২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ভারতজুড়ে বন্ধ পালিত

-

জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ও রুপির দর পতনের প্রতিবাদে গতকাল সোমবার ভারতজুড়ে বন্ধ পালন করেছে দেশটির অন্তত ২১টি বিরোধী দল। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর এ বন্ধ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পালিত হয়েছে।
সোমবার সকালে কংগ্রেস সভাপাতি রাহুল গান্ধি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেন। দিল্লির ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টি (এএপি) বন্ধে যোগ না দিলেও প্রতিবাদ মিছিলে তাদের এক নেতাকে পাঠিয়েছিল।
শারদ পাওয়ার, এম কে স্ট্যালিনের মতো ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিরোধীদলীয় নেতারা ও বাম দলগুলোর নেতারা বন্ধের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস বন্ধে যোগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
কেরালা, কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলোতে বন্ধের কড়া প্রভাব পড়ে। নিজ দলের ডাকা প্রতিবাদটিতে যোগ দিতে দিল্লির রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধির মেমোরিয়ালে উপস্থিত হন রাহুল গান্ধি। কৈলাস পর্বত ও মানস সরোবরে তীর্থযাত্রা থেকে ফিরে আসার পর এখানে প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে এলেন তিনি। কংগ্রেসের মিত্র কর্নাটক রাজ্যের ক্ষমতাসীন জনতা দল সেকুলার বন্ধে সমর্থন জানিয়েছে। বেঙ্গালুরুর স্কুল ও কলেজগুলো বন্ধ আছে। উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়েক বন্ধের প্রতি সমর্থন দিতে রাজি না হলেও তার রাজ্যের স্কুলগুলো বন্ধ ছিল। কংগ্রেস জানিয়েছিল, কোনো ধরনের সহিংস প্রতিবাদে সমর্থন না দিতে তাদের কর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দিল্লি কংগ্রেসের নেতা অজয় মাকেন বলেন, ‘আমরা মহাত্মা গান্ধির দল। কোনো সহিংসতার সঙ্গে আমাদের জড়ানো উচিত না’।
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস জানায়, যেসব বিষয়ের প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে সেসব ইস্যুতে তাদেরও সমর্থন আছে, কিন্তু দলীয় প্রধান ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতার নীতি অনুযায়ী রাজ্যে কোনো ধরনের ধর্মঘট পালনের বিরুদ্ধে তারা। তামিলনাড়–তে ডিএমকে দলীয় নেতা এম কে স্ট্যালিন বলেছেন, ডলারের বিপরীতে রুপির দরপতন বা জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সরকার কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না।

 


আরো সংবাদ