২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

জাতীয় দিবসে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার সমর্থনে বার্সিলোনার রাস্তায় লাখো মানুষ

-

কাতালোনিয়ার জাতীয় দিবস উদযাপন ও স্বাধীনতার পে অব্যাহত সমর্থন তুলে ধরতে প্রায় ১০ লাখ লোক বার্সেলোনার সড়কগুলোতে জমায়েত হয়েছিল।
১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ছিল ছুটির দিন। ১৭১৪ সালে এই দিনটিতে রাজা ফিলিপের সৈন্যদের হাতে বার্সেলোনার পতন হয়েছিল। এই দিবসটি স্মরণেই এদিন বার্সেলোনার সড়কে জমায়েত হয়েছিল কাতালানরা। গত আট বছর ধরে এই দিনটিকে কাতালুনিয়ার স্বাধীনতার পে সমাবেশ করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত অক্টোবরে স্পেন ভেঙে কাতালুনিয়ার স্বাধীন দেশ হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টার পর প্রথমবারের মতো বার্ষিক এই সমাবেশটি হলো। সমাবেশে লাল-হলুদ কাতালান পতাকা হাতে লাল শার্ট পরা লাখ লাখ প্রতিবাদকারী ড্রাম পিটিয়ে, হুইসেই বাজিয়ে স্বাধীনতার পে সেøাগান দেয়। গত বছরও এই দিবসটিতে প্রায় একই সংখ্যক লোক বার্সেলোনার রাস্তায় জমায়েত হয়েছিল।
কাতালান অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট কিম তোরা ও তার পূর্বসূরি কার্লেস পুয়েজমন স্ব^াধীনতার ব্যর্থ চেষ্টার পর পালিয়ে বেলজিয়ামে গিয়ে নির্বাসনে আছেন। তারা বিােভ প্রদর্শনের জন্য লোকজনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সমাবেশ শেষে তোরা বলেছেন, ‘আমরা অন্তবিহীন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি।’ সমাবেশে যোগ দেয়া প্রতিবাদকারীরা মানব টাওয়ার গড়ে তোলে এবং আটক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের মুক্তি দাবি করে। গত বছর স্বাধীনতা ঘোষণার পর এসব কাতালান নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
গত বছরের ১ অক্টোবর স্বাধীনতার প্রশ্নে একটি গণভোট আয়োজন করেছিল কাতালুনিয়া। এরপর ২৭ অক্টোবর একতরফাভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু স্পেনের সাংবিধানিক আদালত ওই পদপেকে অবৈধ বলে রায় দেয়ার পর মাদ্রিদ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির ওপর কেন্দ্রীয় শাসন জারি করে। সমাবেশে যোগ দেয়া এক বৃদ্ধা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমি প্রতি বছরই বিােভ দেখাবো, তবে যত দিন পারি। আমি (আমার সন্তানদের ও নাতি-নাতনীদের জন্য) লড়াই করব।’
গণভোট ও স্বাধীনতা ঘোষণার বার্ষিকীগুলোতেও আরো প্রতিবাদ প্রদর্শনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। জুলাইতে করা এক জরিপে দেখা গেছে, ৪৬ দশমিক সাত শতাংশ কাতালান স্বাধীনতার পে এবং ৪৪ দশমিক নয় শতাংশের অবস্থান এর বিপ।ে

 

 


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme