১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ১৭টি নতুন অভিযোগ

-

উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে নতুন করে ১৭টি অভিযোগ দায়ের করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আইন দফতর। গোপন নথি সংগ্রহ ও অবৈধভাবে সূত্রের নাম প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এর আগে গত মাসে পেন্টাগন নেটওয়ার্ক হ্যাক করতে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষক চ্যালসিয়া ম্যানিংয়ের সাথে ষড়যন্ত্রের একটি অভিযোগ দায়ের করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে বর্তমানে যুক্তরাজ্যের কারাগারে এক বছরের সাজা ভোগ করছেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। তাকে ব্রিটেন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। বিগত প্রায় এক দশক ধরে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। তাদের চোখে অ্যাসাঞ্জ এমন একজন হ্যাকার, যিনি তাদের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করেছেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিঘিœত করেছেন।
২০১০ সালে পেন্টাগন ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লাখ লাখ সামরিক ও কূটনৈতিক গোপন নথি ফাঁস করেছিল তার উইকিলিকস। ওই সব নথির মধ্যে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে আফগান যুদ্ধসম্পর্কিত ৭৬ হাজার এবং ইরাক যুদ্ধ সম্পর্কিত আরো ৪০ হাজার নথি ছিল, যা মার্কিন সরকার ও পেন্টাগনকে চরম বেকায়দায় ফেলে দেয়। মার্কিন সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তা ব্র্যাডলি ম্যানিং সূত্র হিসেবে অ্যাসাঞ্জকে ওই সব দলিল সরবরাহ করেছিলেন। সে সময় দায়ের করা মামলায় অ্যাসাঞ্জকে চিহ্নিত করা হয়েছিল ঘটনার মন্ত্রণাদাতা হিসেবে। গত মাসে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে পেন্টাগন নেটওয়ার্ক হ্যাক করতে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষক চ্যালসিয়া ম্যানিংয়ের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ার একটি অভিযোগ দায়ের করেও থামতে রাজি নয় যুক্তরাষ্ট্র। এবার তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে নতুন ১৭টি অভিযোগ।
নতুন অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে গোপন সামরিক ও কূটনৈতিক নথি প্রকাশের মধ্য দিয়ে মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তি আইন লঙ্ঘন করেছেন অ্যাসাঞ্জ। এতে আরো বলা হয়, গোপন নথির সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিদেরকে তা চুরি ও উইকিলিকসে প্রকাশের জন্য বারবারই উৎসাহ দিয়ে গেছেন অ্যাসাঞ্জ।


আরো সংবাদ