Naya Diganta
স্বাস্থ্য থেকে তথ্যে মুরাদ হাসান

মন্ত্রিসভায় পুনর্বিন্যাস

স্বাস্থ্য থেকে তথ্যে মুরাদ হাসান

ক্ষমতাসীন সরকার গঠনের তিন মাসের মধ্যে পুনর্বিন্যাস করা হলো নতুন মন্ত্রিসভায়। গতকাল রোববার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসানকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।
ডা: মো: মুরাদ হাসান একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালেও তিনি একই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
মুরাদ হাসানের বাবা মতিয়র রহমান তালুকদার ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর। ১৯৭৫ সালের পর যে কয়জন নেতা আওয়ামী লীগের রাজনীতি সংগঠিত করে তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মতিউর রহমান তালুকদার। দীর্ঘ দিন তিনি জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিও ছিলেন।
মুরাদ হাসান ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক।
অপর একটি প্রজ্ঞাপনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে শুধু ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব আর তার হাতে থাকল না। ওই বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক এখন এই বিভাগের দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলামের দায়িত্বও কমিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি এখন শুধু স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। আর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যকে শুধু পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর মন্ত্রিসভার দায়িত্বে এই প্রথম পরিবর্তন এলো। মন্ত্রণালয়ে গতি আনার জন্য এই বিভাজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বছরের ৭ জানুয়ারি গঠিত হয় বর্তমান মন্ত্রিসভা। তখন এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৭ জন। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী (প্রধানমন্ত্রীসহ), ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী।