Naya Diganta

হজ্বযাত্রী পরিবহণে ব্যর্থ এজেন্সীর লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

হজ্বযাত্রী পরিবহণের ক্ষেত্রে যে সকল এজেন্সী শর্ত সঠিকভাবে পালন করেনি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং লাইসেন্স বাতিল করার পাশাপশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল করার পাশাপাশি চট্রগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে ট্রানজিটের সময় কমিয়ে আনার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
সোমবার সংসদ ভবনে দশম জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩৯তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এ.কে.এম শাহ্জাহান কামাল, অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফ, তানভীর ইমাম, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কামরুল আশরাফ খান এবং সাবিহা নাহার বেগম অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিভিল এভিয়েশন ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য গঠিত ৪নং সাব-কমিটির প্রতিবেদন, চলতি হজ্ব ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি, হোটেল সোনারগাঁও ও হোটেল রুপসী বাংলার সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ্বযাত্রী পরিবহণের ক্ষেত্রে যে সকল এজেন্সী শর্ত সঠিকভাবে পালন করেনি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়।
কমিটি সূত্র জানায়, কার্গো বিমানের আগত মালামাল বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খালাস না করলে অধিকহারে জরিমানা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট আইন পরিবর্তনের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণের পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে অস্থায়ী কর্মচারীদের চাকুরী স্থায়ীকরণের সুপারিশ করা হয়।
কার্গো বিমানের আগত মালামাল বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খালাস না করলে অধিকহারে জরিমানা করা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট আইন পরিবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানকে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রস্তাব প্রেরণের সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে অস্থায়ী ভিত্তিতে যে সকল কর্মচারী কর্মরত আছে কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের চাকুরী স্থায়ীকরণের জন্য সুপারিশ করা হয়।