স্মল বিলো ইন সাম ইনডিয়ান সিটিস’। অমনি পাঞ্জাবের লায়ালপুর (ফয়সালাবাদ) থেকে আগত আমার সহকর্মী আনোয়ার চৌধুরী (বর্তমানে ড. আনোয়ার শাহ) চেঁচিয়ে উঠলেন- ‘হোয়াই ডিডন্ট ইউ বোম দেম?’ এতে বুঝলাম পশ্চিম পাকিস্তানের যুবকদের মনে ভারতের প্রতি কতটা বিদ্বেষ ও ঘৃণার ভাব জন্ম নিয়েছে। এর প্রকাশ স্বতঃস্ফূর্ত। এর মূল উৎপাটন করা সহজ কাজ নয়। হেসে আনোয়ারকে বললাম- ‘ইটস ইমপসিবল টু বোম এনি সিটি ফ্রম অ্যা পিআইএ এয়ার ভেসল’। তিনি শান্তভাবে বললেন- ‘দ্যাটস রাইট’। নিজে কোনো দিন ভারতে যাইনি। ভারতীয় যুবকদের মনেও পাকিস্তানের প্রতি একই বিদ্বেষ দানা বেঁধেছে, তা নিম্নের ঘটনাটি থেকে প্রতীয়মান হয়। সেটাও এমনই তীব্র ও ঝাঁজালো।

১৯৭১-এ বাংলাদেশ মুক্ত হওয়ার অব্যবহিত পরে ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে গিয়েছিলাম। বন্দর ভবনের পশ্চিমে টারমাকে জলপাই রঙা কয়েকটি সামরিক হেলিকপ্টার দাঁড়ানো। পাশে আলাপরত দু’জন পাইলট। একজন অপরজনকে দেখাচ্ছেন, তার হেলিকপ্টারের কোনখানে গুলি লেগেছে। ভবনের পূর্ব পাশে সামনের খোলা জায়গায় সাদা পোশাকে ভারতীয় সমর নায়কেরা উল্লাস করছেন। তাদের একজন হেঁকে এক তরুণকে বললেন, ‘ক্যাপ্টেন ব্যানার্জি, আর ইউ হ্যাপি’? আরেকজন বললেন, ‘দে কেইম ইন ১৯৪৮ অ্যান্ড ১৯৬৫, উই ডিড নাথিং। দিস টাইম উই হ্যাভ ব্রোকেন ইট। ইফ দে কাম অ্যাগেইন উই উইল ফিনিস ইট।’ এ অবস্থায় মনে হওয়া স্বাভাবিক পাক-ভারত সম্প্রীতি কোনো দিনই সম্ভব নয়। পারস্পরিক বিদ্বেষ থেকে গড়ে ওঠে পরস্পরের বিরুদ্ধে শক্তি সঞ্চয়ের মনোবাসনা। আমি নিশ্চিত, পাক-ভারতের মধ্যকার অস্ত্র প্রতিযোগিতা চলতে থাকবে। দুই দেশের অর্থনীতিকে তা যত দিন এবং যতই দুর্বল করে রাখুক না কেন, যেখানে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ধৈর্যের অভাব; সেখানে পারস্পরিক শৌর্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতা অবধারিত। এর থেকে জন্ম নেয় একে অপরকে গ্রাস ও নিশ্চিহ্ন করার উদগ্র আকাঙ্ক্ষা। এ অবস্থায় দুই দেশের সহাবস্থান শক্তির ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করবে। ভারত ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে। পৃথিবীর কোথাও এর ব্যতিক্রম নেই। সুতরাং বিশাল ভারতের বিপরীতে দেশের অস্তিত্বের খাতিরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সদাপ্রস্তুত থাকতে হয়। দেশের পলিসি, বিশেষত পররাষ্ট্রবিষয়ক ব্যাপারে নীতিনির্ধারণে তার ভূমিকা আছে। ইমরান খানকে যদি দেশের খাতিরে সেনাবাহিনীর সাথে সমঝোতা করে চলতে হয় তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই।

ইমরান খানের ক্ষমতা গ্রহণের মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের পরিবারতান্ত্রিক শাসনের অবসান হতে যাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি একটি শুভবার্তা। খানকে বহুবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে, যেমন- ‘চরমপন্থীদের’ নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক সঙ্কট, যে কারণে আইএমএফের সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে; পানি ও বিদ্যুৎ সঙ্কট এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাস্ফীতি। এ ছাড়াও ইমরান পাকিস্তানি সমাজে ধনবৈষম্য ও দুর্নীতি দূর করার প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। তবে কেউ কেউ অভিযোগ করেন, ‘চরমপন্থীদের’ বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গেছেন। এ কথাও মনে রাখতে হবে, পাশ্চাত্য আজ মুসলমান সমাজকে গ্রাস করতে বসেছে। এর প্রতিবাদী ধর্মপ্রাণ তরুণদের পশ্চিমারা ‘চরমপন্থী’ বলে আখ্যায়িত করে থাকে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের ত্রাস ইহুদিদের তারা ‘চরমপন্থী’ বলে না। পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতির আগ্রাসী দিক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মার্কস-অ্যাঙ্গেলস বলেছিলেন, The west compels all nations, on pain of extinction, to adopt the bourgeois mode of production; it compels them to introduce what it calls civilization into their midst, i.e., to become bourgeois themselves; in one word, it creates a world after its own image’” (Marks-Engels, Selected Works, 1962, Vol. 1, P. 38). তার অতীত ব্যক্তিগত জীবন যত বর্ণাঢ্যই হোক না কেন পিটিআই প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিগত ২২ বছরে মি. খানের জীবনে এমন একটি ‘পরিবর্তন’ এসেছে যাতে করে তার দেশ যে সব রক্ষণশীল ও ঐতিহ্যগত বৈশিষ্ট্যকে মূল্য দিয়ে থাকে তা আত্মস্থ করে তিনি ‘প্রাচ্য দৃষ্টিভঙ্গির’ এক নতুন মানুষরূপে আবির্ভূত হয়েছেন।

এখন দেখার বিষয়- পাকিস্তানের সফল ক্রিকেট অধিনায়ক তার বিগত ২২ বছরে ক্ষমতার বাইরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কিভাবে কাজে লাগান। পিপিপি ও পিএমএল-এন এ দুই দলেরই রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আছে, যেটা পিটিআই-এর নেই। এখানে ইমরানকে ওই দুই দলের সাথে কোয়ালিশন না করেও অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে হতে পারে। দেশের সামগ্রিক স্বার্থে ও পাকিস্তানে গণতন্ত্রের স্বার্থে তিনি বিরোধীদের কাছ থেকে সেই সহযোগিতা পাবেন আশা করা যায়। অবশ্য খান নওয়াজ শরিফের একজন কট্টর সমালোচক।

মি. খান ১৯৯২ সালে পাকিস্তানকে ক্রিকেটে বিশ্বকাপ পাইয়ে দিয়েছিলেন; এবার তার সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো- পাকিস্তান রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের নয়া যুগের উন্মেষ ঘটানো। পাকিস্তানি তরুণদের মনোজগতে ১৯৯২-এর সেই উদ্দীপনা তিনি রাজনীতিতে এসে এবার জাগাতে পারবেন, সে আশায় এরা বুক বেঁধে আছেন। যারা মি. খানের বিপুল বিজয়ে বিস্মিত হয়ে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন, তাদের উদ্দেশে পাকিস্তানের নির্বাচন বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকার ভাষায় বলতে হয়, পশ্চিমা নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানের ওপরতলার দুর্নীতিগ্রস্তদের বিপরীতে ক্রমবর্ধিষ্ণু মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অনুভবের গভীরতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন। মধ্যবিত্তরা একটি নতুন নেতৃত্ব চেয়েছেন। আয়েশা এএফপিকে বলেছেন, খানের বিজয় ‘মধ্যবিত্তের বিপ্লব’। আমাদেরও এটাই মনে হয়।

লেখক : অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার


আরো সংবাদ

নির্বাচনী প্রার্থীদের নদী রার অঙ্গীকার মঙ্গলকর : তথ্যমন্ত্রী ধর্মহীন রাজনৈতিক দলের সাথে জোট করে কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় : সৈয়দ রেজাউল করীম লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করবে জাতীয় পার্টি : মহাসচিব রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর ড. কামাল : হানিফ নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়নি : বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি বিচারিক ক্ষমতা ছাড়া সেনাবাহিনী মোতায়েনের সফলতা নিয়ে সংশয় মহাজোটে ভিড়ছে ভুঁইফোড় দল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করবে নির্বাচন কমিশন : ওবায়দুল কাদের আ’লীগ-বিএনপি উভয় দলেই একাধিক প্রার্থী আওয়ামী লীগ-বিএনপিতে কোন্দল জামায়াত নীরবে চালাচ্ছে তৎপরতা বিভিন্ন স্থানে বিরোধী নেতাকর্মী গ্রেফতার অব্যাহত

সকল