Naya Diganta

সাইফের ডাবল সেঞ্চুরি

সাইফ হাসান

ডাবল সেঞ্চুরি দিয়ে এবারের এনসিএল শুরু করেছেন ইমরুল। এবার তার পথেই হাঁটলেন সাইফ হাসান। রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে আগের দিন মাঠ ছাড়তে হয়েছিল সাইফ। তার আগেই অবশ্য সেঞ্চুরি পূরণ করেছিলেন ২০ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান। আজ (শুক্রবার) জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) মাঠে নেমে ইনিংসটিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দেন ঢাকা বিভাগের এই খেলোয়াড়। তার হার না মানা ২২০ রানের ইনিংসে রংপুরের বিপক্ষে রানের পাহাড় গড়েছে ঢাকা।

চট্টগ্রাম জহুর আহামেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম স্তরের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ঢাকা-রংপুর। জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের এই খেলায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ঢাকা সাইফের ডাবল সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ৫৫৬ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে। জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ব্যাটিংয়েও স্বস্তিতে নেই রংপুর, ৭১ রান তুলতে হারিয়েছে ২ উইকেট।

শ্রীলঙ্কা সফরে ‘এ’ দলের হয়ে শেষ ম্যাচে ১১৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সাইফ। ওয়ানডে ফরম্যাটের ওই ম্যাচের পর দ্বিতীয় রাউন্ড দিয়েই প্রথমবার এনসিএলে নেমেছেন এই ব্যাটসম্যান। প্রথম দিন ব্যক্তিগত ১২০ রানের সময় মাঠ রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন সাইফ। দ্বিতীয় দিনে ফিরে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন তিনি। ৩২৯ বলে হার না মানা ২২০ রানের ইনিংসটি সাজান ১৯ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায়।

সাইফের ইনিংসটির সঙ্গে অধিনায়ক নাদিফ চৌধুরীর ৬১, জয়রাজ শেখের ২৬ ও নাজমুল ইসলামের অপরাজিত ১৮ রানে বড় সংগ্রহ পায় ঢাকা।

কঠিন পরীক্ষা দেওয়া রংপুরের দুই বোলার- সোহরাওয়ার্দী শুভ ও সঞ্জিত সাহা পেয়েছেন ৩টি করে উইকেট। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন রকিবুল হক ও মাহমুদুল হাসান।

ঢাকার রান চাপে ব্যাটিংয়ে নামা রংপুর শুরুতেই পড়ে বিপদে। দলীয় ২৬ রানে তারা হারায় ওপেনার হামিদুল ইসলামকে। ৯ রান করে সালাউদ্দিন শাকিলের শিকার হন তিনি। খানিক পর রানের খাতা খোলার আগেই এই শাকিলের বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন মাহমুদুল হাসান। হার না মানা হাফসেঞ্চুরিতে (৫১*) লিটন দাস দিনের বাকিটা পার করে দিয়েছেন নাঈম ইসলামকে (৮*) সঙ্গী করে।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে নেমেছে রাজশাহী-খুলনা। প্রথম দিন রাজশাহীকে ২৬১ রানে অলআউট করা খুলনা দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ২২৭ রানে। এই ম্যাচে ৭ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেছেন ইমরুল কায়েস।

ডাবল সেঞ্চুরি দিয়ে এবারের এনসিএল শুরু করেছেন ইমরুল। আরেকবার তিন অঙ্কের ঘরে যাওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু হয়নি, ৯৩ রানে আউট হয়ে আক্ষেপে পুড়ছেন। ১৯০ বলের ইনিংসটি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সাজিয়েছেন ১০ বাউন্ডারিতে।

ব্যর্থ হয়েছেন সৌম্য সরকার। খুলনার এই ব্যাটসম্যান রানের খাতাই খুলতে পারেননি। আরেক ওপেনার এনামুল হক করেছেন ৩৪। তুষার ইমরান ৪৩ ও মোহাম্মদ মিঠুন করেন ৪ রান। নুরুল হাসান (৩৫*) ও আব্দুর রাজ্জাক (৭*) শেষ করেছেন দ্বিতীয় দিন।

রাজশাহীর দুই বোলার শফিউল ইসলাম ও তাইজুল ইসলাম নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। একটি উইকেট পেয়েছেন সানজামুল ইসলাম।