২২ জুন ২০১৮

জীবন থেকে নেয়া

মাহাথির মোহাম্মদ - ছবি : এএফপি

পর্ব-১

আমার জন্ম মুসলিম হিসেবে এবং একজন মুসলিম শিশু হিসেবেই প্রতিপালিত হয়েছি। খুব শৈশব থেকেই নামাজ ও রোজা শিখি। আমার মা এবং গৃহশিক্ষক আমাকে কুরআন পড়তে শিক্ষা দেন, যদিও তখন এর অর্থ তেমন বুঝতাম না।
আমার ঈমান ছিল মজবুত এবং তা ছিল প্রশ্নাতীত। ইসলাম আমার ধর্ম এবং একজন মুসলিম ছাড়া আমি অন্য কিছু ভাবতে পারি না। কখনো ভাবতে পারতাম না যে, একজন মুসলিম কখনো তার ধর্ম পরিত্যাগ করতে পারে। তিনি খুব একটা ধর্ম চর্চাকারী মুসলিম না হতে পারেন, কিন্তু ইসলামের প্রতি তার বিশ্বাস অটল থাকবে।

আমার বাড়ির চারপাশে আরো অনেক বাড়ি ও দোকানপাট ছিল, যেখানে অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসের মানুষ বসবাস ও কাজকর্ম করতেন। আমার বাড়ির সম্মুখে চাইনিজদের একটি দোকান ছিল, যার প্রবেশপথের সম্মুখে স্থাপিত হয়েছিল একটি বেদি। এর ওপর একটি দেবতার মূর্তি ও সামনে কতগুলো পাত্র রাখা ছিল। পাত্রগুলো ছিল বালুতে ভর্তি এবং তার ভেতরে বসানো ছিল কতগুলো সিদ্ধি-কাঠি (Joss Sticks)। প্রায়ই সেখানে বৃদ্ধ মহিলাদেরকে হাতে সেই কাঠি নিয়ে দেবতার কাছে প্রার্থনারত দেখতে পেতাম।

জাপানি দখলদারিত্বের সময় আমরা দরিদ্র ছিলাম। তখন আমাদের বাড়ির নিচে অনেক ভারতীয় তামিল বসবাস করতেন। তাদের কোনো বেদি ছিল না বা কোনো দেবতাও ছিল না। কিন্তু জানতাম, তারা তাদের মন্দিরে স্থাপিত দেবতার কাছে প্রার্থনা করেন। স্কুলে আমার শ্রেণীর বন্ধুদের মধ্যে একজন ইউরোপীয় বালক ছিল। সে ছিল ক্যাথলিক খ্রিষ্টান। আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাক্তারি পড়তে যাই, তখন সেখানে সহপাঠীরা বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসের ছিল।
বিভিন্ন ধর্মের মানুষদের জানা এবং তাদের সাথে বন্ধুত্ব আমার নিজ ধর্মবিশ্বাসকে কখনো ছোট করেনি। কিন্তু কখনো ধর্ম নিয়ে তাদের সাথে আলাপ করতাম না। স্বভাবতই জানতাম যে, এ বিষয়ে যুক্তিতর্কে জড়িয়ে পড়লে তাদের সাথে আমার সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ইসলাম আমার নিকট ছিল এবং এখনো আছে এমন একটি ধর্ম হিসেবে, যা অন্য ধর্মবিশ্বাস ও তাদের অনুসারীদের অস্তিত্বকে মেনে নেয়, স্বীকার করে। পরবর্তীকালে আমি মালয় ও ইংরেজি ভাষায় কুরআনের অনুবাদ পড়েছি। তখন আমি দেখতে পাই, কুরআনে একটি পরিúূর্ণ আয়াত রয়েছে, যা অন্যান্য ধর্মের প্রতি ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে যে ভ্রান্তিতে ছিলাম না, তা প্রমাণ করে। সূরা আল কাফিরুনের একটি আয়াতে বলা হয়েছে : ‘বলো, হে অবিশ্বাসীগণ, আমি তার উপাসনা করি না, যার উপাসনা তোমরা করো। আর তোমরাও তার উপাসনা করো না, যার উপাসনা আমি করি। তোমরা যার ইবাদত করছ, আমি তার ইবাদত করতে প্রস্তুত নই। আর তোমরাও তার ইবাদত করতে প্রস্তুত নও, যার ইবাদত আমি করি। তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম আর আমার জন্য আমার ধর্ম।’ কুরআনের অন্য একটা আয়াতে বলা হয়েছে, ধর্মে কোনো জোরজবরদস্তি নেই। (সূরা বাকারা, আয়াত-২৫৬)।

মালয়েশিয়ায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে সব ক্ষেত্রে আমরা যাকে শরিয়াহ আইন বলি, তার প্রয়োগ করছি না। কিন্তু বহু ধর্মের এই দেশে প্রত্যেকের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্যান্য আইন প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। দেশকে সঙ্ঘাতমুক্ত রাখতে এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য আমরা ইসলামের শিক্ষাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছি। একইভাবে ইসলামের শিক্ষার আলোকেই আমরা অন্যান্য ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করে থাকি। প্রকৃতপক্ষে সরকারের প্রতিটি কাজে ইসলামের নীতিকে সমুন্নত রাখা হয়ে থাকে।

সুতরাং মালয়েশিয়াকে একটি ‘ইসলামি’ দেশ বলার অধিকার আমাদের আছে। ইসলাম এবং মালয়েশিয়া প্রশাসনের ইসলামীকরণ আগে কখনো বিতর্কের কারণ হয়নি। যা সত্য, তা হলো, যখন মালয়েশিয়া ইসলামি মূল্যবোধসমৃদ্ধ হলো, নিজেকে একটি ইসলামি দেশ হিসেবে ঘোষণা করল, তখন দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা এলো, দেশ উন্নতি করতে থাকল ও জেগে উঠল; যা ইতঃপূর্বে কখনো ঘটেনি। দুর্ভাগ্যবশত অনেক শিক্ষিত মুসলিম কুরআনের সহিষ্ণুতার শিক্ষা নিয়ে খুব একটা সুখী নন। তারা ইসলামকে অত্যন্ত কঠোর আর অন্য ধর্মের প্রতি প্রচণ্ড বিদ্বেষভাবাপন্ন বলে মনে করে থাকেন। একজন শিক্ষিত মুফতি আমাকে বলেছেন, ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম নেই। আমি এটাকে খুবই অসুবিধাজনক হিসেবে দেখলাম। যদিও ইসলাম আল্লাহর মনোনীত ধর্ম হিসেবে স্বীকৃত, তবুও নবী মুসা আ: এবং ঈসা আ: ধর্মের বিষয়ে কুরআনের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখ রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, ওপরে সূরা কাফিরুনের যে আয়াত বর্ণনা করা হয়েছে, সেখানে যারা সত্য বিশ্বাস বা ইসলাম গ্রহণ করেনি, তাদের ধর্মের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভিন্ন ধর্মের ইতিহাস অধ্যয়ন করেছি এবং দেখেছি, সময়ের প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় শিক্ষার ব্যাখ্যায় সব সময় পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা জানি, খ্রিষ্টানেরা তিনটি প্রধান ধর্মীয় ধারায় বিভক্ত : অর্থোডক্স ইস্টার্ন চার্চ, ক্যাথলিক রোমান চার্চ ও প্রটেস্ট্যান্ট। কিন্তু পদের বিভক্তি এখানেই শেষ নয়। বহু ধর্মীয় পণ্ডিত ও বিজ্ঞজন তাদের নিজ নিজ উপলব্ধি ও শিক্ষা অনুযায়ী স্ব স্ব মতবাদ গঠন করেছেন। এ ব্যাপারে আমার জ্ঞান স্বল্প, তাই খ্রিষ্টধর্মের এ বিভাজনের বিষয়ে আর বিশেষ কিছু বলতে চাই না।
ইসলামেও একই ঘটনা ঘটেছে। কুরআনের ভাষ্য এবং সুন্নাহ অনুযায়ী, নবী কেবল একটি ইসলামই এনেছিলেন। কিন্তু ইসলামে আমরা অসংখ্য বিভাজন দেখি এবং প্রত্যেকেই দাবি করছেন, তারাই সঠিক, অন্যরা ইসলাম বা সম্পূর্ণ ইসলাম নয়। আসলে বিভেদ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, তারা প্রায়ই একে অন্যের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত।

ধর্মের কিছু অনুসারীর অতি সরলতা ও অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে চতুর ধর্ম ব্যবসায়ী, ভণ্ড, প্রতারকদের নাম কামানোর অভিলাষে এসব দলের উদ্ভব হয়েছে। এসব সুযোগসন্ধানী এত দূর সাফল্য লাভ করেছে যে, তাদের ভক্ত বা অনুসারীরা তাদেরকে নবী এমনকি মাহদী বলতেও পিছপা হন না। ‘মাহদী’ হলেন সেই মুক্তিদাতা, যিনি পুনরুত্থান দিবসে নিজেকে প্রকাশ করবেন বলে বিশ্বাস করা হয়। যেহেতু এসব মানুষ হলেন মিথ্যা ও ভণ্ড, তাই তারা অন্যদের এরূপ দাবিকেও কোনো বাধা দেননি। যারা তাদেরকে গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন, সেই অনুসারীদেরকেও ফেরানোর চেষ্টা করেননি। ঘটনাক্রমে খ্রিষ্টানদের মধ্যেও একই রকমের দাবিদার পরিলক্ষিত হয় এবং তাদের অনুসারীরা পৃথিবীর ধ্বংসের প্রাক্কালে গণ-আত্মাহুতি দেবেন বলে জানা যায়।

কিন্তু ইসলামি এসব সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অনেকেই প্রসিদ্ধ আলেম বা ধর্মীয় পণ্ডিত ছিলেন, যারা নিশ্চিতভাবেই বিশ্বাস করতেন, তারা ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। তবে যেহেতু তাদের ব্যাখ্যা ও শিক্ষার মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান, তাই তারা সবাই সঠিক হতে পারেন না। তাদের ব্যাখ্যা ও শিক্ষার মধ্যে পার্থক্য ছিল অবশ্যম্ভাবী। কেননা এসব জ্ঞানী ব্যক্তি সব মানবীয় দুর্বলতা নিয়েই ছিলেন মানুষ। তাই তাঁদের উপলব্ধি ও ব্যাখ্যা দুর্বলতা থেকে মুক্ত ছিল না।

তারা সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব ও বিভেদ চাননি। তারা বিনয়ের সাথেই তাদের অনুসারীদের ধর্মীয় উন্মত্ততা পরিহারের জন্য অনুরোধ করেছেন। কিন্তু অনুসারীরা তাদের শিক্ষকের চেয়ে অধিক কঠোরতা প্রদর্শন করেন এবং অন্য কোনো শিক্ষাকে তারা ‘ইসলামি’ বলতে নারাজ।
সময়ের প্রেক্ষাপটে অনুসারীদের ধর্মীয় উন্মত্ততা বিস্তৃত হয় এবং তা শিক্ষার সাথে যুক্ত হয়ে সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে বিভেদ এমন পর্যায়ে পৌঁছে দেয় যে, কোনোভাবেই তাদের মধ্যে ঐকমত্য সম্ভব হয় না। কোনো অনুসারী পরস্পরের মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা করলে তাকে তারা ধর্মত্যাগী বা অবাধ্য হিসেবে অভিহিত করে (এমনকি ভিন্নমতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত জারি করা হয়)।

সুতরাং আজ আমরা দেখছি যে, মুসলমানেরা নিজ নিজ ধর্মীয় ব্যাখা নিয়ে অসংখ্য দল-উপদলে বিভক্ত। সবচেয়ে খারাপ হলো শিয়া-সুন্নি বিভক্তি। এ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন উপদল এবং বিভিন্ন ইমামের অনুসারী। নিজ নিজ বিশ্বাসে তারা নিষ্ঠাবান ও আপসহীন। তাদের মধ্যে আত্মোৎসর্গের মাত্রা এত প্রবল যে, নিজ নিজ বিশ্বাসের পক্ষে তারা যুদ্ধ করতেও সদাপ্রস্তুত। অন্যদের তুলনায় শিয়ারা তাদের বিশ্বাস রক্ষার্থে মৃত্যুর জন্যও প্রস্তুত থাকেন। তারা বিশ্বাস করেন, এ জন্য তারা পরকালে যথাযথভাবে পুরস্কৃত হবেন। সুন্নিরা শিয়াদের তুলনায় সংখ্যায় বেশি এবং ইসলামের অনুশীলনে অপেক্ষাকৃত কম উগ্র। তবুও শিয়াদের বিরুদ্ধে শত্রুতা প্রবল। সুন্নিদের বিরুদ্ধে শিয়াদের এবং শিয়াদের বিরুদ্ধে সুন্নিদের প্রচণ্ড প্রতি-আক্রমণ ঘটে থাকে। একপর্যায়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মক্কায় শিয়াদের হজ পরিপালনের অনুমতি দেয়া হতো না।

ইসলাম হলো সহিষ্ণুতার ধর্ম, কিন্তু ইসলামের বিজ্ঞ ব্যাখ্যাকারীরা তা মানতে চান না। তারা এবং তাদের অনুসারীরা ইসলামকে অসহিষ্ণু, কঠোর ও কঠিন হিসেবে দেখতে পছন্দ করে থাকেন। বিশেষত অমুসলিমদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি একই রূপ। জোরজবরদস্তি করে হলেও অমুসলিমদের ওপর ইসলামের বিধিবিধান চাপাতে হবে। এটা ইসলামকে অমুসলিমদের নিকট অপ্রিয় এবং ইসলামবিমুখতা তাদের মধ্যে প্রবল করে তুলছে। অন্য কথায়, অসহিষ্ণু আচরণ, চরম কঠোরতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামি, যা ইসলামের শিক্ষার বিপরীত, কেবল ইসলামের বদনাম বয়ে আনছে না, ইসলামের বিস্তারকেও বাধাগ্রস্ত করছে।

ইসলামের প্রাথমিক যুগের মুসলিমরা অমুসলিমদের প্রতি যথেষ্ট অনুগত ও সহানুভূতিশীল ছিলেন। এ কারণে মুসলিম দেশে খ্রিষ্টধর্ম ও ইহুদি ধর্ম ভালোভাবেই চলছিল। ইহুদিদের প্রতি মুসলিমদের সহিষ্ণুতা এমন ছিল যে, যখন ইহুদিরা ইউরোপীয় খ্রিষ্টানদের কর্তৃক নির্যাতিত হচ্ছিলেন, তখন তারা উত্তর আফ্রিকা এবং পূর্ব ইউরোপের তুর্কি শাসিত অঞ্চলে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। অপর দিকে খ্রিষ্টানেরা যখন স্পেন পুনর্দখল করে নেন, তখন ইহুদি ও মুসলিমদেরকে একইভাবে খ্রিষ্ট ধর্মে দীক্ষিত হতে বলা নতুবা মৃত্যুদণ্ড ভোগ কিংবা ক্যাথলিক স্পেন থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয়। এ কারণে বিপুলসংখ্যক ইহুদি ও মুসলিম উদ্বাস্তু উত্তর আফ্রিকায় চলে গিয়েছিল।

লক্ষ্যণীয় যে, ইরান বাহ্যিকভাবে ‘চরম’ ইসলামি দেশ হলেও বহু ইহুদি সেখানে বসবাস করছেন এবং সরকার তাদের উপাসনালয়ে প্রতিরক্ষা দিচ্ছে। এমনকি সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। ইরানিরা ইসরাইলি এবং আমেরিকানদের প্রতি শত্রুতা সত্ত্বেও অন্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি কুরআন প্রদর্শিত পন্থায় উদার আচরণ করে আসছেন।

বর্তমান মুসলিম বিশ্বের আর কোথাও ইহুদিরা সেভাবে গৃহীত হন না। মালয়েশিয়া এসব দেশের অন্তর্গত। যখন প্যালেস্টাইনে শান্তিপ্রক্রিয়াকে সহায়তার লক্ষ্যে ইসরাইলি স্কুলের ছেলেমেয়েদের ও তাদের ক্রিকেট টিমকে মালয়েশিয়া ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হলো, তখন মালয় মুসলিমগণ কর্তৃক আমাকে বিপুলভাবে ভর্ৎসনা করা হয়। তবে কুরআনে বলা হয়েছে, যখন কোনো শত্রু শান্তি স্থাপনের জন্য এগিয়ে আসে, তখন আমাদের ইতিবাচক সাড়া দেয়া উচিত। কিন্তু অসহিষ্ণুতা কেবল অমুসলিমদের প্রতিই সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় বিধিবিধান পালনের ক্ষেত্রে আমরা এক মুসলিম অন্য মুসলিমের প্রতি সমালোচনামুখর হয়ে থাকি। কুরআন বলছে, বিশ্বাসীদের নিকট ইসলাম কখনো বোঝাস্বরূপ হবে না। তা সত্ত্বেও অনেক মুসলিম এটাকে বোঝা বানাতে চায়। ছোটখাটো আদেশ-নিষেধ এবং ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে কুরআনের নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে তারা প্রত্যাখ্যান করে থাকেন। হ
লেখক : মালয়েশিয়ার দীর্ঘকালীন প্রধানমন্ত্রী, যিনি আবার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ৯২ বছর বয়সে সম্প্রতি সে দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ করেছেন। তার জীবনভিত্তিক লেখা থেকে নেয়া নিবন্ধ

অনুবাদ: এম এন আমীন


আরো সংবাদ