২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

২০২০ সালের মধ্যে প্রতিটি গ্রামে ব্রডব্যান্ড : মোস্তফা জব্বার

ল্যাপটপ মেলার স্টল ঘুরে দেখছেন মন্ত্রী - ছবি : নয়া দিগন্ত

আগামী ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম, ইউনিয়ন, দ্বীপ ব্রডব্যান্ড এর আওতায় চলে আসবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আর্ন্ত্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ২১তম ল্যাপটপ ফেয়ারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশ এখন প্রযুক্তিতে পিছিয়ে নেই। মানুষকে এখন আর কোথাও মাউস ও কি-বোর্ডর কাজ কী সেটি বলে দিতে হয় না। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকা পালন করেছে ব্যবসয়ীরা। বাংলাদেশে প্রতিবছর এখন প্রায় চার কোটি ফোন বিক্রি হয়। যদিও এখনো পর্যন্ত তার প্রায় ৩০ শতাংশ স্মার্ট ফোন। সামনে দুয়েক বছরের মধ্যে যা ৭০ শতাংশ অতিক্রম করবে।

মোস্তফা জব্বার বলেন, সামনে আমরা যে রূপান্তরটা দেখেছি মানুষ কমিউনিকেট করার জন্য ভয়েস কে ব্যবহার করেছে। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।  আগামীতে আপনারা প্রস্তুত হোন ডেটা ও ভিডিও ব্যবহার যে হারে বাড়ছে, তাতে ভয়েস ব্যবহার আর না ও হতে পারে। এখনও মানুষ একান্ত বাধ্য না হলে ভয়েস ব্যবহার করছে না।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটা সময়ে দাড়িয়ে আছি। যে সময়টা ডিভাইসের। আগে আমরা মেগা স্পিডের কথা বলতাম। এখন সেটা আমরা এমবিপিএস এ কাউন্ট করছি।

মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি মোবাইল ওয়াল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি) এক্সপোতে গিয়ে দেখলাম আমার সামনে এমন একটি প্রযুক্তি হাজির করা হয়েছে। যা উদ্ভাবন করেছে যুবকরা। ২৫ বছরের এক বালক জানালো আমার সামনে হাজির করা মোবাইলটি ব্লক চেইন। যা কোন অপারেটর ছাড়াই চলবে। আরেক দলের কাছে দেখলাম আইওটি ডিভাইস। যা আগামীর কৃষিতে বিপ্লব আনতে বলে আমার মনে হয়। ওই ডিভাইস ব্যবহার করে পুকুরে মাছের ক্ষুধা পেয়েছে কিনা, ঠিক কতো টুকু ক্ষুধা পেয়েছে তা নির্ণয় করা সম্ভব। তার উপকারিতা হচ্ছে কতো স্থানে ঠিক কতো মাছ চাষ করা সম্ভব এবং কতো খাবার প্রয়োজন তা ঠিক করা যাবে। যাতে স্থান ও খাবার কোনটাই নষ্ট হবে না।

মন্ত্রী বলেন, আমরা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্লোগানটা দিয়েছি সেটি শুধু রাজনৈতিক নয়। আমরা এর পিছনে ১০ বছর সময় দিয়েছি। বিভিন্ন দেশে ভ্রমণে আমি বাংলাদেশ সম্পর্কে যে উপলব্ধিটা পেয়েছি তা হচ্ছে বাংলাদেশ এখন পৃথীবির কাছে উপলব্ধির জায়গায় আছে।

বঙ্গবন্ধু আর্ন্ত্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া ল্যাপটপ ফেয়ার চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। আয়োজনে একটি টাইটেল স্পন্সর প্যাভিলিয়ন, ২৬টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ১০টি স্টলে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা ও বিপননকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ পণ্য প্রদর্শন করছে। মেলার প্রধান পৃষ্টপোষক ই-সেট।

মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। প্রবেশ মূল্য ৩০টাকা তবে শিক্ষার্থী বা পরিচয়পত্র থাকলে কোন ফি ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবে মেলায়।


আরো সংবাদ

সকল