২১ নভেম্বর ২০১৮

ওয়াশিংটনে ফিলিস্তিনি দূতাবাস বন্ধ হচ্ছে

-

ওয়াশিংটনে ফিলিস্তিনের কূটনৈতিক মিশন বন্ধ করে দেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্র্রাম্প প্রশাসন। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনকে (পিএলও) এ তথ্য জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পিএলও। ফিলিস্তিন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইলের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি না হওয়ায় এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনের এই দূতাবাসকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়। ফিলিস্তিনি একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, তার অফিসকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়ে দিয়েছে যে, ওয়াশিংটনে তাদের দূতাবাস বন্ধ করে দেয়া হবে। তিনি জানিয়েছেন, ইসরাইলের অপরাধকে সুরক্ষা দিতে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মার্কিন সরকার। পিএলও নেতা সায়েব এরিকাত বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন নীতিতে তারা মাথা নিচু করবেন না। ইসরাইলের বিরুদ্ধে তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন না। সায়েব এরিকার আরো বলেন, আমরা বার বার বলেছি, ফিলিস্তিনি মানুষদের অধিকার বিক্রির জন্য নয়। তিনি বলেন, এমনও নয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ধমকিতে আমরা হুঁশ হারাব।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার দিনশেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনের এ বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার কথা। ধারণা করা হচ্ছিল, তাতে তিনি ওয়াশিংটনে ওই দূতাবাস বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেবেন। এর কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইসরাইলের সাথে ফিলিস্তিনিদের শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রত্যাখ্যান করা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে জন বোল্টন বলতে পারেন, ইসরাইলের সাথে সরাসরি ও অর্থপূর্ণ সমঝোতা শুরুতে ফিলিস্তিনিদের অস্বীকৃতির ফলে ওই অফিস বন্ধ করে দেবে ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ট্রাম্পের নীতিকে মুখের ওপর চপেটাঘাত বলে আখ্যায়িত করেছেন। জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বীকৃতি দেয়ার পর এমন মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প।

 


আরো সংবাদ