২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া মস্কোর

-

রাশিয়া গতকাল মঙ্গলবার তার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া শুরু করেছে। এতে চীনের সৈন্যসহ তিন লাখ সৈন্য অংশ নিচ্ছে। পূর্ব সাইবেরিয়ায় সপ্তাহব্যাপী এ মহড়ার নামকরণ করা হয়েছে ভস্তক-২০১৮ (পূর্ব-২০১৮)। এতে মঙ্গোলীয় ও চীনা সৈন্যদের সমবেত করা হচ্ছে। যদিও ন্যাটো এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে বড় ধরনের সংঘর্ষের মহড়া হিসেবে বর্ণনা করেছে। মহড়াটি এমন এক সময় করা হচ্ছে যখন মস্কোর সাথে পশ্চিমাদের ইউক্রেন ও সিরিয়া নিয়ে উত্তেজনা চলছে।
রাশিয়ার সামরিক বাহিনী এই মহড়াকে ১৯৮১ সালের তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক মহড়ার চেয়েও বড় হিসেবে বর্ণনা করেছে। সে সময়ে ওয়ারশ জোটের এক থেকে দেড় লাখ সেনার অংশগ্রহণে ‘জাপদ-১৯৮১, পশ্চিম-৮১’ মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শুইগো বলেছেন, এবারের সামরিক মহড়াটি অনেক বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই মহড়ায় তিন লাখ সেনা, ৩৬ হাজার সামরিক যান, এক হাজার যুদ্ধ বিমান ও ৮০টি যুদ্ধ জাহাজ অংশ নিচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন দূরপ্রাচ্যের শহর ভøাদিভস্তকে আয়োজিত ইকোনমিক ফোরামে অংশ নেয়ার পর এই মহড়ায় যোগ দেবেন। ইকোনমিক ফোরামে অন্যতম অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভস্তক-২০১৮ নামের ওই সামরিক মহড়া উপলক্ষে সাঁজোয়া যান এবং বিমানসহ তিন হাজার ২০০ সেনা পাঠিয়েছে চীন। মঙ্গোলিয়াও সামরিক সদস্য পাঠিয়েছে।
১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর এই বৃহত্তম সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। রাশিয়ার সেনা প্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরামিসোভ ইন্টারফ্যাক্স নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার ও বুধবার সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি চলবে। মূল মহড়া অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। পাঁচ দিনব্যাপী এই মহড়ায় তিন লাখ সেনা, ৩৬ হাজার সামরিক যান, এক হাজারের বেশি যুদ্ধবিমান ও ৮০টি যুদ্ধ জাহাজ অংশ নেবে। রাশিয়ার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জাপানের উত্তরের বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুরিলের কাছে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে না। রাশিয়ার তিন বাহিনী এই মহড়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


আরো সংবাদ