Naya Diganta

চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ আহত ৩

হামলায় আহত স্বেচ্ছাসেব্কলীগ নেতা ইমরান ও তার সহযোগী।

যশোরের চৌগাছায় দলীয় প্রতিপক্ষের হামলায় চৌগাছা সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাবেকলীগ সভাপতি ইমরান হোসেনসহ তিনজন মারাত্মক আহত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাকুড়িয়া বাওড়ের ধারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতরা হলে, চৌগাছা সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি ইমরান হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী শাহজালাল হোসেন ও নিজাম উদ্দীন। এ ঘটনায় চৌগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আহত স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি ইমরান হোসেন জানান, প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা আমাকে ও শাহজালালকে কুপিয়েছে। এ সময় নিজাম উদ্দীন আমাদের উদ্ধার করতে আসলে সন্ত্রাসীরা তাকেও কুপিয়ে আহত করে।

ইমরান হোসেন বলেন, আমি কাকুড়িয়া বিলে মাছের চাষ করি। বিল পাহারায় নিযুক্ত নৈশ প্রহরীর জন্য তৈরি কুড়ে ঘরে কাকুড়িয়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী খাইরুল ও আলী কিছুদিন আগে ফেনসিডিল রাখে।

এ ঘটনায় পুলিশ খাইরুলকে আটকও করেছিল। আমরা এঘটনার প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। পরে আমরা নৈশ প্রহরীর ঘর সরিয়ে বিলের অন্যপারে নিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে বিল থেকে বিভিন্ন সময় মাছ চুরি করে আসছিল।

শনিবার বিকেলে আমি, নিজাম ও আমার ভাগ্নে শাহাজালাল মাছ চুরির বিষয় নিয়ে খাইরুলের সাথে কথা বলছিলাম কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে খাইরুল আমাকে চড়-থাপ্পড় মারে। সাথে সাথেই খাইরুলের ভাই মাদক ব্যবসায়ী আলী ওরফে নুলো আলী গাছিদা দিয়ে শাহাজালালের ঘাড়ে কোপ মারে। ঠেকাতে গেলে আমার মাথায় ও নিজামের পিঠেও কোপ মারে। আমাদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত ইমরান আরো জানান, এর আগেও তারা আমার উপর আরো একবার হামলা চালিয়ে মারধর করেছিল।

এ ব্যাপারে হাসপাতালে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আওরঙ্গজেব জানান, আহতদেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ইমরান ও শাহাজালালের আঘাত গুরুতর।

এ ব্যাপারে চৌগাছা থানার ওসি খন্দকার শামীম উদ্দীন জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।